২৬/১. অধ্যায়ঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পোশাক
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫০
হাদিস নং ৩৫৫০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي خَمِيصَةٍ لَهَا أَعْلاَمٌ فَقَالَ " شَغَلَنِي أَعْلاَمُ هَذِهِ اذْهَبُوا بِهَا إِلَى أَبِي جَهْمٍ وَائْتُونِي بِأَنْبِجَانِيَّتِهِ " .
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কারুকার্য খচিত একটি পশমী চাদর পরিহিত অবস্থায় সলাত আদায় করলেন, অতঃপর বললেনঃ এই চাদরের কারুকার্য আমাকে অমনোযোগী করেছে। এটা আবূ জাহমের নিকট নিয়ে যাও এবং আমার জন্য তার কারুকার্যবিহীন (আম্বেজানী) চাদর নিয়ে এসো। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫১
হাদিস নং ৩৫৫১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ فَأَخْرَجَتْ لِي إِزَارًا غَلِيظًا مِنَ الَّتِي تُصْنَعُ بِالْيَمَنِ وَكِسَاءً مِنْ هَذِهِ الأَكْسِيَةِ الَّتِي تُدْعَى الْمُلَبَّدَةَ وَأَقْسَمَتْ لِي لَقُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِيهِمَا .
বর্ণনাকারী আবূ বুরদাহ
আমি আয়িশাহ (রাঃ) এর নিকট প্রবেশ করলে তিনি আমার সামনে ইয়ামানের তৈরী মোটা কাপড়ের একট লুঙ্গি এবং একটি কম্বল (বা চাদর) বের করলেন এবং শপথ করে আমাকে বললেন, কাপড় দু’টি পরিহিত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল করেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫২
হাদিস নং ৩৫৫২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ ثَابِتٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ صَلَّى فِي شَمْلَةٍ قَدْ عَقَدَ عَلَيْهَا .
বর্ণনাকারী উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি চাদর পরিহিত অবস্থায় সলাত আদায় করেন, যা তিনি পিঠ দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন। [২৮৮৪]তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দুর্বল।
[২৮৮৪] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫৩
হাদিস নং ৩৫৫৩
حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَعَلَيْهِ رِدَاءٌ نَجْرَانِيٌّ غَلِيظُ الْحَاشِيَةِ .
বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ),
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তাঁর পরনে ছিল মোটা পাড়যুক্ত একটি নাজরানী চাদর। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫৪
হাদিস নং ৩৫৫৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَسْوَدِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَسُبُّ أَحَدًا وَلاَ يُطْوَى لَهُ ثَوْبٌ .
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ),
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে কাউকে গালি দিতে শুনিনি এবং কাউকে তাঁর কাপড় ভাঁজ করে দিতেও দেখিনি। [২৮৮৬]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
২৮৮৬. হাদীসটি ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫৫
হাদিস নং ৩৫৫৫
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ امْرَأَةً، جَاءَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِبُرْدَةٍ - قَالَ وَمَا الْبُرْدَةُ قَالَ الشَّمْلَةُ - قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي نَسَجْتُ هَذِهِ بِيَدِي لأَكْسُوَكَهَا . فَأَخَذَهَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مُحْتَاجًا إِلَيْهَا فَخَرَجَ عَلَيْنَا فِيهَا وَإِنَّهَا لإِزَارُهُ فَجَاءَ فُلاَنُ بْنُ فُلاَنٍ - رَجُلٌ سَمَّاهُ يَوْمَئِذٍ - فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا أَحْسَنَ هَذِهِ الْبُرْدَةَ اكْسُنِيهَا . قَالَ " نَعَمْ " . فَلَمَّا دَخَلَ طَوَاهَا وَأَرْسَلَ بِهَا إِلَيْهِ فَقَالَ لَهُ الْقَوْمُ وَاللَّهِ مَا أَحْسَنْتَ كُسِيَهَا النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مُحْتَاجًا إِلَيْهَا ثُمَّ سَأَلْتَهُ إِيَّاهَا وَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّهُ لاَ يَرُدُّ سَائِلاً . فَقَالَ إِنِّي وَاللَّهِ مَا سَأَلْتُهُ إِيَّاهَا لأَلْبَسَهَا وَلَكِنْ سَأَلْتُهُ إِيَّاهَا لِتَكُونَ كَفَنِي . فَقَالَ سَهْلٌ فَكَانَتْ كَفَنَهُ يَوْمَ مَاتَ .
বর্ণনাকারী সাহল বিন সা’দ আস-সাইদী (রাঃ),
এক মহিলা একখানা চাদরসহ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনার জন্য আমি নিজ হাতে এটা বুনেছি। চাদরের প্রয়োজন অনুভব করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা গ্রহণ করলেন, অতঃপর তা লুঙ্গীর মতো করে পরিধান করে আমাদের নিকট আসলেন। তখন অমুকের পুত্র অমুক এসে বললো, হে রাসূল! চাদরটা কী চমৎকার। এটা আমাকে পরতে দিন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আচ্ছা। তিনি বাড়িতে গিয়ে চাদরটা ভাঁজ করে তার নিকট পাঠিয়ে দিলেন। লোকজন তাকে বললো, আল্লাহর শপথ! কাজটা তুমি ভালো করোনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রয়োজন অনুভব করেই তা পরেছিলেন। আর তুমি তাঁর নিকট তা চেয়ে নিলে! অথচ তুমি জানো যে তিনি কোন প্রার্থীকেই বিমুখ করেন না। সে বললো, আল্লাহর শপথ! আমি এটা পরার জন্য তাঁর কাছ থেকে চেয়ে নেইনি, বরং আমার কাফন বানানোর জন্য চেয়ে নিয়েছি। সাহল (রাঃ) বলেন, লোকটা যেদিন মারা গেল সেদিন সেটিই তার কাফন হলো।তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫৬
হাদিস নং ৩৫৫৬
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ دِينَارٍ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ نُوحِ بْنِ ذَكْوَانَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لَبِسَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ الصُّوفَ وَاحْتَذَى الْمَخْصُوفَ وَلَبِسَ ثَوْبًا خَشِنًا خَشِنًا .
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পশমী কাপড় পরেছেন, ছেঁড়া জুতা পরেছেন এবং মোটা কাপড়ও পরেছেন। [২৮৮৮]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
২৮৮৮. হাদীসটি ইমাম ইবনে মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন ।
২৬/২. অধ্যায়ঃ
কোন বেক্তি নতুন কাপড় পরিধানের সময় যে দুয়া পড়বে।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫৭
হাদিস নং ৩৫৫৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَصْبَغُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ لَبِسَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ ثَوْبًا جَدِيدًا فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي ثُمَّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " مَنْ لَبِسَ ثَوْبًا جَدِيدًا فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي . ثُمَّ عَمَدَ إِلَى الثَّوْبِ الَّذِي أَخْلَقَ أَوْ أَلْقَى فَتَصَدَّقَ بِهِ كَانَ فِي كَنَفِ اللَّهِ وَفِي حِفْظِ اللَّهِ وَفِي سِتْرِ اللَّهِ حَيًّا وَمَيِّتًا " . قَالَهَا ثَلاَثًا .
বর্ণনাকারী আবূ উমামাহ (রাঃ) বলেন,
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) নতুন কাপড় পরে বলেন, “আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী কাসানী মা উওয়ারী বিহি আওরাতী ওয়াতাজাম্মালু বিহি ফী হায়াতী” (সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাকে এমন বস্ত্র পরিধান করিয়েছেন যা দিয়ে আমি আমার লজ্জাস্থান ঢাকতে পারি এবং আমার জীবনযাত্রাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে পারি)। অতঃপর তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি নতুন কাপড় পরিধানকালে এ দু’আ পড়বে, “আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী কাসানী উওয়ারী বিহি আওরাতী ওয়াতাজাম্মালু বিহি ফী হায়াতী”, অতঃপর পুরাতন কাপড়খানাও রেখে দেয়ার ইচ্ছা করে তা দান করে দেয় , তবে সে জীবনে ও মরণে আল্লাহর আশ্রয়ে ও আল্লাহর হিফাযাতে থাকবে। কথাটি তিনি তিনবার বলেন। [২৮৮৯]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
২৮৮৯. তিরমিযী ৩৫৬০ । মিশকাত ৪৩৭৪, আত তা’লীকুর রাগীব ৩/১০০, দঈফাহ ৪৬৪৯, দঈফ আল-জামি’ ৫৮২৭ ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫৮
হাদিস নং ৩৫৫৮
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ رَأَى عَلَى عُمَرَ قَمِيصًا أَبْيَضَ فَقَالَ " ثَوْبُكَ هَذَا غَسِيلٌ أَمْ جَدِيدٌ " . قَالَ لاَ بَلْ غَسِيلٌ . قَالَ " الْبَسْ جَدِيدًا وَعِشْ حَمِيدًا وَمُتْ شَهِيدًا " .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ),
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমার (রাঃ)-র পরনে একটি সাদা জামা দেখতে পেয়ে বলেনঃ তোমার এ কাপড় ধোয়া না নতুন? তিনি বলেন, না, বরং ধৌত করা। তিনি বলেনঃ নতুন কাপড় পরিধান করো, উত্তম জীবনযাপন করো এবং শহীদি মৃত্যু বরণ করো। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৩. অধ্যায়ঃ
যেসব পোশাক পরিধান করতে নিষেধ করা হয়েছে
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৫৯
হাদিস নং ৩৫৫৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَهَى عَنْ لِبْسَتَيْنِ فَأَمَّا اللِّبْسَتَانِ فَاشْتِمَالُ الصَّمَّاءِ وَالاِحْتِبَاءُ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ لَيْسَ عَلَى فَرْجِهِ مِنْهُ شَىْءٌ .
বর্ণনাকারী আবু সাঈদ আল-খুদরী
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাপড় পরিধানের দু’টি পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেন। অতএব সে দু’টি পদ্ধতি হলোঃ (১) এক কাঁধ খোলা রেখে একই চাদর গোটা শরীরে জড়িয়ে নেয়া এবং (২) একই কাপড়ে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে নিতম্ব মাটিতে ঠেকিয়ে দু’হাঁটু উঁচু করে বসা এবং লজ্জাস্থানে এর কোন অংশ না থাকা। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬০
হাদিস নং ৩৫৬০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَأَبُو أُسَامَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، . أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَهَى عَنْ لِبْسَتَيْنِ عَنِ اشْتِمَالِ الصَّمَّاءِ وَعَنِ الاِحْتِبَاءِ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ يُفْضِي بِفَرْجِهِ إِلَى السَّمَاءِ .
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাপড় পরিধানের দু’টি পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেনঃ (১) এক কাঁধ খোলা রেখে একই চাদর সমস্ত শরীরে জড়িয়ে নেয়া এবং (২) একই কাপড়ে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে নিতম্ব মাটিতে ঠেকিয়ে দু’ হাঁটু উঁচু করে বসা এবং লজ্জাস্থানে এর কোন অংশ না থাকা। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬১
হাদিস নং ৩৫৬১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَأَبُو أُسَامَةَ عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ لِبْسَتَيْنِ اشْتِمَالِ الصَّمَّاءِ وَالاِحْتِبَاءِ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ وَأَنْتَ مُفْضٍ فَرْجَكَ إِلَى السَّمَاءِ .
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাপড় পরিধানের দু’টি পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেনঃ (১) এক কাঁধ খোলা রেখে একই চাদর গোটা শরীরে জড়িয়ে নেয়া এবং। (২) একই কাপড়ে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে তোমার নিতম্ব মাটিতে ঠেকিয়ে দু’হাঁটু উঁচু করে বসা এবং লজ্জাস্থানে এর কোন অংশ না থাকা। তাহকিক আলবানীঃ সহীহ
২৬/৪. অধ্যায়ঃ
পশমী পোশাক পরিধান
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬২
হাদিস নং ৩৫৬২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ لِي يَا بُنَىَّ لَوْ شَهِدْتَنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذَا أَصَابَتْنَا السَّمَاءُ لَحَسِبْتَ أَنَّ رِيحَنَا رِيحُ الضَّأْنِ .
বর্ণনাকারী (আবু বুরদাহ)
আমার পিতা আমাকে বললেন, হে বৎস! বৃষ্টির সময় তুমি যদি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আমাদের দেখতে তবে অবশ্যই তুমি আমাদের শরীরের গন্ধকে মেষের গন্ধ বলে অনুভব করতে। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬৩
হাদিস নং ৩৫৬৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ كَرَامَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا الأَحْوَصُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ذَاتَ يَوْمٍ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ رُومِيَّةٌ مِنْ صُوفٍ ضَيِّقَةُ الْكُمَّيْنِ فَصَلَّى بِنَا فِيهَا لَيْسَ عَلَيْهِ شَىْءٌ غَيْرُهَا .
বর্ণনাকারী উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ),
একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংকীর্ণ হাতাবিশিষ্ট একটি রুমীয় পশমী জুব্বা পরিহিত অবস্থায় আমাদের নিকট বের হয়ে এলেন। তিনি সেটি পরিহিত অবস্থায় আমাদের সাথে সলাত আদায় করলেন। এটি ছাড়া তার শরীরে উপরাংশে আর কিছু ছিলো না। [২৮৯৫]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
২৮৯৫. হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬৪
হাদিস নং ৩৫৬৪
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ الدِّمَشْقِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ الأَزْهَرِ، قَالاَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ السِّمْطِ، حَدَّثَنِي الْوَضِينُ بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ مَحْفُوظِ بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ تَوَضَّأَ فَقَلَبَ جُبَّةَ صُوفٍ كَانَتْ عَلَيْهِ فَمَسَحَ بِهَا وَجْهَهُ .
বর্ণনাকারী সালমান ফারিসী (রাঃ),
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উযু করার পর তাঁর পশমী জুব্বা উল্টিয়ে তা দিয়ে তাঁর মুখমণ্ডল মুছলেন। [২৮৯৬]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল
২৮৯৬. হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬৫
হাদিস নং ৩৫৬৫
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ الْفَضْلِ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَسِمُ غَنَمًا فِي آذَانِهَا وَرَأَيْتُهُ مُتَّزِرًا بِكِسَاءٍ .
বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ)
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মেষ পালের কানে দাগ দিতে দেখেছি এবং তাঁকে একটি চাদর পরিহিত অবস্থায় দেখেছি। [২৮৯৭]তাহকীক আলবানীঃ হাদীসটি সহীহ কিন্তু সানাদটি দুর্বল
[২৮৯৭] সহিহুল বুখারী ৫৫৪২, মুসলিম ২১১৯, আবূ দাঊদ ২৫৬৩, আহমাদ ১২৩৩৯, ১৩২৫১, ১৩৩১২ । উক্ত হাদীসের রাবী সুওয়ায়দ বিন সাঈদ সম্পর্কে আবুল হাসান বিন সুফইয়ান আল-কূফী বলেন, তিনি দুর্বল। আবুল কাসিম আল-বাগাবী বলেন, তিনি হুফফাযদের একজন। আবূ হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদি তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক তাদলীস করেন। আহমাদ বিন শুআয়ব আন নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবি নং ২৬৪৩, ১২/২৪৭ নং পৃষ্ঠা)
২৬/৫. অধ্যায়ঃ
সাদা পোশাক পরিধান
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬৬
হাদিস নং ৩৫৬৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ الْمَكِّيُّ، عَنِ ابْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خَيْرُ ثِيَابِكُمُ الْبَيَاضُ فَالْبَسُوهَا وَكَفِّنُوا فِيهَا مَوْتَاكُمْ " .
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস(রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের পোশাকের মধ্যে উত্তম পোশাক হল সাদা পোশাক। অতএব তোমরা সাদা রংয়ের পোশাক পরো এবং তা দিয়ে মৃতদের কাফন দাও। (বুখারী, মুসলিম, দাঊদ ও তিরমিজি) তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬৭
হাদিস নং ৩৫৬৭
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ أَبِي شَبِيبٍ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الْبَسُوا ثِيَابَ الْبَيَاضِ فَإِنَّهَا أَطْهَرُ وَأَطْيَبُ " .
বর্ণনাকারী সামুরাহ বিন জুনদুব (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "তোমরা সাদা রংয়ের পোষাক পরিধান করো। কেননা তা অধিক পবিত্র ও উত্তম।” তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬৮
হাদিস নং ৩৫৬৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانَ الأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ أَبِي رَوَّادٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ سَالِمٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ عُبَيْدٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنَّ أَحْسَنَ مَا زُرْتُمُ اللَّهَ بِهِ فِي قُبُورِكُمْ وَمَسَاجِدِكُمُ الْبَيَاضُ " .
বর্ণনাকারী আবূ দারদা' (রাঃ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কবরসমূহে ও মসজিদসমূহে আল্লাহ তা'আলার সাথে সাদা পোষাকে সাক্ষাত করাই তোমাদের জন্যে উত্তম। [২৯০০] তাহক্বীক আলবানীঃ বানোয়াট।
[২৯০০] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।আত-তা'লীকুর রাগীব ৩/৫৭, মিশকাত ৪৩৮২। উক্ত হাদীসের রাবী ১. আব্দুল মাজীদ বিন আবূ রাওওয়াদ সম্পর্কে আবুল কাসিম বিন বিশকাওয়াল বলেন, মক্কায় তাকে দুর্বলতায় স্পর্শ করেছিলো।আবূ হাতিম আর রাযী বলেন, তার থেকে হাদীস গ্রহণ করা যায় তবে তিনি নির্ভরযোগ্য নন।আবূ হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি প্রত্যাখানযোগ্য।ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদীস বর্ণনায় ভুল করেন।(তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৫১০, ১৮/২৭১ নং পৃষ্ঠা)২.মারওয়ান বিন সালিম সম্পর্কে আবূ আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তার হাদীস নির্ভরযোগ্য নয়।আবূ বাকর আল-বাযযার বলেন, তিনি যাচাই-বাছাই ছাড়া হাদীস গ্রহণ করেন ও তা বর্ণনা করেন।আবূ বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি হাদীস বর্ণনায় দুর্বল।আবূ আরুবাহ আর-হাররানী বলেন, তিনি জাল (বানোয়াট) হাদীস বর্ণনা করতেন।(তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৮৭৩, ২৭/৩৮২ নং পৃষ্ঠা)
২৬/৬.অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি অহংকারবশে পরিধেয় বস্তু (পায়ের গোছার নীচে) ঝুলিয়ে দেয়।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৬৯
হাদিস নং ৩৫৬৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، ح وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، جَمِيعًا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِنَّ الَّذِي يَجُرُّ ثَوْبَهُ مِنَ الْخُيَلاَءِ لاَ يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
বর্ণনাকারী ইবনু 'উমার (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি অহংকারবশে নিজের পরিধেয় বস্ত্র গোছার নীচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরিধান করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭০
হাদিস নং ৩৫৭০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ مِنَ الْخُيَلاَءِ لَمْ يَنْظُرِ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
বর্ণনাকারী আবূ সাঈদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অহংকারে মত্ত হয়ে তার পরিধেয় বস্ত্র গোছার নীচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। রাবী আমাশ (রাঃ) বলেন, আমি ‘বালাত’ নামক স্থানে বিন উমার (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাত করে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ সাঈদ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি তার নিকট পেশ করলাম। তিনি তার দু'কানের দিকে ইশারা করে বলেন, আমার এ দু'কান তা শুনেছে এবং আমার অন্তর তা আত্মস্থ করেছে। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭১
হাদিস নং ৩৫৭১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ مَرَّ بِأَبِي هُرَيْرَةَ فَتًى مِنْ قُرَيْشٍ يَجُرُّ سَبَلَهُ فَقَالَ يَا ابْنَ أَخِي إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ مِنَ الْخُيَلاَءِ لَمْ يَنْظُرِ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
বর্ণনাকারী আবূ সালামাহ
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)-এর পাশ দিয়ে এক কুরাইশ যুবক তার পরিধেয় বস্ত্র পায়ের গোছার নীচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে যাচ্ছিল। তিনি বললেন, হে ভাতিজা! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি অহংকারবশে তার পরিধেয় বস্ত্র গোছার নীচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। [২৯০৩]তাহক্বীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
[২৯০৩] সহীহুল বুখারী ৫৭৮৮, মুসলিম ২০৮৭, আহমাদ ৮৭৭৮, ৮৯১০,৯০৫০, ৯২৭০, ৯৫৪৫, ২৭২৫৩, ৯৮৯১। মুওয়াত্তা' মালিক ১৬৯৭।আত তা'লীকুর রাগীব ৩/৯৮।
২৬/৭. অধ্যায়ঃ
পরিধেয় বস্ত্রের সর্বনিম্ন সীমা।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭২
হাদিস নং ৩৫৭২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ نُذَيْرٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِأَسْفَلِ عَضَلَةِ سَاقِي أَوْ سَاقِهِ فَقَالَ " هَذَا مَوْضِعُ الإِزَارِ فَإِنْ أَبَيْتَ . فَأَسْفَلَ فَإِنْ أَبَيْتَ فَأَسْفَلَ فَإِنْ أَبَيْتَ فَلاَ حَقَّ لِلإِزَارِ فِي الْكَعْبَيْنِ " .
বর্ণনাকারী হুযায়ফাহ (রাঃ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার (অপর বর্ণনায় তাঁর নিজের) জঙ্ঘার পশ্চাদভাগ ধরে বললেনঃ এই হলো লুঙ্গির (সর্বনিম্ন) স্থান। তুমি যদি তা মানতে না চাও তবে আরো নীচে, যদি তাও মানতে না চাও আরো নীচে (নামাতে পারো)। যদি তুমি তাও মানতে না চাও তবে পায়ের গোছার নীচে যাওয়ার অধিকার লুঙ্গির নাই।উক্ত হাদীসের রাবী আতিয়্যাহ সম্পর্কে আবূ বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল, তার হাদীস দলিলযোগ্য নয়। আবূ হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি দুর্বল। আবূ যুরআহ আর রাযী বলেন, তিনি যাচাই বাছাই ছাড়া হাদীস গ্রহণ করেন ও তা বর্ণনা করেন। আহমাদ বিন হাম্বাল বলেন, তিনি হাদীস বর্ণনায় দুর্বল। আহমাদ শুয়ায়ব আন নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদীস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইমাম যাহাবী ও ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৯৫৬, ২০/১৪৫ নং পৃষ্ঠা)[উপরোক্ত হাদীসের মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলো]:২/৩৫৭২(১). হুযায়ফাহ (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরুপ বর্ণিত আছে।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭৩
হাদিস নং ৩৫৭৩
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قُلْتُ لأَبِي سَعِيدٍ هَلْ سَمِعْتَ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ شَيْئًا فِي الإِزَارِ قَالَ نَعَمْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " إِزْرَةُ الْمُؤْمِنِ إِلَى أَنْصَافِ سَاقَيْهِ لاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْكَعْبَيْنِ وَمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ فِي النَّارِ " . يَقُولُ ثَلاَثًا " لاَ يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ بَطَرًا " .
বর্ণনাকারী আব্দুর রহমান
আমি আবূ সাঈদ (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট লুঙ্গি সম্পর্কে কিছু শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ মু'মিন ব্যক্তির লুঙ্গি তার দু' জঙ্ঘার মধ্যাংশ পর্যন্ত (প্রলম্বিত হতে পারে), তবে জঙ্ঘা থেকে গোছা পর্যন্ত (প্রলম্বিত হওয়ায়) কোন দোষ নেই। কিন্তু গোছার নিম্নাংশে পৌঁছুলে তা জাহান্নামে যাবে। এ কথা তিনি তিনবার বলেছেন। যে ব্যক্তি অহংকারবশে তার লুঙ্গি (গোছার নীচে) ঝুলিয়ে পরে আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭৪
হাদিস নং ৩৫৭৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ قَبِيصَةَ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يَا سُفْيَانَ بْنَ سَهْلٍ لاَ تُسْبِلْ فَإِنَّ اللَّهَ لاَ يُحِبُّ الْمُسْبِلِينَ " .
বর্ণনাকারী মুগীরাহ বিন শু'বাহ (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে সুফিয়ান বিন সাহল! পরিধেয় বস্ত্র (গোছার নীচে) ঝুলিয়ে পরো না। কারণ আল্লাহ তা'আলা এভাবে পরিধেয় বস্ত্র ঝুলিয়ে পরিধানকারীদের পছন্দ করেন না। [২৯০৬] তাহক্বীক আলবানীঃ হাসান।
[২৯০৬] আহমাদ ১৭৬৮৫, ১৭৭২১, ১৭৭৫০।আত তা'লীকুর রাগীব ৩/৯৮, সহীহাহ ৪৮২৩।
২৬/৮. অধ্যায়ঃ
জামা পরিধান
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭৫
হাদিস নং ৩৫৭৫
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو تُمَيْلَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ لَمْ يَكُنْ ثَوْبٌ أَحَبَّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مِنَ الْقَمِيصِ .
বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জামার চেয়ে অধিক প্রিয় কোন পোষাক ছিলো না। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ
২৬/৯. অধ্যায়ঃ
জামা কতখানি লম্বা হবে?
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭৬
হাদিস নং ৩৫৭৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنِ ابْنِ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " الإِسْبَالُ فِي الإِزَارِ وَالْقَمِيصِ وَالْعِمَامَةِ مَنْ جَرَّ شَيْئًا خُيَلاَءَ لَمْ يَنْظُرِ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " . قَالَ أَبُو بَكْرٍ مَا أَغْرَبَهُ .
বর্ণনাকারী 'আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ)
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ " 'ইসবা' (পায়ের গোছার নীচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরিধান) লুঙ্গি, জামা ও পাগড়ীর বেলায়ই হয়ে থাকে। যে ব্যক্তি অহংকারবশে কোন কিছু (পায়ের গোছার নীচে) ঝুলিয়ে পরে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে ফিরে তাকাবেন না। রাবী আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, হাদীসটি সানাদের দিক দিয়ে কিছুটা অপ্রসিদ্ধ। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/১০.অধ্যায়ঃ
জামার হাতার দৈর্ঘ্য
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭৭
হাদিস নং ৩৫৭৭
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ الأَوْدِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ، قَالَ حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَلْبَسُ قَمِيصًا قَصِيرَ الْيَدَيْنِ وَالطُّولِ .
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দৈর্ঘ্য-প্রস্থে ক্ষুদ্র হাতা-বিশিষ্ট জামা পরিধান করতেন। [২৯০৯] তাহক্বীক আলবানীঃ দুর্বল।
[২৯০৯] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।দঈফাহ ২৪৫৮।
২৬/১১. অধ্যায়ঃ
জামার বোতাম খোলা রাখা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭৮
হাদিস নং ৩৫৭৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ دُكَيْنٍ، عَنْ زُهَيْرٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُشَيْرٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ قُرَّةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَبَايَعْتُهُ وَإِنَّ زِرَّ قَمِيصِهِ لَمُطْلَقٌ . قَالَ عُرْوَةُ فَمَا رَأَيْتُ مُعَاوِيَةَ وَلاَ ابْنَهُ فِي شِتَاءٍ وَلاَ صَيْفٍ إِلاَّ مُطْلَقَةً أَزْرَارُهُمَا .
বর্ণনাকারী কুররাহ বিন ইয়াস (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁর হাতে বাইআত হলাম। তাঁর জামার বোতামগুলো খোলা ছিল। রাবী উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, তাই আমি শীতকালে বা গ্রীষ্মকালে মুআবিয়া ও তার ছেলের জামার বোতাম খোলা রাখতে দেখেছি। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/১২. অধ্যায়ঃ
পায়জামা পরিধান
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৭৯
হাদিস নং ৩৫৭৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ أَتَانَا النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَسَاوَمَنَا سَرَاوِيلَ .
বর্ণনাকারী সুওয়ায়দ বিন কায়স (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের এখানে এসে দরদাম করে পায়জামা খরিদ করলেন। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ
২৬/১৩. অধ্যায়ঃ
স্ত্রীলোকের পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল কতখানি (দীর্ঘ হবে)?
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮০
হাদিস নং ৩৫৮০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَمْ تَجُرُّ الْمَرْأَةُ مِنْ ذَيْلِهَا قَالَ " شِبْرًا " . قُلْتُ إِذًا يَنْكَشِفَ عَنْهَا . قَالَ ذِرَاعٌ لاَ تَزِيدُ عَلَيْهِ " .
বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন নারী তার পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল কতখানি (নীচে) ঝুলিয়ে পরতে পারে? তিনি বলেন, (গোড়ালী থেকে) এক বিঘত পরিমাণ (উপরে রাখবে)। আমি বললাম, এতে তো তার পা উদাম হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, তাহলে সে এক হাত পরিমাণ নীচে ঝুলিয়ে রাখবে, তার বেশী নয়। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮১
হাদিস নং ৩৫৮১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ زَيْدٍ الْعَمِّيِّ، عَنْ أَبِي الصِّدِّيقِ النَّاجِيِّ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ أَزْوَاجَ النَّبِيِّ، ـ صلى الله عليه وسلم ـ رُخِّصَ لَهُنَّ فِي الذَّيْلِ ذِرَاعًا فَكُنَّ يَأْتِيَنَّا فَنَذْرَعُ لَهُنَّ بِالْقَصَبِ ذِرَاعًا .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ)
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণকে এক হাত পরিমাণ আঁচল লম্বা করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। নারীরা আমাদের নিকট এলে আমরা তাদেরকে কাঠি দ্বারা এক হাত পরিমাণ মেপে দেখিয়ে দিতাম। [২৯১৩] তাহক্বীক আলবানীঃ القصب শব্দ ব্যতীত সহীহ।
[২৯১৩] তিরমিযী ১৭৩১, নাসায়ী ৫৩৩৬, আবূ দাউদ ৪১১৯। উক্ত হাদীসের রাবী যায়দ আল-আম্মী সম্পর্কে আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযী তার মাওদুআত গ্রন্হে তাকে উল্লেখ করেছেন।আবূ হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদীস গ্রহণ করা যায় তবে তা দলীলযোগ্য হবে না, তিনি হাদীস বর্ণনায় দুর্বল।আবূ নুআয়ম আল-আসবাহানী বলেন, তার মাঝে দুর্বলতা রয়েছে।আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি দুর্বল।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮২
হাদিস নং ৩৫৮২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَزِّمِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، . أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لِفَاطِمَةَ أَوْ لأُمِّ سَلَمَةَ " ذَيْلُكِ ذِرَاعٌ " .
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাতিমাহ (রাঃ) অথবা উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে বলেনঃ তোমার পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল এক হাত পরিমাণ লম্বা হতে পারে। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৩
হাদিস নং ৩৫৮৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا حَبِيبٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ أَبِي الْمُهَزِّمِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ فِي ذُيُولِ النِّسَاءِ " شِبْرًا " . فَقَالَتْ عَائِشَةُ إِذًا تَخْرُجَ سُوقُهُنَّ . قَالَ " فَذِرَاعٌ " .
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নারীদের পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল সম্পর্কে বলেনঃ তা এক বিঘত পরিমাণ (গোড়ালীর উপরে থাকবে)। আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, তাহলে তো তাদের পায়ের জঙ্ঘা অনাবৃত হয়ে যাবে। তিনি বলেনঃ তবে এক হাত পরিমাণ (নীচের দিকে) লম্বা হবে। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/১৪. অধ্যায়ঃ
কালো পাগড়ি
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৪
হাদিস নং ৩৫৮৪
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مُسَاوِرٍ الْوَرَّاقِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَخْطُبُ عَلَى الْمِنْبَرِ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ .
বর্ণনাকারী আমর বিন হুরায়স (রাঃ),
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মিম্বারের উপর খুতবা দিতে দেখেছি। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৫
হাদিস নং ৩৫৮৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ .
বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় (মক্কায়) প্রবেশ করেন। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৬
হাদিস নং ৩৫৮৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، أَنْبَأَنَا مُوسَى بْنُ عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ دَخَلَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় (মক্কায়) প্রবেশ করেন। তাহক্বীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/১৫. অধ্যায়ঃ
দু কাঁধের মাঝ বরাবর পাগড়ির প্রান্তভাগ ঝুলানো
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৭
হাদিস নং ৩৫৮৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ مُسَاوِرٍ، حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ قَدْ أَرْخَى طَرَفَيْهَا بَيْنَ كَتِفَيْهِ .
বর্ণনাকারী আমর বিন হুরায়স (রাঃ),
আমি যেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর মাথার কালো পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় দেখতে পাচ্ছি। তিনি তাঁর পাগড়ির দু’প্রান্ত তাঁর দু’কাঁধের মাঝ বরাবর ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/১৬. অধ্যায়ঃ
রেশমী বস্ত্র পরিধান নিষিদ্ধ
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৮
হাদিস নং ৩৫৮৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ لَبِسَ الْحَرِيرَ فِي الدُّنْيَا لَمْ يَلْبَسْهُ فِي الآخِرَةِ " .
বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী বস্ত্র পরিধান করলো, আখেরাতে সে তা পরিধান করতে পারবেনা। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৯
হাদিস নং ৩৫৮৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الدِّيبَاجِ وَالْحَرِيرِ وَالإِسْتَبْرَقِ .
বর্ণনাকারী বারা’ বিন আ’যিব (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীবাজ, হারীর ও ইসতাবরাক নিষিদ্ধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯০
হাদিস নং ৩৫৯০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ لُبْسِ الْحَرِيرِ وَالذَّهَبِ وَقَالَ " هُوَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَنَا فِي الآخِرَةِ " .
বর্ণনাকারী হুযায়ফা (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশমী বস্ত্র ও সোনার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন এবং বলেছেনঃ এটা দুনিয়াতে তাদের (কাফেরদের) জন্য এবং আখেরাতে আমাদের জন্য। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯১
হাদিস নং ৩৫৯১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَأَى حُلَّةً سِيَرَاءَ مِنْ حَرِيرٍ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوِ ابْتَعْتَ هَذِهِ الْحُلَّةَ لِلْوَفْدِ وَلِيَوْمِ الْجُمُعَةِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنَّمَا يَلْبَسُ هَذَا مَنْ لاَ خَلاَقَ لَهُ فِي الآخِرَةِ " .
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ)
তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) লাল বর্ণের একটি হুল্লা (রেশম মিশ্রিত চাদর) দেখে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! প্রতিনিধি দলকে সাক্ষাত দানকালে এবং জুমুআর দিন ব্যবহারের জন্য যদি আপনি এটা কিনতেন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটা এমন লোকে পরতে পারে, আখেরাতে যার কোন অংশ নেই। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/১৭. অধ্যায়ঃ
যাকে রেশমী বস্ত্র পরিধানের অনুমতি দেয়া হয়েছে
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯২
হাদিস নং ৩৫৯২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، . أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، نَبَّأَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ رَخَّصَ لِلزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ وَلِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ فِي قَمِيصَيْنِ مِنْ حَرِيرٍ مِنْ وَجَعٍ كَانَ بِهِمَا حِكَّةٍ .
বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবায়র ইবনুল আওওয়াম ও আবদুর রহমান বিন আওফ (রাঃ) কে তাদের চর্মরোগের কারণে রেশমী জামা পরার অনুমতি দেন।তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/১৮. অধ্যায়ঃ
কাপড়ে চিহ্ন লাগানোর অনুমতি
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৩
হাদিস নং ৩৫৯৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَنْهَى عَنِ الْحَرِيرِ، وَالدِّيبَاجِ، إِلاَّ مَا كَانَ هَكَذَا ثُمَّ أَشَارَ بِإِصْبَعِهِ ثُمَّ الثَّانِيَةِ ثُمَّ الثَّالِثَةِ ثُمَّ الرَّابِعَةِ فَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَنْهَانَا عَنْهُ .
বর্ণনাকারী উমার (রাঃ),
তিনি হীরার ও দীবাজ এতটুকু পরিমাণের অধিক ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। অতঃপর তিনি তাঁর হাতের প্রথম আংগুল, এরপর দ্বিতীয়টি, এরপর তৃতীয়টি এবং এরপর চতূর্থটি দিয়ে ইশারা করলেন। তিনি আরও বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে রেশমী বস্ত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৪
হাদিস নং ৩৫৯৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مُغِيرَةَ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي عُمَرَ، مَوْلَى أَسْمَاءَ قَالَ رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ اشْتَرَى عِمَامَةً لَهَا عَلَمٌ فَدَعَا بِالْجَلَمَيْنِ فَقَصَّهُ فَدَخَلْتُ عَلَى أَسْمَاءَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهَا فَقَالَتْ بُؤْسًا لِعَبْدِ اللَّهِ يَا جَارِيَةُ هَاتِي جُبَّةَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . فَجَاءَتْ بِجُبَّةٍ مَكْفُوفَةِ الْكُمَّيْنِ وَالْجَيْبِ وَالْفَرْجَيْنِ بِالدِّيبَاجِ .
বর্ণনাকারী আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ),
(আবূ উমার) বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ) কে রেশমী বস্ত্রের প্রান্তযুক্ত একটি পাগড়ী ক্রয় করতে দেখলাম। অতঃপর তিনি কাঁচি আনিয়ে তা কেটে ফেলেন। আমি আসমা (রাঃ) এর নিকট প্রবেশ করে বিষয়টি তাঁর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বলেন, আবদুল্লাহর জন্য দুঃখ হয়। হে মেয়ে! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জুব্বাটা নিয়ে এসো। সে জুব্বাটি নিয়ে আসলো, যার দুই হাতা, গলা ও বুকে রেশমের ‘ফিতা’ লাগানো ছিল। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/১৯. অধ্যায়ঃ
মহিলাদের রেশমী বস্ত্র ও সোনা ব্যবহার
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৫
হাদিস নং ৩৫৯৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي الصَّعْبَةِ، عَنْ أَبِي الأَفْلَحِ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زُرَيْرٍ الْغَافِقِيِّ، سَمِعْتُهُ يَقُولُ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، يَقُولُ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ حَرِيرًا بِشِمَالِهِ وَذَهَبًا بِيَمِينِهِ ثُمَّ رَفَعَ بِهِمَا يَدَيْهِ فَقَالَ " إِنَّ هَذَيْنِ حَرَامٌ عَلَى ذُكُورِ أُمَّتِي حِلٌّ لإِنَاثِهِمْ " .
বর্ণনাকারী আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বাম হাতে কিছু রেশমী বস্ত্র এবং ডান হাতে কিছু সোনা নিলেন এবং সেগুলো সহ তাঁর দু’হাত উপরে তুলে বলেনঃ আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য এ দু’টির ব্যবহার হারাম এবং তাদের মহিলাদের জন্য হালাল। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৬
হাদিস নং ৩৫৯৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ أَبِي فَاخِتَةَ، حَدَّثَنِي هُبَيْرَةُ بْنُ يَرِيمَ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّهُ أُهْدِيَ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ حُلَّةٌ مَكْفُوفَةٌ بِحَرِيرٍ إِمَّا سَدَاؤُهَا وَإِمَّا لُحْمَتُهَا فَأَرْسَلَ بِهَا إِلَىَّ فَأَتَيْتُهُ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا أَصْنَعُ بِهَا أَلْبَسُهَا قَالَ " لاَ وَلَكِنِ اجْعَلْهَا خُمُرًا بَيْنَ الْفَوَاطِمِ " .
বর্ণনাকারী আলী (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রেশমী সূচীকর্ম খচিত একটি চাদর উপহার দেয়া হলো, যার টানা অথবা পড়ন ছিল রেশমী সূতার। তিনি সেটি লোক মারফত আমার নিকট পাঠিয়ে দিলেন। আমি তাঁর নিকট এসে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা দিয়ে আমি কি করবো, আমি কি এটা পরবো? তিনি বলেনঃ না, এটা দ্বারা ফাতেমার ওড়না বানিয়ে দাও। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৭
হাদিস নং ৩৫৯৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الإِفْرِيقِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَفِي إِحْدَى يَدَيْهِ ثَوْبٌ مِنْ حَرِيرٍ وَفِي الأُخْرَى ذَهَبٌ فَقَالَ " إِنَّ هَذَيْنِ مُحَرَّمٌ عَلَى ذُكُورِ أُمَّتِي حِلٌّ لإِنَاثِهِمْ " .
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে আমাদের নিকট এলেন। তাঁর এক হাতে ছিল একটি রেশমী বস্ত্র এবং অপর হাতে ছিল এক টুকরা সোনা। তিনি বলেনঃ এ দু’টি জিনিস আমার উম্মাতের পুরুষদের জন্য হারাম এবং তাদের মহিলাদের জন্য হালাল।তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৮
হাদিস নং ৩৫৯৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ رَأَيْتُ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَمِيصَ حَرِيرٍ سِيَرَاءَ .
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা যায়নাব (রাঃ)’র পরিধানে লাল রং-এর রেশমী কাপড়ের জামা দেখেছি। [২৯৩০] তাহকীক আলবানীঃ শায তবে যায়নাব এর স্থানে উম্মু কুলসুম হলে হাদীসটি মাহফূয হবে।
[২৯৩০] সহীহুল বুখারী ৫৮৪২, নাসায়ী ৫২৯২, ৫২৯৭, আবূ দাউদ ৪০৫৮ ।
২৬/২০. অধ্যায়ঃ
পুরুষদের লাল রংয়ের কাপড় ব্যবহার
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৯
হাদিস নং ৩৫৯৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْقَاضِي، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ مَا رَأَيْتُ أَجْمَلَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مُتَرَجِّلاً فِي حُلَّةٍ حَمْرَاءَ .
বর্ণনাকারী বারা’ বিন আযিব (রাঃ),
লাল রং-এর পোশাকে ও পরিপাটি চুলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেয়ে অধিক সুন্দর আর কাউকে দেখিনি। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০০
হাদিস নং ৩৬০০
حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ بَرَّادِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ، قَاضِي مَرْوَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَخْطُبُ فَأَقْبَلَ حَسَنٌ وَحُسَيْنٌ عَلَيْهِمَا قَمِيصَانِ أَحْمَرَانِ يَعْثُرَانِ وَيَقُومَانِ فَنَزَلَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَأَخَذَهُمَا فَوَضَعَهُمَا فِي حِجْرِهِ فَقَالَ " صَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ {إِنَّمَا أَمْوَالُكُمْ وَأَوْلاَدُكُمْ فِتْنَةٌ} رَأَيْتُ هَذَيْنِ فَلَمْ أَصْبِرْ " . ثُمَّ أَخَذَ فِي خُطْبَتِهِ .
বর্ণনাকারী বুরায়দাহ (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন (শিশু) হাসান ও হোসাইন (রাঃ) লাল জামা পরিহিত অবস্থায় আছাড়-পাছাড় খেতে খেতে সামনে এসে দাঁড়ালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বার থেকে নেমে এসে তাদের উভয়কে তাঁর কোলে তুলে নিলেন এবং বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন, “তোমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তো পরীক্ষা বিশেষ” (সূরা তাগাবুন:১৫)। এ দু’জনকে দেখে আমি র্ধৈয ধারণ করতে পারলাম না। অতঃপর তিনি আবার খুতবা দিতে শুরু করেন। তাহকীক আলবানী: সহীহ।
২৬/২১. অধ্যায়ঃ
পুরুষদের জন্য হলুদ রং-এর পোষাক পরিধান মাকরূহ
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০১
হাদিস নং ৩৬০১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سُهَيْلٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الْمُفَدَّمِ . قَالَ يَزِيدُ قُلْتُ لِلْحَسَنِ مَا الْمُفَدَّمُ قَالَ الْمُشْبَعُ بِالْعُصْفُرِ .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘মুফাদ্দাম’ পরতে নিষেধ করেছেন। রাবী ইয়াযিদ (রাঃ) বলেন, আমি হাসান বিন সুহায়লকে জিজ্ঞেস করলাম ‘মুফাদ্দাম’ কী? তিনি বলেন, হলুদ রং-এ রঞ্জিত বস্ত্র। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০২
হাদিস নং ৩৬০২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا، يَقُولُ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ - وَلاَ أَقُولُ نَهَاكُمْ - عَنْ لُبْسِ الْمُعَصْفَرِ .
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন হুনায়ন
তিনি বলেন, আমি আলী (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এবং আমি বলি না যে, তোমাদেরকেও হলুদ রং-এ রঞ্জিত পোশাক পরতে নিষেধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০৩
হাদিস নং ৩৬০৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ هِشَامِ بْنِ الْغَازِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ أَقْبَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مِنْ ثَنِيَّةِ أَذَاخِرَ فَالْتَفَتَ إِلَىَّ وَعَلَىَّ رَيْطَةٌ مُضَرَّجَةٌ بِالْعُصْفُرِ فَقَالَ " مَا هَذِهِ " . فَعَرَفْتُ مَا كَرِهَ فَأَتَيْتُ أَهْلِي وَهُمْ يَسْجُرُونَ تَنُّورَهُمْ فَقَذَفْتُهَا فِيهِ ثُمَّ أَتَيْتُهُ مِنَ الْغَدِ فَقَالَ " يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا فَعَلَتِ الرَّيْطَةُ " . فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ " أَلاَ كَسَوْتَهَا بَعْضَ أَهْلِكَ فَإِنَّهُ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ لِلنِّسَاءِ " .
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আযাখির উপত্যকা থেকে আসছিলাম। তিনি আমার দিকে তাকালেন, আমার পরনে ছিল হলুদ রং-রঞ্জিত লুঙ্গি। তিনি বলেনঃ এটা কী? আমি তাঁর কিসে অপছন্দ তা অনুভব করলাম। আমি আমার পরিজনের কাছে এলাম, তখন তারা তাদের চুলায় আগুন ধরাচ্ছিল। আমি লুঙ্গিটি চুলায় নিক্ষেপ করলাম। পরদিন সকালে আমি তাঁর নিকট গেলে তিনি বলেনঃ হে আবদুল্লাহ! লুঙ্গিটা কি করেছো? বিষয়টি আমি তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি বলেন, তোমার পরিবারের কাউকে তা পরতে দিলে না কেন? কেননা নারীদের এই রং ব্যবহারে কোন আপত্তি নেই। [২৯৩৫]তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
[২৯৩৫] আবূ দাউদ ৪০৬৬, ৪০৩৮, আহমাদ ৬৮১৩ ।
২৬/২২. অধ্যায়ঃ
পুরুষ লোকেদের হলুদ বর্ণের পোষাক পরিধান
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০৪
হাদিস নং ৩৬০৪
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ شُرَحْبِيلَ، عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ أَتَانَا النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَوَضَعْنَا لَهُ مَاءً يَتَبَرَّدُ بِهِ فَاغْتَسَلَ ثُمَّ أَتَيْتُهُ بِمِلْحَفَةٍ صَفْرَاءَ فَرَأَيْتُ أَثَرَ الْوَرْسِ عَلَى عُكَنِهِ .
বর্ণনাকারী কায়স বিন সা’দ (রাঃ)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসেন। আমরা তাঁর ঠান্ডা হওয়ার জন্য পানি রাখি। তিনি গোসল করলেন। আমি তাঁর জন্য হলুদ রং-এর একটি চাদর নিয়ে এলাম। আমি তাঁর পিঠে হলুদ রং-এর ছাপ দেখতে পেলাম। [২৯৩৬]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
[২৯৩৬] আবূ দাউদ ৫১৮৫, আহমাদ ১৫০৫০, ২৩৩৩২ ।
২৬/২৩. অধ্যায়ঃ
অপচয় ও অহংকার এড়িয়ে তুমি যে কোন ধরনের পোশাক পরতে পার
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০৫
হাদিস নং ৩৬০৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كُلُوا وَاشْرَبُوا وَتَصَدَّقُوا وَالْبَسُوا مَا لَمْ يُخَالِطْهُ إِسْرَافٌ أَوْ مَخِيلَةٌ " .
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা পানাহার করো, দান-খয়রাত করো এবং পরিধান করো যাবত না তার সাথে অপচয় বা অহংকার যুক্ত হয়। [২৯৩৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
[২৯৩৭] আহমাদ ৬৬৫৬, ৬৬৬৯। মিশকাত ৪৩৮১ ।
২৬/২৪. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি খ্যাতি লাভের মানসে পোশাক পরে
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০৬
হাদিস নং ৩৬০৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَادَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْوَاسِطِيَّانِ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ مُهَاجِرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ لَبِسَ ثَوْبَ شُهْرَةٍ أَلْبَسَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثَوْبَ مَذَلَّةٍ " .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি খ্যাতি লাভের মানসে পোশাক পরে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে অপমানের পোশাক পরাবেন। [২৯৩৮]তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
[২৯৩৮] আবূ দাউদ ৪০২৯, আহমাদ ৫৬৩১, ৬২০৯ । মিশকাত ৪৩৪৬, হিযবুল মারআহ ৮৮ নং পৃষ্ঠা ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০৭
হাদিস নং ৩৬০৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنِ الْمُهَاجِرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ لَبِسَ ثَوْبَ شُهْرَةٍ فِي الدُّنْيَا أَلْبَسَهُ اللَّهُ ثَوْبَ مَذَلَّةٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثُمَّ أَلْهَبَ فِيهِ نَارًا " .
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে যশ লাভের উদ্দেশ্যে পোশাক পরে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে অপমানের পোশাক পরাবেন, অতঃপর তাতে অগ্নিসংযোগ করবেন। [২৯৩৯]তাহকীক আলবানীঃ হাসান
[২৯৩৯] আবু দাউদ ৪০২৯, আহমাত ৫৬৩১,৬২০৯। আত তা'লীকুর রাগীব৩/১১২, হিজাবুল মারআহ১১০।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০৮
হাদিস নং ৩৬০৮
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ الْبَحْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ مُحْرِزٍ النَّاجِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ جَهْمٍ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَنْ لَبِسَ ثَوْبَ شُهْرَةٍ أَعْرَضَ اللَّهُ عَنْهُ حَتَّى يَضَعَهُ مَتَى وَضَعَهُ " .
বর্ণনাকারী আবু যার (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যাক্তি যশের পোশাক পরে, আল্লাহ তার প্রতি ভ্রক্ষেপ করবেন না যাবত না তাকে যেখানে ইচ্ছা ফেলে রাখেন। [২৯৪০]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
[২৯৪০] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ একক ভাবে বর্ননা করেছেন। আত তা'লীকুর রাগীব ৩/১১২. দঈফ আল- জামি ৫৮২৮।
২৬/২৫. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি মৃত জীবের চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পর পরিধান করে
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬০৯
হাদিস নং ৩৬০৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " أَيُّمَا إِهَابٍ دُبِغَ فَقَدْ طَهُرَ " .
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ)
আমি রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে কোন চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা হলেই তা পাক হয়ে যায়। তাহকীক আলবানীঃ সহিহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১০
হাদিস নং ৩৬১০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، أَنَّ شَاةً، لِمَوْلاَةِ مَيْمُونَةَ مَرَّ بِهَا - يَعْنِي النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ - قَدْ أُعْطِيَتْهَا مِنَ الصَّدَقَةِ مَيْتَةً فَقَالَ " هَلاَّ أَخَذُوا إِهَابَهَا فَدَبَغُوهُ فَانْتَفَعُوا بِهِ " . فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا مَيْتَةٌ . قَالَ " إِنَّمَا حَرُمَ أَكْلُهَا " .
বর্ণনাকারী মায়মূনাহ (রাঃ)
তার মুক্তদাসীকে যাকাত থেকে একটা বকরী দান করেছিলেন। বকরীটি মারা গেলে তা ফেলে দেয়া হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটির পাশ অতিক্রমকালে বলেনঃ এরা এর চামড়া খুলে নিলো না কেন, এটা প্রক্রিয়াজাত করে কাজে লাগাতে পারতো! সাহাবীগন বললেন হে আল্লাহর রাসুল! এটা তো মৃত। তিনি বলেনঃ মৃত জীব খাওয়া হারাম। তাহকীক আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১১
হাদিস নং ৩৬১১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ كَانَ لِبَعْضِ أُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ شَاةٌ فَمَاتَتْ فَمَرَّ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَلَيْهَا فَقَالَ " مَا ضَرَّ أَهْلَ هَذِهِ لَوِ انْتَفَعُوا بِإِهَابِهَا " .
বর্ণনাকারী সালমান আল ফারিসী (রাঃ),
তিনি বলেন কোন এক উম্মুল মুমিনীনের বকরি মারা গেল। রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটি অতিক্রমকালে বলেনঃ তারা এর চামড়াটা কাজে লাগালে তাদের কোন ক্ষতি হতো না। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১২
হাদিস নং ৩৬১২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يُسْتَمْتَعَ بِجُلُودِ الْمَيْتَةِ إِذَا دُبِغَتْ .
বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ),
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পর তা কাজে লাগাতে নির্দেশ দিয়েছেন। [২৯৪৪]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
[২৯৪৪] নাসায়ী ৪২৫২; আবুদাউদ ৪১২৪; আহমেদ ২৩৯২৬;২৪২০৯;২৪৬৩১;২৪৬৭০;২৪৬৮৮; মুয়াত্তা মালিক ১০৮০; দারিমী ১৯৮৭। রাওদুন নাদীর ৭৭২।
২৬/২৬. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি মৃত জীবের চামড়া ও শিরা কাজে লাগানো নাজায়েজ মনে করে
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১৩
হাদিস নং ৩৬১৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، كُلُّهُمْ عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُكَيْمٍ، قَالَ أَتَانَا كِتَابُ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أَنْ لاَ تَنْتَفِعُوا مِنَ الْمَيْتَةِ بِإِهَابٍ وَلاَ عَصَبٍ " .
বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ বিন উকায়ম (রাঃ),
আমাদের নিকট এই মর্মে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশনামা এলোঃ তোমরা মৃতজীবের চামড়া ও শিরা কোন কাজে ব্যবহার করো না। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/২৭. অধ্যায়ঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্যান্ডেল
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১৪
হাদিস নং ৩৬১৪
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ، قَالَ كَانَ لِنَعْلِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قِبَالاَنِ مَثْنِيٌّ شِرَاكُهُمَا .
বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জুতাজোড়ার সামনের দিকে দুটি ফিতা ছিলো। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১৫
হাদিস নং ৩৬১৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ لِنَعْلِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قِبَالاَنِ .
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জুতা জোড়ার দুটি ফিতা ছিল। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/২৮. অধ্যায়ঃ
জুতা পরিধান করা ও তা খুলে রাখা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১৬
হাদিস নং ৩৬১৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِذَا انْتَعَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَبْدَأْ بِالْيُمْنَى وَإِذَا خَلَعَ فَلْيَبْدَأْ بِالْيُسْرَى " .
বর্ণনাকারী আবু হুরাইরাহ (রাঃ),
রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ জুতা পরিধানের সময় যেন ডান পায়ে আগে পরে, এবং খোলার সময় যেন বাম পায়ের জুতা আগে খোলে। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/২৯. অধ্যায়ঃ
এক পায়ে জুতা পরে হাঁটা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১৭
হাদিস নং ৩৬১৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ يَمْشِي أَحَدُكُمْ فِي نَعْلٍ وَاحِدٍ وَلاَ خُفٍّ وَاحِدٍ لِيَخْلَعْهُمَا جَمِيعًا أَوْ لِيَمْشِ فِيهِمَا جَمِيعًا " .
বর্ণনাকারী আবু হুরাইরাহ (রাঃ),
রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এক পায়ে জুতা পরে বা এক পায়ে মোজা পরে না হাঁটে। হয় সে উভয় পায়ে জুতা পরবে, অন্যথায় উভয় পা খোলা রাখবে (বুখারী, মুসলীম ও তিরমিযি)। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
২৬/৩০. অধ্যায়ঃ
দাঁড়ানো অবস্থায় জুতা পরা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১৮
হাদিস নং ৩৬১৮
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يَنْتَعِلَ الرَّجُلُ قَائِمًا .
বর্ণনাকারী আবু হুরাইরাহ (রাঃ),
রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তিকে দাঁড়ানো অবস্থায় জুতা পরতে নিষেধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬১৯
হাদিস নং ৩৬১৯
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يَنْتَعِلَ الرَّجُلُ قَائِمًا .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তিকে দাঁড়ানো অবস্থাই জুতা পরতে নিষেধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
২৬/৩১. অধ্যায়ঃ
কালো মোজা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২০
হাদিস নং ৩৬২০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا دَلْهَمُ بْنُ صَالِحٍ الْكِنْدِيُّ، عَنْ حُجَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْكِنْدِيِّ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّجَاشِيَّ، أَهْدَى لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ خُفَّيْنِ سَاذَجَيْنِ أَسْوَدَيْنِ فَلَبِسَهُمَا
বর্ণনাকারী বুরায়দাহ (রাঃ)
নাজ্জাসী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মিশমিশে কালো রংয়ের একজোড়া মোজা উপটৌকন দেন। তিনি তা পরিধান করেন। [২৯৫২]তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
[২৯৫২] আবু দাউদ ১৫৫।
২৬/৩২. অধ্যায়ঃ
মেহেদির খেজাব
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২১
হাদিস নং ৩৬২১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، سَمِعَ أَبَا سَلَمَةَ، وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، يُخْبِرَانِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى لاَ يَصْبُغُونَ فَخَالِفُوهُمْ " .
বর্ণনাকারী আবু হুরাইরাহ (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইহুদী ও খৃস্টানরা খেযাব ব্যবহার করেনা। সুতরাং তোমরা তাদের বিপরীত করো।তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২২
হাদিস নং ৩৬২২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ الأَجْلَحِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ الدِّيلِيِّ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنَّ أَحْسَنَ مَا غَيَّرْتُمْ بِهِ الشَّيْبَ الْحِنَّاءُ وَالْكَتَمُ " .
বর্ণনাকারী আবু যার (রাঃ),
রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যেসব জিনিস দিয়ে তোমরা বার্ধক্যকে পরিবর্তন করতে পারো তার মধ্যে মেহেদী ও কাতাম হলো সর্বোত্তম।তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২৩
হাদিস নং ৩৬২৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَلاَّمُ بْنُ أَبِي مُطِيعٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مَوْهَبٍ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى أُمِّ سَلَمَةَ . قَالَ فَأَخْرَجَتْ إِلَىَّ شَعَرًا مِنْ شَعَرِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مَخْضُوبًا بِالْحِنَّاءِ وَالْكَتَمِ .
বর্ণনাকারী উসমান বিন মাওহাব
আমি উম্ম সালামা (রাঃ) এর নিকট প্রবেশ করলাম। রাবী বলেন, তিনি আমার সামনে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চুল বের করলেনঃ যা মেহেদী ও কাতাম দ্বারা রঞ্জিত ছিল। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৩৩. অধ্যায়ঃ
কালো খেজাব ব্যবহার
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২৪
হাদিস নং ৩৬২৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ جِيءَ بِأَبِي قُحَافَةَ يَوْمَ الْفَتْحِ إِلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَكَأَنَّ رَأْسَهُ ثَغَامَةٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اذْهَبُوا بِهِ إِلَى بَعْضِ نِسَائِهِ فَلْتُغَيِّرْهُ وَجَنِّبُوهُ السَّوَادَ " .
বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ),
মক্কা বিজয়ের দিন আবু কুহাফাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আনা হলো। তার মাথার চুল ছিল ধবধবে সাদা। রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা তাকে তার কোন স্ত্রীর নিকট নিয়ে যাও এবং সে যেন তার (চুলের) রং পরিবর্তন করে দেয়। তবে তোমরা তার জন্য কালো রং পরিহার করো। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২৫
হাদিস নং ৩৬২৫
حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ الصَّيْرَفِيُّ، مُحَمَّدُ بْنُ فِرَاسٍ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ بْنِ زَكَرِيَّا الرَّاسِبِيُّ، حَدَّثَنَا دَفَّاعُ بْنُ دَغْفَلٍ السَّدُوسِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ صَيْفِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، صُهَيْبِ الْخَيْرِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنَّ أَحْسَنَ مَا اخْتَضَبْتُمْ بِهِ لَهَذَا السَّوَادُ أَرْغَبُ لِنِسَائِكُمْ فِيكُمْ وَأَهْيَبُ لَكُمْ فِي صُدُورِ عَدُوِّكُمْ " .
বর্ণনাকারী সুহায়ব আল খায়র (রাঃ),
রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা যা দিয়ে চুল রঙ্গিন করো তার মধ্যে এই কালো খেযাব খুবই উত্তম। তাতে তোমাদের প্রতি নারীদের আকর্ষন আছে এবং জিহাদে তা তোমাদের শত্রুদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টিকর। [২৯৫৭] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
[২৯৫৭] হাদীস টি ইমাম ইবনু মাজাহ একক ভাবে বর্ননা করেছেন। দঈফাহ২৯৭২; দঈফ আল জামি১৩৭৫।
২৬/৩৪. অধ্যায়ঃ
হলুদ রঙয়ের খেজাব ব্যবহার
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২৬
হাদিস নং ৩৬২৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، أَنَّ عُبَيْدَ بْنَ جُرَيْجٍ، سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُكَ تُصَفِّرُ لِحْيَتَكَ بِالْوَرْسِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ أَمَّا تَصْفِيرِي لِحْيَتِي فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يُصَفِّرُ لِحْيَتَهُ .
বর্ণনাকারী উবায়দ বিন জুরায়জ
তিনি ইবনু উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, আমি তো আপনাকে ওয়ারস ঘাসের রং দিয়ে আপনার দাঁড়ি রঞ্জিত করতে দেখেছি। বিন উমার (রাঃ) বলেন, আমার দাড়ী হলুদ রংয়ে রঞ্জিত করার কারন এই যে, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দাঁড়ি হলুদ রংয়ে রঞ্জিত করতে দেখেছি। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২৭
হাদিস নং ৩৬২৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ مَرَّ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَلَى رَجُلٍ قَدْ خَضَبَ بِالْحِنَّاءِ فَقَالَ " مَا أَحْسَنَ هَذَا " . ثُمَّ مَرَّ بِآخَرَ قَدْ خَضَبَ بِالْحِنَّاءِ وَالْكَتَمِ فَقَالَ " هَذَا أَحْسَنُ مِنْ هَذَا " . ثُمَّ مَرَّ بِآخَرَ قَدْ خَضَبَ بِالصُّفْرَةِ فَقَالَ " هَذَا أَحْسَنُ مِنْ هَذَا كُلِّهِ " . قَالَ وَكَانَ طَاوُسٌ يُصَفِّرُ .
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মেহেদির খেযাব গ্রহণকারী এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করার সময় বলেনঃ এটা কতই না উত্তম। অতঃপর তিনি মেহেদি ও কাতামের খেযাব গ্রহণকারী এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করার সময় বলেনঃ এটা ওটার চেয়ে উত্তম। অতঃপর তিনি হলুদ রঙের খেযাব গ্রহণকারী এক ব্যক্তিকে অতিক্রমকালে বলেনঃ এটা ঐ সবগুলোর চেয়ে উত্তম। রাবী বলেন, তাউস (রাঃ) হলুদ রঙের খেযাব ব্যবহার করতেন। [২৯৫৯]তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
২৬/৩৫. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি খেযাব বর্জন করে
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২৮
হাদিস নং ৩৬২৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ هَذِهِ مِنْهُ بَيْضَاءُ . يَعْنِي عَنْفَقَتَهُ .
বর্ণনাকারী আবূ জুহায়ফাহ (রাঃ),
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ অংশটা অর্থাৎ তাঁর চিবুকের নিচের ও উপরের কিছু চুল সাদা দেখেছি। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬২৯
হাদিস নং ৩৬২৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، وَابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ حُمَيْدٍ، قَالَ سُئِلَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ أَخَضَبَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ إِنَّهُ لَمْ يَرَ مِنَ الشَّيْبِ إِلاَّ نَحْوَ سَبْعَةَ عَشَرَ أَوْ عِشْرِينَ شَعَرَةً فِي مُقَدَّمِ لِحْيَتِهِ .
বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ)
তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি খেযাব ব্যবহার করেছেন? তিনি বলেন যে, তিনি তাঁর দাঁড়ীর সম্মুখভাবে মাত্র সতের বা বিশটি সাদা চুল দেখেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩০
হাদিস নং ৩৬৩০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْوَلِيدِ الْكِنْدِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ شَيْبُ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَحْوَ عِشْرِينَ شَعَرَةً .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বার্ধক্য বলতে ছিল গোটা বিশেক (সাদা) চুল। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৩৬. অধ্যায়ঃ
কেশ গুচ্ছবদ্ধ করা গুচ্ছহীন রাখা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩১
হাদিস নং ৩৬৩১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ قَالَتْ أُمُّ هَانِئٍ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مَكَّةَ وَلَهُ أَرْبَعُ غَدَائِرَ . تَعْنِي ضَفَائِرَ .
বর্ণনাকারী উম্মু হানী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মক্কায় প্রবেশ করেন তখন তাঁর মাথার চুলে চারটি বেণি ছিলো। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩২
হাদিস নং ৩৬৩২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ أَهْلُ الْكِتَابِ يَسْدُلُونَ أَشْعَارَهُمْ وَكَانَ الْمُشْرِكُونَ يَفْرِقُونَ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يُحِبُّ مُوَافَقَةَ أَهْلِ الْكِتَابِ . قَالَ فَسَدَلَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَاصِيَتَهُ ثُمَّ فَرَقَ بَعْدُ .
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ)
তিনি বলেন, আহলে কিতাব সম্প্রদায় তাদের মাথার চুল পিছনের দিকে ছেড়ে দিতো এবং মুশরিকরা মাথার মাঝ বরাবর সিঁথি কাটতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দেশপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত) কিতাবীদের সাথে সামঞ্জস্য পছন্দ করতেন। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও তাঁর মাথার সামনের দিকের চুল স্ব-অবস্থায় পিছনের দিকে ছেড়ে দিতেন এবং পরবর্তী পর্যায়ে সিঁথি কাটতেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৩
হাদিস নং ৩৬৩৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبَّادٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنْتُ أَفْرِقُ خَلْفَ يَافُوخِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ثُمَّ أَسْدِلُ نَاصِيَتَهُ .
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ),
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছন দিকের চুলে সিঁথি কেটে দিতাম, পরে আমি তাঁর মাথার সামনের চুল স্ব-অবস্থায় পিছনের দিকে ছেড়ে দিতাম। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৪
হাদিস নং ৩৬৩৪
يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ شَعَرُ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ شَعَرًا رَجِلاً بَيْنَ أُذُنَيْهِ وَمَنْكِبَيْهِ.
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ),
রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চুল ছিল সামান্য কোঁকড়ানো এবং দু’কান ও দু’কাঁধের মাঝ বরাবর ঝুলানো। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৫
হাদিস নং ৩৬৩৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ شَعَرٌ دُونَ الْجُمَّةِ وَفَوْقَ الْوَفْرَةِ.
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মাথার চুল ছিলো তাঁর কানের লতির নিম্নভাগ অতিক্রম করে প্রায় কাঁধ বরাবর প্রলম্বিত। [২৯৬৭]তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
২৬/৩৭. অধ্যায়ঃ
লম্বা চুল অপছন্দনীয়
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৬
হাদিস নং ৩৬৩৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، وَسُفْيَانُ بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ رَآنِيَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَلِي شَعَرٌ طَوِيلٌ فَقَالَ " ذُبَابٌ ذُبَابٌ " . فَانْطَلَقْتُ فَأَخَذْتُهُ فَرَآنِيَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقَالَ " إِنِّي لَمْ أَعْنِكَ وَهَذَا أَحْسَنُ " .
বর্ণনাকারী ওয়াইল বিন হুজর (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার মাথার লম্বা চুল দেখে বললেনঃ দুর্ভাগ্য! আমি ফিরে গিয়ে তা খাটো করে ফেললাম। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বলেনঃ আমি তো তোমার সম্পর্কে মন্তব্য করিনি। তবে এটা উত্তম। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৩৮. অধ্যায়ঃ
মাথার অংশবিশেষের চুল কামানো নিষেধ
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৭
হাদিস নং ৩৬৩৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهُ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الْقَزَعِ . قَالَ وَمَا الْقَزَعُ قَالَ أَنْ يُحْلَقَ مِنْ رَأْسِ الصَّبِيِّ مَكَانٌ وَيُتْرَكَ مَكَانٌ .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘কাযা’ নিষিদ্ধ করেছেন। রাবী জিজ্ঞেস করেন, ‘কাযা’ কী? বিন উমার (রাঃ) বলেন, ‘কাযা’ হল শিশুদের মাথার একাংশের চুল কামানো এবং একাংশের চুল রেখে দেয়া। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৮
হাদিস নং ৩৬৩৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الْقَزَعِ .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথার অংশবিশেষের চুল কামাতে নিষেধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৩৯. অধ্যায়ঃ
আংটিতে নকশা করা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৯
হাদিস নং ৩৬৩৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ اتَّخَذَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ خَاتَمًا مِنْ وَرِقٍ ثُمَّ نَقَشَ فِيهِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ " لاَ يَنْقُشْ أَحَدٌ عَلَى نَقْشِ خَاتَمِي هَذَا " .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি রূপার আংটি গ্রহণ করলেন এবং তার গায়ে “মুহাম্মাদুর রাসূলূল্লাহ” খোদাই করান। অতঃপর তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার আংটিতে নকশা খোদাই না করে। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪০
হাদিস নং ৩৬৪০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ اصْطَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ خَاتَمًا فَقَالَ " إِنَّا قَدِ اصْطَنَعْنَا خَاتَمًا وَنَقَشْنَا فِيهِ نَقْشًا فَلاَ يَنْقُشَنَّ عَلَيْهِ أَحَدٌ " .
বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি আংটি তৈরি করান, তারপর বলেনঃ আমি একটি আংটি তৈরি করিয়েছি এবং তাতে কিছু নকশা করিয়েছি। সুতরাং কেউ যেন এর অনুরূপ নকশা খোদাই না করায়। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪১
হাদিস নং ৩৬৪১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ اتَّخَذَ خَاتَمًا مِنْ فِضَّةٍ لَهُ فَصٌّ حَبَشِيٌّ وَنَقْشُهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ .
বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি রূপার আংটি গ্রহণ করেন। তাতে আবিসিনীয় পাথর ছিল এবং তার গায়ে “মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ” খোদাইকৃত ছিল।তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৪০. অধ্যায়ঃ
সোনার আংটি পরা নিষেধ
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪২
হাদিস নং ৩৬৪২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، مَوْلَى عَلِيٍّ عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ التَّخَتُّمِ بِالذَّهَبِ .
বর্ণনাকারী আলী (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সোনার আংটি পরতে নিষেধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪৩
হাদিস নং ৩৬৪৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سُهَيْلٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ خَاتَمِ الذَّهَبِ .
বর্ণনাকারী ইবনু উমর (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সোনার আংটি পরা নিষিদ্ধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪৪
হাদিস নং ৩৬৪৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، قَالَتْ أَهْدَى النَّجَاشِيُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ حَلْقَةً فِيهَا خَاتَمُ ذَهَبٍ فِيهِ فَصٌّ حَبَشِيٌّ فَأَخَذَهُ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِعُودٍ وَإِنَّهُ لَمُعْرِضٌ عَنْهُ أَوْ بِبَعْضِ أَصَابِعِهِ ثُمَّ دَعَا ابْنَةَ ابْنَتِهِ أُمَامَةَ بِنْتَ أَبِي الْعَاصِ فَقَالَ " تَحَلَّىْ بِهَذَا يَا بُنَيَّةُ " .
বর্ণনাকারী উম্মুল মু’মিনীন আয়িশাহ (রাঃ),
নাজ্জাশী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সোনার একটি আংটি উপহার দেন। তাতে আবিসিনীয় পাথর বসানো ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটি অপছন্দ করায় একটি কাঠি বা হাতের আংগুল দ্বারা তা নিলেন, অতঃপর তাঁর কন্যার কন্যা (নাতনি) উমামা বিনতু আবুল আসকে ডেকে বলেনঃ নাতনি! এটা তুমি পরো। [২৯৭৬]তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
২৬/৪১. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি আংটির পাথর তার হাতের তালুর দিকে রাখে
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪৫
হাদিস নং ৩৬৪৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَجْعَلُ فَصَّ خَاتَمِهِ مِمَّا يَلِي كَفَّهُ .
বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর আংটির পাথর তাঁর হাতের তালুর দিকে রাখতেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪৬
হাদিস নং ৩৬৪৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ الأَيْلِيِّ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لَبِسَ خَاتَمَ فِضَّةٍ فِيهِ فَصٌّ حَبَشِيٌّ كَانَ يَجْعَلُ فَصَّهُ فِي بَطْنِ كَفِّهِ .
বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ),
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি রূপার আংটি পরেন, তাতে আবিসিনীয় পাথর বসানো ছিল। তিনি পাথরটি তাঁর হাতের তালুর দিকে রাখতেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৪২. অধ্যায়ঃ
ডান হাতে আংটি পরা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪৭
হাদিস নং ৩৬৪৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَتَخَتَّمُ فِي يَمِينِهِ .
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন জা‘ফর (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ডান হাতে আংটি পরতেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৪৩. অধ্যায়ঃ
বৃদ্ধাংগুলে আংটি পরা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪৮
হাদিস নং ৩৬৪৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ أَتَخَتَّمَ فِي هَذِهِ وَفِي هَذِهِ يَعْنِي الْخِنْصَرَ وَالإِبْهَامَ .
বর্ণনাকারী আলী (রাঃ),
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এই আঙ্গুলে এবং এই আঙ্গুলে অর্থাৎ বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠাতে আংটি পরতে নিষেধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
২৬/৪৪. অধ্যায়ঃ
ঘরে ছবি রাখা
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৪৯
হাদিস নং ৩৬৪৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِي طَلْحَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " لاَ تَدْخُلُ الْمَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ " .
বর্ণনাকারী আবূ তালহাহ (রাঃ)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ঘরে কুকুর ও ছবি থাকে সে ঘরে ফেরেশতাগণ প্রবেশ করে না। [২৯৮১]
[২৯৮০] সহীহুল বুখারী ৩২২৫, ৩২২৬, ৩৩২২, ৪০০২, ৫৯৪৯, ৫৯৫৮, মুসলিম ২১০৬, তিরমিযী ১৭৫০, ২৮০৪, নাসায়ী ৪২৮২, ৫৩৪৭, ৫৩৪৮, ৫৩৪৯, ৫৩৫০, আবূ দাউদ ৪১৫৩, ৪১৫৫, আহমাদ ১৫৯১০, ১৫৯১৮, ১৫৯৩৪, মুওয়াত্তা’ মালিক ১৮০২। গায়াতুল মারাম ১১৮।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৫০
হাদিস নং ৩৬৫০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُدْرِكٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُجَىٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِنَّ الْمَلاَئِكَةَ لاَ تَدْخُلُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ " .
বর্ণনাকারী আলী বিন আবূ তালীব (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ঘরে কুকুর ও ছবি থাকে সেই ঘরে ফেরেশতাগণ প্রবেশ করেন না। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৫১
হাদিস নং ৩৬৫১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ وَاعَدَ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلاَمُ فِي سَاعَةٍ يَأْتِيهِ فِيهَا فَرَاثَ عَلَيْهِ فَخَرَجَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَإِذَا هُوَ بِجِبْرِيلَ قَائِمٌ عَلَى الْبَابِ فَقَالَ " مَا مَنَعَكَ أَنْ تَدْخُلَ " . قَالَ إِنَّ فِي الْبَيْتِ كَلْبًا وَإِنَّا لاَ نَدْخُلُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ .
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ),
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে জিবরাঈল (আঃ) এর একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাক্ষাতের প্রতিশ্রুতি ছিল কিন্তু তাতে বিলম্ব হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে বের হলেন এবং দেখলেন, জিবরাইল (আঃ) দরজায় দাঁড়ানো। তিনি বলেনঃ ভিতরে প্রবেশ করতে কিসে আপনাকে বাধা দিলো? তিনি বলেনঃ এ ঘরে একটি কুকুর আছে। যে ঘরে কুকুর ও ছবি থাকে সে ঘরে আমরা প্রবেশ করি না। [২৯৮৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ
[২৯৮৩] আহমাদ ২৪৫৭৬।আ্দাবুয যিফাফ ১০২,১০৮।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৫২
হাদিস নং ৩৬৫২
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ عُثْمَانَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا عُفَيْرُ بْنُ مَعْدَانَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ امْرَأَةً، أَتَتِ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَأَخْبَرَتْهُ أَنَّ زَوْجَهَا فِي بَعْضِ الْمَغَازِي فَاسْتَأْذَنَتْهُ أَنْ تُصَوِّرَ فِي بَيْتِهَا نَخْلَةً فَمَنَعَهَا أَوْ نَهَاهَا .
বর্ণনাকারী আবূ উমামাহ (রাঃ),
এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে অবহিত করে যে, তার স্বামী একটি জিহাদে গেছে। সে তাঁর নিকট তার ঘরে একটি খেজুর গাছের ছবি আঁকার অনুমতি চাইলে তিনি তাকে তা করতে নিষেধ করেন। [২৯৮৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
[২৯৮৪] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
২৬/৪৫. অধ্যায়ঃ
পদদলিত হওয়ার স্থানের ছবি
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৫৩
হাদিস নং ৩৬৫৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سَتَرْتُ سَهْوَةً لِي - تَعْنِي الدَّاخِلَ - بِسِتْرٍ فِيهِ تَصَاوِيرُ فَلَمَّا قَدِمَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ هَتَكَهُ فَجَعَلْتُ مِنْهُ مَنْبُوذَتَيْنِ فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مُتَّكِئًا عَلَى إِحْدَاهُمَا .
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ),
আমি আমার ঘরের দরজায় ছবিযুক্ত একটি পর্দা টানালাম। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে তা ছিঁড়ে ফেলেন। পরে আমি তা দিয়ে দু’টি তাকিয়ার গেলাফ বানালাম। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তার একটিতে হেলান দিয়ে বসতে দেখেছি। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
[২৯৮৫] সহীহুল বুখারী ৫৯৫৪, মুসলিম ২১০৮,তিরমিযী ২৪৬৮, নাসায়ী ৭৬১,৫৩৫৫,৫৩৫৭, আহমাদ ২৫১০৩,২৫৫৭২,দারিমী ২৬৬২। আদাবুয যিফাফ ৯৮,৯৯।
২৬/৪৬. অধ্যায়ঃ
লাল জিনপোশ ব্যাবহার
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৫৪
হাদিস নং ৩৬৫৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ هُبَيْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ خَاتَمِ الذَّهَبِ وَعَنِ الْمِيثَرَةِ يَعْنِي الْحَمْرَاءَ .
বর্ণনাকারী আলী (রাঃ),
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সোনার আংটি এবং লাল রঙের জিনপোষ ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
২৬/৪৭. অধ্যায়ঃ
চিতা বাঘের চামড়ার উপর সওয়ার হওয়া
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৫৫
হাদিস নং ৩৬৫৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي عَيَّاشُ بْنُ عَبَّاسٍ الْحِمْيَرِيُّ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ الْحَجْرِيِّ الْهَيْثَمِ، عَنْ عَامِرٍ الْحَجْرِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا رَيْحَانَةَ، صَاحِبَ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَنْهَى عَنْ رُكُوبِ النُّمُورِ .
বর্ণনাকারী আমির আল-হাজরী (রাঃ),
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবী আবূ রায়হানা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চিতা বাঘের চামড়ার উপর সওয়ার হতে নিষেধ করতেন। [২৯৮৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
[২৯৮৭] নাসায়ী ৫০৯১,আবূ দাউদ ৪০৪৯,আহমাদ ১৬৭৫৭,১৬৭৬৩, দারিমী ২৬৪৮।
সুনানে ইবনে মাজাহসুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৫৬
হাদিস নং ৩৬৫৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ أَبِي الْمُعْتَمِرِ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَنْهَى عَنْ رُكُوبِ النُّمُورِ .
বর্ণনাকারী মু‘আবিয়াহ (রাঃ),
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চিতা বাঘের চামড়ার উপর সওয়ার হতে নিষেধ করতেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ