৩৩৯.
অনুচ্ছেদঃ কারো বক্তব্য, আল্লাহর মর্জি ও আপনার মর্জি।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৮৮
হাদিস নং ৭৮৮
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الْأَجْلَحِ، عَنْ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: قَالَ رَجُلٌ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا شَاءَ اللَّهُ وَشِئْتَ، قَالَ: «جَعَلْتَ لِلَّهِ نِدًّا، مَا شَاءَ اللَّهُ وَحْدَهُ»
বর্ণনাকারী ইবনে আব্বাস (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-কে বললো, আল্লাহর মর্জি এবং আপনার মর্জি। তিনি বলেনঃ তুমি আল্লাহর সাথে শরীক করলে। বলো, একমাত্র আল্লাহর মর্জি। -(আহমাদ, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ, দারিমী, তাহাবী)
৩৪০.
অনুচ্ছেদঃ গান-বাজনা ও তামাশা।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৮৯
হাদিস নং ৭৮৯
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ قَالَ: خَرَجْتُ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ إِلَى السُّوقِ، فَمَرَّ عَلَى جَارِيَةٍ صَغِيرَةٍ تُغَنِّي، فَقَالَ: إِنَّ الشَّيْطَانَ لَوْ تَرَكَ أَحَدًا لَتَرَكَ هَذِهِ
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনে দীনার (র)
আমি আবদুল্লাহ ইবনে উমার সাথে বাজারে গেলাম। তিনি সঙ্গীতরত একটি বালিকাকে অতিক্রম করতে করতে বলেন, শয়তান যদি কাউকেও ত্যাগ করতো তবে একেও ত্যাগ করতো (বাযযার, দারাওয়ারদী)।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯০
হাদিস নং ৭৯০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَّامٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ أَبُو عَمْرٍو الْبَصْرِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرًا مَوْلَى الْمُطَّلِبِ قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَسْتُ مِنْ دَدٍ، وَلَا الدَّدُ مِنِّي بِشَيْءٍ» ، يَعْنِي: لَيْسَ الْبَاطِلُ مِنِّي بِشَيْءٍ
বর্ণনাকারী আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আমি খেল-তামাশা পছন্দ করি না এবং খেল-তামাশারও আমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই। অর্থাৎ আমার সাথে বাতিলের কোন সম্পর্ক নাই।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯১
হাদিস নং ৭৯১
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ قَالَ: أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: {وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ} [لقمان: 6] ، قَالَ: الْغِنَاءُ وَأَشْبَاهُهُ
বর্ণনাকারী ইবনে আব্বাস (রাঃ)
“এমন কতক লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে ভ্ৰষ্ট করার লক্ষ্যে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে” (সূরা লোকমান : ৬)। তা হচ্ছে গান-বাজনা ও অনুরূপ বস্তুসমূহ। (তাবারী)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯২
হাদিস নং ৭৯২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَّامٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا الْفَزَارِيُّ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ، قَالَا: أَخْبَرَنَا قِنَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّهْمِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْشُوا السَّلَامَ تَسْلَمُوا، وَالْأَشَرَةُ شَرٌّ» قَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ: وَالْأَشَرُ: الْعَبَثُ.
বর্ণনাকারী বারাআ ইবনে আযেব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা সালামের বহুল প্রচলন করো, শান্তিতে থাকতে পারবে। অনর্থক কথাবার্তা ক্ষতিকর। (মুসনাদে আবু ইয়ালা, ইবনে হিব্বান, মুখতারাত)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯৩
হাদিস নং ৭৯৩
حَدَّثَنَا عِصَامٌ قَالَ: حَدَّثَنَا حَرِيزٌ، عَنْ سَلْمَانَ بْنِ سُمَيْرٍ الْأَلَهَانِيِّ، عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ، وَكَانَ بِجَمْعٍ مِنَ الْمَجَامِعِ، فَبَلَغَهُ أَنَّ أَقْوَامًا يَلْعَبُونَ بِالْكُوبَةِ، فَقَامَ غَضْبَانَ يَنْهَى عَنْهَا أَشَدَّ النَّهْيِ، ثُمَّ قَالَ: أَلَا إِنَّ اللَّاعِبَ بِهَا لَيَأْكُلُ ثَمَرَهَا، كَآكِلِ لَحْمِ الْخِنْزِيرِ، وَمُتَوَضِّئٍ بِالدَّمِ. يَعْنِي بِالْكُوبَةِ: النَّرْدَ
বর্ণনাকারী ফাদালা ইবনে উবাইদ (র)
তিনি কোন এক মজলিসে বসা ছিলেন। তখন তিনি জানতে পারলেন যে, কতক লোক দাবা খেলায় মত্ত আছে। তিনি ক্রোধান্বিত অবস্থায় তৎক্ষণাৎ উঠে গিয়ে তাদেরকে কঠোরভাবে নিষেধ করলেন, অতঃপর বললেন, সাবধান! যারা পাশা খেলে এবং তার ফল (উপার্জন) খায় তারা শূকরের গোশত ভক্ষণকারী এবং রক্ত দিয়ে উযুকারীর সমতুল্য।
৩৪১.
অনুচ্ছেদঃ উত্তম চালচলন ও জীবনপ্রণালী।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯৪
হাদিস নং ৭৯৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الْأَسْوَدِ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ حَصِيرَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ وَهْبٍ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ: إِنَّكُمْ فِي زَمَانٍ: كَثِيرٌ فُقَهَاؤُهُ، قَلِيلٌ خُطَبَاؤُهُ، قَلِيلٌ سُؤَّالُهُ، كَثِيرٌ مُعْطُوهُ، الْعَمَلُ فِيهِ قَائِدٌ لِلْهَوَى. وَسَيَأْتِي مِنْ بَعْدِكُمْ زَمَانٌ: قَلِيلٌ فُقَهَاؤُهُ، كَثِيرٌ خُطَبَاؤُهُ، كَثِيرٌ سُؤَّالُهُ، قَلِيلٌ مُعْطُوهُ، الْهَوَى فِيهِ قَائِدٌ لِلْعَمَلِ، اعْلَمُوا أَنَّ حُسْنَ الْهَدْيِ، فِي آخِرِ الزَّمَانِ، خَيْرٌ مِنْ بَعْضِ الْعَمَلِ
বর্ণনাকারী ইবনে মাসউদ (রাঃ)
তোমরা এমন একটি যুগে আছো যে সময় ফকীহগণের সংখ্যা অধিক, বক্তাগণের সংখ্যা কম, যাঞ্চাকারীর সংখ্যা কম, দাতার সংখ্যা অধিক এবং আমল হচ্ছে প্রবৃত্তির পরিচালক। কিন্তু তোমাদের পর অচিরেই এমন এক যুগ আসবে যখন ফকীহগণের সংখ্যা হবে কম, বক্তার সংখ্যা হবে প্রচুর, যাঞ্চাকারীর সংখ্যা হবে অধিক, দাতার সংখ্যা হবে অল্প এবংপ্রবৃত্তিই হবে আমলের পরিচালক। জেনে রাখো! আখেরী যমানায় উত্তম স্বভাব হবে কোন কোন আমলের চেয়েও উত্তম। -(মুয়াত্তা মালিক)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯৫
হাদিস নং ৭৯৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَّامٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، قَالَ: قُلْتُ لَهُ: رَأَيْتَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: نَعَمْ، وَلَا أَعْلَمُ عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ رَجُلًا حَيًّا رَأَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَيْرِي، قَالَ: وَكَانَ أَبْيَضَ، مَلِيحَ الْوَجْهِ
বর্ণনাকারী আল-জুরাইরী (র)
আমি আবুত তুফাইল (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি নবী (সাঃ)-কে দেখেছেন? তিনি বলেন, হাঁ। আমার জানামতে যারা তাঁকে দেখেছেন আমি ছাড়া তাদের কেউ ভূপৃষ্ঠে বেঁচে নাই। তিনি ছিলেন ফর্সা ও লাবণ্যময় চেহারার অধিকারী (মুসলিম, হা/৫৮৬২)।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯৬
হাদিস নং ৭৯৬
وَعَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ قَالَ: كُنْتُ أَنَا وَأَبُو الطُّفَيْلِ نَطُوفُ بِالْبَيْتِ، قَالَ أَبُو الطُّفَيْلِ: مَا بَقِيَ أَحَدٌ رَأَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَيْرِي، قُلْتُ: وَرَأَيْتَهُ؟ قَالَ: نَعَمْ، قُلْتُ: كَيْفَ كَانَ؟ قَالَ: كَانَ أَبْيَضَ مَلِيحًا مُقَصَّدًا
বর্ণনাকারী আল-জুরাইরী (র)
আমি ও আবুত তুফাইল আমের ইবনে ওয়াসেলা আল-কানানী (রাঃ) আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করছিলাম। তখন আবুত তুফাইল (রাঃ) বলেন, নবী (সাঃ)-কে দেখেছেন, আমি ছাড়া এমন কেউ আর বেঁচে নাই। আমি বললাম, আপনি কি তাঁকে দেখেছেন? তিনি বলেন, হাঁ। আমি বললাম, তিনি কেমন ছিলেন? তিনি বলেন, তিনি ছিলেন ফর্সা, লাবণ্যময়, মধ্যম আকৃতির। (মুসলিম, আবু দাউদ)
আবুত তুফাইল (রাঃ) ১০০ হিজরীতে ইনতিকাল করেন। মহানবী (সাঃ)-এর সাহাবীগণের মধ্যে তিনিই সবশেষে মৃত্যুবরণ করেন (মুসলিম, কিতাবুল ফাদাইল, হাদীস নং ৬০৭১ (৯৮)-(অনুবাদক)।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯৭
হাদিস নং ৭৯৭
حَدَّثَنَا فَرْوَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ قَابُوسَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْهَدْيُ الصَّالِحُ، وَالسَّمْتُ الصَّالِحُ، وَالِاقْتِصَادُ، جُزْءٌ مِنْ خَمْسَةٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ»
বর্ণনাকারী ইবনে আব্বাস (রাঃ)
নবী (সাঃ) বলেনঃ উত্তম চালচলন, উত্তম স্বভাব, উত্তম আচরণ এবং মিতাচার নবুয়াতের পঁচিশ ভাগের এক ভাগ। -(মুয়াত্তা মালিক, আবু দাউদ, আহমাদ)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯৮
হাদিস নং ৭৯৮
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ قَالَ: حَدَّثَنَا قَابُوسُ، أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ الْهَدْيَ الصَّالِحَ، وَالسَّمْتَ الصَّالِحَ، وَالِاقْتِصَادَ، جُزْءٌ مِنْ سَبْعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ»
বর্ণনাকারী ইবনে আব্বাস (রাঃ)
নবী (সাঃ) বলেনঃ উত্তম চালচলন উত্তম আচরণ ও মিতাচার নবুয়াতের সত্তর ভাগের এক ভাগ। (আবু দাউদ)
৩৪২.
অনুচ্ছেদঃ যাকে তুমি দাওনি পাথেয়, সে তোমার নিকট আনবে বয়ে বার্তা।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৭৯৯
হাদিস নং ৭৯৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: هَلْ سَمِعْتِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَمَثَّلُ شِعْرًا قَطُّ؟ فَقَالَتْ: أَحْيَانًا، إِذَا دَخَلَ بَيْتَهُ يَقُولُ: «وَيَأْتِيكَ بِالْأَخْبَارِ مَنْ لَمْ تُزَوِّدِ»
বর্ণনাকারী ইকরিমা (র)
আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ(সাঃ)-কে কখনো কবিতা দ্বারা উপমা দিতে শুনেছেন? তিনি বলেন, কখনো কখনো তিনি ঘরে প্রবেশকালে আবৃত্তি করতেনঃ “যাকে তুমি দাওনি তোশা, আনবে খবর সে নিশ্চয়”। -(তিরমিযী, তাহাবী, নাসাঈ)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০০
হাদিস নং ৮০০
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: إِنَّهَا كَلِمَةُ نَبِيٍّ:[البحر الطويل]وَيَأْتِيكَ بِالْأَخْبَارِ مَنْ لَمْ تُزَوِّدِ
বর্ণনাকারী ইবনে আব্বাস (রাঃ)
“যাকে তুমি দাওনি তোশা, আনবে খবর সে নিশ্চয়” একজন নবীর কথা (অর্থাৎ নবী (সাঃ)-ও একথা বলেছেন)।
৩৪৩.
অনুচ্ছেদঃ অবাঞ্ছিত আকাঙ্ক্ষা।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০১
হাদিস নং ৮০১
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا تَمَنَّى أَحَدُكُمْ فَلْيَنْظُرْ مَا يَتَمَنَّى، فَإِنَّهُ لَا يَدْرِي مَا يُعْطَى»
বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন ঃ তোমাদের কেউ যখন কিছুআকাঙ্ক্ষা করে তখন তার লক্ষ্য করা উচিত যে, সে কি আকাঙ্ক্ষা করছে। কেননা সে তো জানে না যে, তাকে কি দেয়া হবে? (আহমাদ, বাযযার)
৩৪৪.
অনুচ্ছেদঃ তোমরা আঙ্গুরকে কারম নামকরণ করো না।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০২
হাদিস নং ৮০২
حَدَّثَنَا آدَمُ قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ: الْكَرْمَ، وَقُولُوا الْحَبَلَةَ "، يَعْنِي: الْعِنَبَ
বর্ণনাকারী আলকামা ইবনে ওয়াইল (রাঃ)
নবী (সাঃ) বলেন তোমাদের কেউ যেন আঙ্গুরকে ‘কারম’ না বলে, বরং তোমরা হাবালা (আঙ্গুর) বলো। -(মুসলিম, দারিমী, আবু আওয়ানাসাঈ, ইবনে হিব্বান)
৩৪৫.
অনুচ্ছেদঃ কারো এরূপ বলা, তোমার অকল্যাণ হোক।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০৩
হাদিস নং ৮০৩
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ عَمِّهِ مُوسَى بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، مَرَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِرَجُلٍ يَسُوقُ بَدَنَةً، فَقَالَ: «ارْكَبْهَا» ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهَا بَدَنَةٌ، فَقَالَ: «ارْكَبْهَا» ، قَالَ: إِنَّهَا بَدَنَةٌ، قَالَ فِي الثَّالِثَةِ أَوْ فِي الرَّابِعَةِ: «وَيْحَكَ ارْكَبْهَا»
বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা (রাঃ)
নবী (সাঃ) এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন, যে তার কোরবানীর উট হাকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তিনি বলেনঃ তুমি তাতে আরোহণ করো। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কোরবানীর উট। তিনি পুনরায় বলেনঃ তুমি তাতে আরোহণ করো। সে বললো, তা কোরবানীর উট। তিনি তৃতীয় বা চতুর্থবারে বলেনঃ তোমার জন্য দুঃখ হয়! তুমি তাতে আরোহণ করো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তাহাবী)
৩৪৬.
অনুচ্ছেদঃ কারো কথা, হে শালিকা, হে পাগলী।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০৪
হাদিস নং ৮০৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شَرِيكٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أُمِّهِ حَمْنَةَ بِنْتِ جَحْشٍ قَالَتْ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا هِيَ؟ يَا هَنْتَاهُ»
বর্ণনাকারী হামনা বিনতে জাহাশ (র)
নবী (সাঃ) বললেনঃ হে শ্যালিকা (বা পাগলী)! এটা কি? -(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিযী)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০৫
হাদিস নং ৮০৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ صُهْبَانَ الْأَسَدِيِّ: رَأَيْتُ عَمَّارًا صَلَّى الْمَكْتُوبَةَ ثُمَّ قَالَ لِرَجُلٍ إِلَى جَنْبِهِ: يَا هَنَاهْ، ثُمَّ قَامَ
বর্ণনাকারী হাবীব ইবনে সাহ্বান আল-আসাদী (র)
আমি আম্মার (রাঃ)-কে ফরয নামায পড়তে দেখলাম। অতঃপর তিনি তার পাশের লোকটিকে বলেন, হে পাগলা! অতঃপর (আবার নামাযে) দাঁড়ালেন। (হাকিম)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০৬
হাদিস নং ৮০৬
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: أَرْدَفَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «هَلْ مَعَكَ مِنْ شِعْرِ أُمَيَّةَ بْنِ أَبِي الصَّلْتِ؟» قُلْتُ: نَعَمْ. فَأَنْشَدْتُهُ بَيْتًا، فَقَالَ: «هِيهِ» ، حَتَّى أَنْشَدْتُهُ مِائَةَ بَيْتٍ
বর্ণনাকারী আমর ইবনুশ শারীদ (র)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর বাহনে পেছন দিকে আমাকে তুলে নিলেন। তিনি বলেনঃ তোমার স্মৃতিতে (কবি) উমাইয়্যা ইবনে আবুস সালত-এর কবিতার কোন কিছু আছে কি? আমি বললাম, হাঁ। আমি তাকে একটিপংক্তি আবৃত্তি করে শুনালাম। তিনি বলেনঃ আরও আবৃত্তি করো। শেষ পর্যন্ত আমি তাকে এক শত পংক্তি আবৃত্তি করে শুনলাম। (মুসলিম)
৩৪৭.
অনুচ্ছেদঃ কারো কথা, আমি ক্লান্ত-শ্রান্ত।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০৭
হাদিস নং ৮০৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُمَيْرٍ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي مُوسَى قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ: لَا تَدَعْ قِيَامَ اللَّيْلِ، فَإِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ لَا يَذَرُهُ، وَكَانَ إِذَا مَرِضَ أَوْ كَسِلَ صَلَّى قَاعِدًا
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনে আবু মূসা (র)
আয়েশা (রাঃ) বললেন, রাতে দাঁড়ানো (নফল নামায পড়া) কখনো ত্যাগ করো না। কেননা নবী (সাঃ) কখনো তা ত্যাগ করেননি। তিনি অসুস্থ থাকলে বা ক্লান্তি বোধ করলে বসে বসে নামায পড়তেন। (আবু দাউদ)
৩৪৮.
অনুচ্ছেদঃ ব্যক্তি অলসতা থেকে পানাহ চায়।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০৮
হাদিস নং ৮০৮
حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ أَبِي عَمْرٍو قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُكْثِرُ أَنْ يَقُولَ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ، وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ»
বর্ণনাকারী আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)
নবী (সাঃ) অধিক পরিমাণে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখজনক অবস্থা থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে এবং ঋণভার ও লোকের (শত্রুর) আধিপত্য থেকে”। -(বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী)
৩৪৯.
অনুচ্ছেদঃ কারো কথা, আমার জান আপনার জন্য উৎসর্গিত।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮০৯
হাদিস নং ৮০৯
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ جُدْعَانَ قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: كَانَ أَبُو طَلْحَةَ يَجْثُو بَيْنَ يَدَيْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيَنْثُرُ كِنَانَتَهُ وَيَقُولُ: وَجْهِي لِوَجْهِكَ الْوِقَاءُ، وَنَفْسِي لِنَفْسِكَ الْفِدَاءُ
বর্ণনাকারী আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)
আবু তালহা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সামনে হাঁটু গেড়ে বসতেন এবং তার তীরগুলো ছড়িয়ে দিয়ে বলতেন, হে প্রিয় নবী! আমার মুখমণ্ডল আপনার মুখমণ্ডলের ঢালস্বরূপ। আমার জান আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। (ইবনুস সুন্নী)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১০
হাদিস নং ৮১০
حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ: فَانْطَلَقَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَ الْبَقِيعِ، وَانْطَلَقْتُ أَتْلُوهُ، فَالْتَفَتَ فَرَآنِي فَقَالَ: «يَا أَبَا ذَرٍّ» ، فَقُلْتُ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَسَعْدَيْكَ، وَأَنَا فِدَاؤُكَ، فَقَالَ: «إِنَّ الْمُكْثِرِينَ هُمُ الْمُقِلُّونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، إِلَّا مَنْ قَالَ هَكَذَا وَهَكَذَا فِي حَقٍّ» ، قُلْتُ: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، فَقَالَ: «هَكَذَا» ثَلَاثًاثُمَّ عَرَضَ لَنَا أُحُدٌ فَقَالَ: «يَا أَبَا ذَرٍّ» ، فَقُلْتُ: لَبَّيْكَ رَسُولَ اللَّهِ وَسَعْدَيْكَ، وَأَنَا فِدَاؤُكَ، قَالَ: " مَا يَسُرُّنِي أَنَّ أُحُدًا لِآلِ مُحَمَّدٍ ذَهَبًا، فَيُمْسِي عِنْدَهُمْ دِينَارٌ - أَوْ قَالَ: مِثْقَالٌ "ثُمَّ عَرَضَ لَنَا وَادٍ، فَاسْتَنْتَلَ فَظَنَنْتُ أَنَّ لَهُ حَاجَةً، فَجَلَسْتُ عَلَى شَفِيرٍ، وَأَبْطَأَ عَلَيَّ. قَالَ: فَخَشِيتُ عَلَيْهِ، ثُمَّ سَمِعْتُهُ كَأَنَّهُ يُنَاجِي رَجُلًا، ثُمَّ خَرَجَ إِلَيَّ وَحْدَهُ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنِ الرَّجُلُ الَّذِي كُنْتَ تُنَاجِي؟ فَقَالَ: «أَوَ سَمِعْتَهُ؟» قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: «فَإِنَّهُ جِبْرِيلُ أَتَانِي، فَبَشَّرَنِي أَنَّهُ مَنْ مَاتَ مِنْ أُمَّتِي لَا يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ» ، قُلْتُ: وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ؟ قَالَ: «نَعَمْ»
বর্ণনাকারী আবু যার (রাঃ)
নবী (সাঃ) ‘আল-বাকী’ নামক কবরস্থানের দিকে গেলেন। আমিও তাঁর অনুগামী হলাম। তিনি পিছনে ফিরে আমাকে দেখতে পেয়ে বলেনঃ হে আবু যার! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সৌভাগ্যময় দরবারে হাযির। আপনার জন্য আমি উৎসর্গিত। তিনি বলেনঃ সম্পদশালীরাই হবে কিয়ামতের দিন দরিদ্র, তবে যারা এরূপ এরূপ (দান-খয়রাত) করবে তারা ব্যতীত। আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই সমধিক জ্ঞাত। তিনি এরূপ তিনবার বলেন। অতঃপর উহুদ পাহাড় আমাদের সামনে পড়লো। তিনি বলেনঃ হে আবু যার! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সৌভাগ্যময় দরবারে হাযির। আপনার জন্য আমি উৎসর্গিত। তিনি বলেনঃ “এই উহুদ পাহাড় যদি মুহাম্মাদের পরিবারের জন্য সোনায় পরিণত হয়, তবে রাত আসা অবধি তাদের নিকট এক দীনার বা এক মিসকাল পরিমাণ সোনা অবশিষ্ট থাকলেও তাতে আমি খুশি হবো না”। অতঃপর আমরা একটি উন্মুক্ত মাঠে উপনীত হলাম। তিনি মাঠের এক প্রান্তে চলে গেলেন। আমি ভাবলাম, তিনি হয়তো প্রাকৃতিক প্রয়োজন সাড়তে গেছেন। তাই আমি একপাশে বসে থাকলাম। আমার কাছে ফিরে আসতে তাঁর বিলম্ব হলে তাঁর সম্পর্কে আমার (বিপদের) আশংকা হলো। অতঃপর আমি এক ব্যক্তির সাথে ফিস ফিস করে তাঁর কথা বলার আওয়াজ শুনতে পেলাম। অতঃপর তিনি একাকী আমার নিকট ফিরে এলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কার সাথে গোপনে কথা বললেন? তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি তা শুনতে পেয়েছো? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ তিনি জিবরাঈল (আঃ)। তিনি আমার নিকট এসে আমাকে এই সুসংবাদ দিলেন যে, আমার উম্মাতের যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছু শরীক না করে মারা যাবে সে বেহেশতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদি সে যেন করে থাকে, যদি সে চুরি করে থাকে তবুও? তিনি বলেনঃ হাঁ তবুও। (বুখারী, মুসলিম)
৩৫০.
অনুচ্ছেদঃ কারো বলা, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গিত হোক ।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১১
হাদিস নং ৮১১
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ: مَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُفَدِّي رَجُلًا بَعْدَ سَعْدٍ، سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «ارْمِ، فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي»
বর্ণনাকারী আলী (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে সাদ (রাঃ) ছাড়া আর কারো জন্য ‘ফিদা’ (উৎসর্গ) শব্দ ব্যবহার করতে দেখিনি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ তীর নিক্ষেপ করো, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গিত হোন। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১২
হাদিস নং ৮১২
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ: خَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمَسْجِدِ وَأَبُو مُوسَى يَقْرَأُ، فَقَالَ: «مَنْ هَذَا؟» فَقُلْتُ: أَنَا بُرَيْدَةُ جُعِلْتُ فِدَاكَ، قَالَ: «قَدْ أُعْطِيَ هَذَا مِزْمَارًا مِنْ مَزَامِيرِ آلِ دَاوُدَ»
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদা (রাঃ)
নবী (সাঃ) মসজিদের দিকে গেলেন। তখন আবু মূসা (রাঃ) কুরআন মাজীদ পড়ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ এ কে? আমি বললাম, আমি বুরায়আবু দাউদ, আমি আপনার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করলাম। তিনি বলেনঃ একে দাউদ (আঃ)-এর পরিবারের সুরসমূহের একটি সুর দান করা হয়েছে। (মুসলিম)
৩৫১.
অনুচ্ছেদঃ কারো অমুসলিমদের শিশু সন্তানকে “হে বৎস” বলে সম্বোধন করা।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১৩
হাদিস নং ৮১৩
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ قَالَ: حَدَّثَنَا مَحْبُوبُ بْنُ مُحْرِزٍ الْكُوفِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا الصَّعْبُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ قَالَ: أَتَيْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَجَعَلَ يَقُولُ: يَا ابْنَ أَخِي، ثُمَّ سَأَلَنِي؟ فَانْتَسَبْتُ لَهُ، فَعَرَفَ أَنَّ أَبِي لَمْ يُدْرِكِ الْإِسْلَامَ، فَجَعَلَ يَقُولُ: يَا بُنَيَّ يَا بُنَيَّ---[قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوف
বর্ণনাকারী সাব ইবনে হাকীম (র)
তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এলে তিনি বলতে লাগলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! অতঃপর তিনি আমার বংশপরিচয় জিজ্ঞেস করলে আমি তাকে আমার বংশপরিচয় দিলাম। তাতে তিনি বুঝতে পারলেন যে, আমার পিতা ইসলামী যুগ পাননি। তিনি আমাকে ‘হে বৎস’ ‘হে বৎস’ বলে সম্বোধন করতে লাগলেন। (মুসান্নাফ ইবনে শায়বাহ, তারীখুল কাবীর)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১৪
হাদিস নং ৮১৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ سَلْمٍ الْعَلَوِيِّ قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسًا يَقُولُ: كُنْتُ خَادِمًا لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَكُنْتُ أَدْخُلُ بِغَيْرِ اسْتِئْذَانٍ، فَجِئْتُ يَوْمًا، فَقَالَ: " كَمَا أَنْتَ يَا بُنَيَّ، فَإِنَّهُ قَدْ حَدَثَ بَعْدَكَ أَمْرٌ: لَا تَدْخُلَنَّ إِلَّا بِإِذْنٍ "
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
আমি নবী (সাঃ)-এর খাদেম ছিলাম। আমি অনুমতি না নিয়েই ঘরে প্রবেশ করতাম। এক দিন আমি এলে তিনি বলেনঃ বৎস! থেমে যাও। তোমার অনুপস্থিতিতে একটি ব্যাপার ঘটেছে। এখন থেকে বিনা অনুমতিতে ঘরে প্রবেশ করো না। (তিরমিযী, তাহাবী)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১৫
হাদিস নং ৮১৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ لَهُ: يَا بُنَيَّ---[قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوف
বর্ণনাকারী আবু সাসাআ (রাঃ)
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) তাকে ‘হে বৎস’ বলে সম্বোধন করেছেন। -(বুখারী, নাসাঈ, ইবনে খুজাইমাহ)
৩৫২.
অনুচ্ছেদঃ কেউ যেন না বলে, আমার আত্মা নাপাক হয়ে গেছে।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১৬
হাদিস নং ৮১৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ: خَبُثَتْ نَفْسِي، وَلَكِنْ لِيَقُلْ: لَقِسَتْ نَفْسِي "
বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)
নবী (সাঃ) বলেনঃ অবশ্যই তোমাদের কেউ যেন না বলে, আমার আত্মা নাপাক হয়ে গেছে। বরং সে বলতে পারে, আমার আত্মা নাফরমানি করেছে। -(বুখারী, মুসলিম)
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১৭
হাদিস নং ৮১৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ قَالَ: حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَة َ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ: خَبُثَتْ نَفْسِي، وَلْيَقُلْ: لَقِسَتْ نَفْسِي " قَالَ مُحَمَّدٌ: أَسْنَدَهُ عَقِيلٌ
বর্ণনাকারী সাহল (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, আমার মন-মানসিকতা কলুষিত হয়ে গেছে। (বলতেই যদি হয় তাহলে) যেন বলে, আমার মন-মানসিকতা খারাপ হয়ে গেছে। (বুখারী, মুসলিম, দারিমী)
৩৫৩.
অনুচ্ছেদঃ আবুল হাকাম উপনাম।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১৮
হাদিস নং ৮১৮
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَعْقُوبَ قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ الْمِقْدَامِ بْنِ شُرَيْحِ بْنِ هَانِئٍ الْحَارِثِيُّ، عَنْ أَبِيهِ الْمِقْدَامِ، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ هَانِئٍ قَالَ: حَدَّثَنِي هَانِئُ بْنُ يَزِيدَ، أَنَّهُ لَمَّا وَفَدَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ قَوْمِهِ، فَسَمِعَهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُمْ يُكَنُّونَهُ بِأَبِي الْحَكَمِ، فَدَعَاهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَكَمُ، وَإِلَيْهِ الْحُكْمُ، فَلِمَ تَكَنَّيْتَ بِأَبِي الْحَكَمِ؟» قَالَ: لَا، وَلَكِنَّ قَوْمِي إِذَا اخْتَلَفُوا فِي شَيْءٍ أَتَوْنِي فَحَكَمْتُ بَيْنَهُمْ، فَرَضِيَ كِلَا الْفَرِيقَيْنِ، قَالَ: «مَا أَحْسَنَ هَذَا» ، ثُمَّ قَالَ: «مَا لَكَ مِنَ الْوَلَدِ؟» قُلْتُ: لِي شُرَيْحٌ، وَعَبْدُ اللَّهِ، وَمُسْلِمٌ، بَنُو هَانِئٍ، قَالَ: «فَمَنْ أَكْبَرُهُمْ؟» قُلْتُ: شُرَيْحٌ، قَالَ: «فَأَنْتَ أَبُو شُرَيْحٍ» ، وَدَعَا لَهُ وَوَلَدِهِوَسَمِعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَوْمًا يُسَمُّونَ رَجُلًا مِنْهُمْ: عَبْدَ الْحَجَرِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا اسْمُكَ؟» قَالَ: عَبْدُ الْحَجَرِ، قَالَ: «لَا، أَنْتَ عَبْدُ اللَّهِ»قَالَ شُرَيْحٌ: وَإِنَّ هَانِئًا لَمَّا حَضَرَ رُجُوعُهُ إِلَى بِلَادِهِ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: أَخْبِرْنِي بِأَيِّ شَيْءٍ يُوجِبُ لِيَ الْجَنَّةَ؟ قَالَ: «عَلَيْكَ بِحُسْنِ الْكَلَامِ، وَبَذْلِ الطَّعَامِ»
বর্ণনাকারী হানী ইবনে ইয়াযীদ (রাঃ)
তিনি তার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের সাথে নবী (সাঃ)-এর নিকট গেলেন। নবী (সাঃ) তাদের কাছে শুনলেন যে, তারা তাকে “আবুল হিকাম” ডাকনাম দিয়েছে। নবী (সাঃ) তাকে ডেকে এনে বলেনঃ আল্লাহই হলেন হিকাম (হুকুমের মালিক) এবং তিনিই কেবল হুকুম দিতে পারেন। অতএব তুমি নিজের জন্য আবুল হিকাম উপনাম রাখলে কী করে? তিনি বলেন, ব্যাপারটি তা নয়, বরং আমার সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন ব্যাপারে মতানৈক্য হলে তারা আমার কাছে আসে এবং আমি তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেই। উভয় পক্ষই আমার মীমাংসা মেনে নেয়। তিনি বলেনঃ তা তো খুবই উত্তম। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার কি কোন সন্তান আছে? আমি বললাম, শুরায়হ, আবদুল্লাহ ও মুসলিম নামে আমার তিন সন্তান আছে। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে বয়জ্যেষ্ঠ কে? আমি বললাম, শুরায়হ। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি আবু শুরায়হ। অতঃপর তিনি তার জন্য এবং তার সন্তানদের জন্য দোয়া করলেন। নবী (সাঃ) শুনতে পেলেন যে, প্রতিনিধি দল তাদের একজনকে “আবদুল হাজার” (পাথরের দাস) নামে ডাকে। নবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, আবদুল হাজার। তিনি বলেনঃ নাসাঈ, তোমার নাম আবদুল্লাহ। শুরায়হ (রাঃ) বলেন, স্বদেশে ফেরার সময় হলে হানী (রাঃ) নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে বলুন, কোন জিনিস আমার জন্য জান্নাত অবধারিত করবে। তিনি বলেনঃ তুমি সর্বদা উত্তম কথা বলবে এবং আহার্য দান করবে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান, হাকিম)
৩৫৪.
অনুচ্ছেদঃ নবী (সাঃ)-এর পছন্দনীয় নাম “হাসান”।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮১৯
হাদিস নং ৮১৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى قَالَ: حَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا حَمْلُ بْنُ بَشِيرِ بْنِ أَبِي حَدْرَدٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عَمِّي، عَنْ أَبِي حَدْرَدٍ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ يَسُوقُ إِبِلَنَا هَذِهِ؟» أَوْ قَالَ: «مَنْ يُبَلِّغُ إِبِلَنَا هَذِهِ؟» قَالَ رَجُلٌ: أَنَا، فَقَالَ: «مَا اسْمُكَ؟» قَالَ: فُلَانٌ، قَالَ: «اجْلِسْ» ، ثُمَّ قَامَ آخَرُ، فَقَالَ: «مَا اسْمُكَ؟» قَالَ: فُلَانٌ، فقَالَ: «اجْلِسْ» ، ثُمَّ قَامَ آخَرُ، فَقَالَ: «مَا اسْمُكَ؟» قَالَ: نَاجِيَةُ، قَالَ: «أَنْتَ لَهَا، فَسُقْهَا»
বর্ণনাকারী আবু হাদরাদ (রাঃ)
নবী (সাঃ) বললেনঃ আমাদের এই উটগুলোকে কে চরাতে নিয়ে যাবে বা (চারণভূমিতে) পৌঁছিয়ে দিবে? এক ব্যক্তি বললো, আমি। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ তোমারনাম কি? সে বললো, অমুক। তিনি বলেনঃ তুমি বসো। অতঃপর আর এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালে তিনি বলেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, অমুক। তিনি বলেনঃ তুমিও বসো। অতঃপর আরেক ব্যক্তি দাঁড়ালে তিনি বলেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, নাজিয়া (মুক্তিপ্রাপ্ত)। তিনি বলেনঃ তুমিই তার যোগ্য। তুমি তা (চরাতে) নিয়ে যাও। (হাকিম)
৩৫৫.
অনুচ্ছেদঃ তাড়াহুড়া করে হাঁটা।
আদাবুল মুফরাদআদাবুল মুফরাদ : ৮২০
হাদিস নং ৮২০
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ قَابُوسَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: أَقْبَلَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُسْرِعًا وَنَحْنُ قُعُودٌ، حَتَّى أَفْزَعَنَا سُرْعَتُهُ إِلَيْنَا، فَلَمَّا انْتَهَى إِلَيْنَا سَلَّمَ، ثُمَّ قَالَ: «قَدْ أَقْبَلْتُ إِلَيْكُمْ مُسْرِعًا، لِأُخْبِرَكُمْ بِلَيْلَةِ الْقَدْرِ، فَنَسِيتُهَا فِيمَا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ، فَالْتَمِسُوهَا فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ» ---[قال الشيخ الألباني] : صحيح لغيره دون سبب الحديث والإسراع
বর্ণনাকারী ইবনে আব্বাস (রাঃ)
নবী (সাঃ) দ্রুত গতিতে এসে উপস্থিত হলেন। আমরা তখন বসা অবস্থায় ছিলাম। আমাদের দিকে তাঁর দ্রুত আসায় আমরা শংকিত হলাম। তিনি আমাদের কাছে পৌঁছে সালাম দিলেন, অতঃপর বলেনঃ আমি তোমাদেরকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে অবহিত করার জন্য তোমাদের দিকে দ্রুতপদে এসেছি, কিন্তু তোমাদের কাছে পৌঁছতে পৌঁছতে তা ভুলে গিয়েছি। অতএব তোমরা তা রমযানের শেষ দশকে খোঁজ করো। (আহমাদ)