সেকশন: গোপনে ও প্রকাশ্যে সদকা করা
আনাস ইবন মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, নেক কাজ খারাপ মৃত্যু থেকে বাঁচায় এবং বিপদ ও ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২/১২৫]
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, গোপনে সদকা করা আল্লাহ তা‘আলার ক্রোধ ঠাণ্ডা করে দেয়। [সহীহুল জামে ২/৩৭৯৫]
আবু উমামা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, সদকার মাধ্যমে তোমরা রোগীদের চিকিৎসা কর। [মুজামুস সগীর ২/১০৩৩]ইবনুল হাজ রহ. বলেন, সদকার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো রোগীর নিজের কাছে স্বীয় জীবনের মূল্য অনুযায়ী আল্লাহর কাছ থেকে নিজের জীবনকে কিনবে। সদকার ফলাফল অবধারিত। কারণ, সংবাদদাতা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যেমন সত্যবাদী, তেমনি যার ব্যাপারে সংবাদ দিয়েছেন, সে আল্লাহ তা‘আলাও অপার দায়াবান ও অনুগ্রহশীল। সুতরাং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও ভরসা রেখে রোগের গুরুত্ব অনুপাতে সুস্থতার নিয়তে সদকা করে দেখুন আল্লার ওয়াদা কেমন। [সহীহুল জামে ১/৩৩৫৮]বাস্তব সত্য হলো বান্দা আল্লাহর কাছে যে পরিমাণ দোয়া, কান্নাকাটি করে তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সে পরিমাণই সাহায্য আসে। [আল-মাদখাল লি-ইবনিল হাজ ৪/১৪১-১৪২]আর এ কথাও অভিজ্ঞতা সাক্ষ্য দেয় যে, বান্দার রিযিক ও তার দান এবং ব্যয়ের অনুসারে রুটি ছাড়া অন্য কিছুই ছিলো না। সে সওয়াল করলে তিনি বাঁদীকে ডেকে বললেন, ওকে রুটিটি দিয়ে দাও।বাঁদী বললো: আপানার ইফতার করার জন্য নেই। তিনি বললেন, দিতে বলছি, দিয়ে দাও।বাঁদীর কথা: তার নির্দেশ মতো রুটিটি আমি মিসকীনকে দিয়ে দিলাম। সন্ধ্যায় ইফতারের সময় হলে এমন একজন আমাদের জন্য ভুনা বকরী ও রুটি হাদিয়া নিয়ে আসলো, যে ইতোপূর্বে কখনো আমাদের হাদিয়া দেয় নি। তিনি তখন আমাকে ডেকে বললেন, এখানে থেকে খাও, এটা তোমার রুটি থেকে উত্তম। [সহীহুল জামে‘, হাদীস নং ১৯৫২]