সেকশন: লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ
কোনো সংখ্যা নির্ধারিত না করে যত বেশি সম্ভব পড়া।لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إلَّا بِاللَّهِদোয়াটি পাঠের ফযিলত নিম্নে বর্ণিত হল-
আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাকে বলেছেন: আমি কী তোমাকে জান্নাতের ভাণ্ডারসমূহ থেকে একটি ভাণ্ডারের সুসংবাদ দেবো না?আমি আরয করলাম, অবশ্যই, বলুন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তিনি তখন আমাকে বললেন: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِএ বাক্যটি পড়। [সহীহ বুখারী ১১/১৯৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭০৪]
আল্লামা ইবনুল কায়্যেম রহ. বলেন, কঠিন কাজ সহজে উদ্ধার করা, কষ্ট-ক্লেশ হালকা করা, ক্ষমতাসীনদের দরবারে প্রবেশের ভয়-ভীতি দূর করা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিকে অনুকূলে আনার ক্ষেত্রেও এ কালেমার বিশাল প্রভাব রয়েছে। [ওয়াবিলুস সাইব লি ইবনিল কাইয়্যেম (পৃ: ৯৮)]প্রখ্যাত মুসলিম সেনানায়ক হাবিব ইবন সালামাহ রহ. শত্রুর মুখোমুখী হওয়ার সময় অথবা দুর্গ অবরোধের সময় لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِপড়াকে প্রাধান্য দিতেন। একবার রোমের একটি দূর্গ ঘেরাও করে মুজাহিদগণ যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার প্রাক্কালে এ কালেমা পড়ে তাকবীর দেওয়ার সাথে সাথে দূর্গটি ধসে পড়ে। [ওয়াবিলুস সাইব লি ইবনিল কায়্যিম (পৃ. ৯৮)]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِপড়বে তার জন্য এটা নিরানব্বইটি রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করবে, এর সর্বনিম্ন হলো, চিন্তা দূর হয়ে যাবে। [মুসতাদরাকে হাকেম (১/৫৪২) এবং এর সনদকে সহীহ বলেছেন]لا حول ولا قوة إلا باًللَّه(এর উদ্দেশ্য ও মর্ম হলো কোনো কল্যাণ অর্জন করা বা অকল্যাণ থেকে বেঁচে থাকা একমাত্র আল্লাহর হুকুমেই সম্ভব।)
মাকহূল বলেন, (সুতরাং যে কেউ বলবে, ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, ওয়ালা মানজা মিনাল্লাহি ইল্লা ইলাইহি’ বলবে তার সত্তরটি ক্ষতি নিরোধ হবে, সর্বনিম্নটি হচ্ছে, দারিদ্রতা।) [সহীহ আত-তিরমিযী, ৩/১৮৬। আলবানী বলেন, তা মাকতু‘]