কিতাবুল বিতর (বিতর নামায)
৩/১. অধ্যায়ঃ
বিতর নামাজের ফজিলত
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৫২
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَاشِدٍ الزَّوْفِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُرَّةَ الزَّوْفِيِّ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ حُذَافَةَ، أَنَّهُ قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " إِنَّ اللَّهَ أَمَدَّكُمْ بِصَلاَةٍ هِيَ خَيْرٌ لَكُمْ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ الْوِتْرُ جَعَلَهُ اللَّهُ لَكُمْ فِيمَا بَيْنَ صَلاَةِ الْعِشَاءِ إِلَى أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَبُرَيْدَةَ وَأَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ خَارِجَةَ بْنِ حُذَافَةَ حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ . وَقَدْ وَهِمَ بَعْضُ الْمُحَدِّثِينَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَاشِدٍ الزُّرَقِيِّ وَهُوَ وَهَمٌ فِي هَذَا . وَأَبُو بَصْرَةَ الْغِفَارِيُّ اسْمُهُ حُمَيْلُ بْنُ بَصْرَةَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ جَمِيلُ بْنُ بَصْرَةَ وَلاَ يَصِحُّ . وَأَبُو بَصْرَةَ الْغِفَارِيُّ رَجُلٌ آخَرُ يَرْوِي عَنْ أَبِي ذَرٍّ وَهُوَ ابْنُ أَخِي أَبِي ذَرٍّ .
বর্ণনাকারী খারিজা ইবনু হুযাফা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকটে বের হয়ে আসলেন। তিনি বললেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে একটি নামাজ দিয়ে সাহায্য করেছেন। এটা তোমাদের জন্য লাল উটের চেয়েও উত্তম, তা হলো বিতরের নামাজ। আল্লাহ তোমাদের জন্য এটা ইশা ও ফজরের মধ্যবর্তী সময়ে আদায়ের জন্য নির্ধারণ করেছেন।
-সহীহ। “এটা তোমাদের জন্য অনেক লাল উটের চেয়েও উত্তম” এই অংশ বাদে। ইবনু মাজাহ- (১১৬৮)।এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরা, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর, বুরাইদা ও আবূ বাসরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ খারিজা ইবনু হুযাফার হাদীসটি গারীব। কেননা এটা আমরা শুধুমাত্র ইয়াযীদ ইবনু আবূ হাবীবের সূত্রেই জেনেছি। কিছু মুহাদ্দিস এ হাদীস সম্পর্কে সন্দেহে পড়েছেন এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাশিদ আয-যাওফীকে আয-যুরাকী বলে উল্লেখ করেছেন, তা ঠিক নয়। আবূ বাসরাহ আল গিফারীর নাম হুমাইল ইবনু বাসরাহ। কোন কোন ব্যক্তি তার নাম জামীল বলেও উল্লেখ করেছেন। তা সঠিক নয়। আরেক আবূ বাসরাহ গিফারী রয়েছেন যিনি আবূ যার গিফারী থেকে হাদীস বর্ণনা করেও তিনি আবূ যারের ভাইপো।
৩/২. অধ্যায়ঃ
বিতরের নামায ফরজ নয়
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৫৩
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ الْوِتْرُ لَيْسَ بِحَتْمٍ كَصَلاَتِكُمُ الْمَكْتُوبَةِ وَلَكِنْ سَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ " إِنَّ اللَّهَ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ فَأَوْتِرُوا يَا أَهْلَ الْقُرْآنِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَلِيٍّ حَدِيثٌ حَسَنٌ .
বর্ণনাকারী ‘আলী (রাঃ)
বিতরের নামাজ তোমাদের ফরজ নামাজসমূহের মত অত্যাবশ্যকীয় (ফরজ) নামাজ নয়। বরং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (এ নামাজ) তোমাদের জন্য সুন্নতরূপে প্রবর্তন করেছেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)) বলেছেন: আল্লাহ তাআলা বিতর (বেজোড়), তিনি বিতরকে ভালবাসেন। হে কুরআনের বাহকগণ (মুমিনগণ)! তোমরা বিতর আদায় কর।
-সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১১৬৯)।এ অনুচ্ছেদে ইবনু ‘উমার, ইবনু মাসঊদ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আলী (রাঃ) -এর হাদীসটি হাসান।
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৫৪
وَرَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، وَغَيْرُهُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ الْوِتْرُ لَيْسَ بِحَتْمٍ كَهَيْئَةِ الصَّلاَةِ الْمَكْتُوبَةِ وَلَكِنْ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . حَدَّثَنَا بِذَلِكَ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ . وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ . وَقَدْ رَوَاهُ مَنْصُورُ بْنُ الْمُعْتَمِرِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ نَحْوَ رِوَايَةِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ .
বর্ণনাকারী সুফিয়ান সাওরী ও অন্যান্যরা আবূ ইসহাক
তিনি আসিম ইবন যামরাহ হতে, তিনি আলী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি [আলী (রাঃ)] বলেছেন, বিতরের নামাজ ফরজ নামাজের মত জরুরি নামাজ নয়। বরং এটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতিষ্ঠিত সুন্নাত নামাজ।
-সহিহ, সহিহুত তারগীব (৫৯০)এ হাদীসটি পূর্ববর্তী আবূ বকর ইবনু ‘আয়্যাশের হাদীসের চেয়ে বেশি সহীহ। মানসূর ইবনু মু’তামিরও এ হাদীসটি আবূ ইসহাক হতে আবূ বকর ইবনু ‘আয়্যাশের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৩/৩. অধ্যায়ঃ
বিতরের পূর্বে ঘুমানো মাকরূহ
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৫৫
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ عِيسَى بْنِ أَبِي عَزَّةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي ثَوْرٍ الأَزْدِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أُوتِرَ قَبْلَ أَنْ أَنَامَ . قَالَ عِيسَى بْنُ أَبِي عَزَّةَ وَكَانَ الشَّعْبِيُّ يُوتِرُ أَوَّلَ اللَّيْلِ ثُمَّ يَنَامُ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَأَبُو ثَوْرٍ الأَزْدِيُّ اسْمُهُ حَبِيبُ بْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ . وَقَدِ اخْتَارَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ أَنْ لاَ يَنَامَ الرَّجُلُ حَتَّى يُوتِرَ .وَرُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " مَنْ خَشِيَ مِنْكُمْ أَنْ لاَ يَسْتَيْقِظَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ فَلْيُوتِرْ مِنْ أَوَّلِهِ وَمَنْ طَمِعَ مِنْكُمْ أَنْ يَقُومَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ فَلْيُوتِرْ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ فَإِنَّ قِرَاءَةَ الْقُرْآنِ فِي آخِرِ اللَّيْلِ مَحْضُورَةٌ وَهِيَ أَفْضَلُ " . حَدَّثَنَا بِذَلِكَ هَنَّادٌ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ .
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে ঘুমানোর পূর্বে বিতর আদায়ের আদেশ করেছেন।
-সহীহ। সহীহ আবূ দাঊদ- (১১৮৭)।ইমাম শাবী রাতের প্রথম দিকেই বিতর আদায় করতেন অতঃপর ঘুমাতেন। এ অনুচ্ছেদে আবূ যার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আবূ হুরাইরার হাদীসটি হাসান গারীব। আবূ সাওর আল আযদীর নাম হাবীব ইবনু আবী মুলাইকাহ। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একদল সাহাবী ও তাদের পরবর্তীরা কোন ব্যক্তির বিতর আদায়ের পূর্বে না ঘুমানোই পছন্দ করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি শেষ রাতে উঠতে পারবে না বলে আশংকা করে সে যেন রাতের প্রথম দিকেই বিতর আদায় করে নেয়। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি শেষ রাতে দাঁড়ানোর (নামায আদায়ের) আগ্রহ পোষণ করে সে যেন শেষ রাতেই বিতর আদায় করে। কেননা শেষ রাতের কুরআন পাঠ করায় ফেরেশতাগণ হাযির হন। আর এটাই উত্তম।” এ হাদীসটি জাবির (রাঃ) বর্ণনা করেছেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১১৮৭), মুসলিম।
৩/৪. অধ্যায়ঃ
বিতর নামায রাতের প্রথম অথবা শেষাংশে আদায় করা
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৫৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا أَبُو حَصِينٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ وَثَّابٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ وِتْرِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ مِنْ كُلِّ اللَّيْلِ قَدْ أَوْتَرَ أَوَّلِهِ وَأَوْسَطِهِ وَآخِرِهِ فَانْتَهَى وِتْرُهُ حِينَ مَاتَ إِلَى السَّحَرِ . قَالَ أَبُو عِيسَى أَبُو حَصِينٍ اسْمُهُ عُثْمَانُ بْنُ عَاصِمٍ الأَسَدِيُّ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَجَابِرٍ وَأَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ وَأَبِي قَتَادَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ الَّذِي اخْتَارَهُ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ الْوِتْرُ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ .
বর্ণনাকারী মাসরূক (রহঃ)
তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বিতর প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, তিনি রাতের সকল ভাগেই বিতর আদায় করেছেন, হয় রাতের প্রথম ভাগে অথবা মধ্যভাগে অথবা শেষ ভাগে। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি বিতর ভোর রাত পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন।
-সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১১৫৮), বুখারী ও মুসলিম।আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আবূ হুসাইনের নাম ‘উসমান ইবনু ‘আসিম আল-আসাদী এ অনুচ্ছেদ ‘আলী, জাবির,আবূ মাসঊদ আনসারী ও আবূ কাতাদা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ‘আয়িশাহ’র হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল ‘আলিম শেষ রাতেই বিতর আদায় করা পছন্দ করেছেন।
৩/৫. অধ্যায়ঃ
বিতর নামাজ সাত রাকাত আদায় করা
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৫৭
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُوتِرُ بِثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً فَلَمَّا كَبِرَ وَضَعُفَ أَوْتَرَ بِسَبْعٍ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أُمِّ سَلَمَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْوِتْرُ بِثَلاَثَ عَشْرَةَ وَإِحْدَى عَشْرَةَ وَتِسْعٍ وَسَبْعٍ وَخَمْسٍ وَثَلاَثٍ وَوَاحِدَةٍ . قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ مَعْنَى مَا رُوِيَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوتِرُ بِثَلاَثَ عَشْرَةَ قَالَ إِنَّمَا مَعْنَاهُ أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً مَعَ الْوِتْرِ فَنُسِبَتْ صَلاَةُ اللَّيْلِ إِلَى الْوِتْرِ . وَرَوَى فِي ذَلِكَ حَدِيثًا عَنْ عَائِشَةَ وَاحْتَجَّ بِمَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " أَوْتِرُوا يَا أَهْلَ الْقُرْآنِ " . قَالَ إِنَّمَا عَنَى بِهِ قِيَامَ اللَّيْلِ يَقُولُ إِنَّمَا قِيَامُ اللَّيْلِ عَلَى أَصْحَابِ الْقُرْآنِ .
বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) তের রাকাত বিতর আদায় করতেন। যখন তিনি বার্ধক্যে পৌঁছলেন এবং দুর্বল হয়ে পড়লেন তখন সাত রাকাত বিতর আদায় করেছেন।
-সনদ সহীহ্।এ অনুচ্ছেদে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ উম্মু সালামার হাদীসটি হাসান। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বিতরের নামায তের, এগার, নয়, সাত, পাঁচ, তিন, এক রাক’আত বর্ণিত আছে। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে তের রাক’আত বিতর আদায়ের যে বর্ণনা রয়েছে তার তাৎপর্য হল, রাতের বেলা তিনি (তাহাজ্জুদসহ) তের রাক’আত বিতর আদায় করতেন। এজন্যই রাতের নামাযকে বিতর বলা হয়েছে (বিতরের নামায বলা হয়নি)। এ প্রসংগে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) -এর একটি হাদীস বর্ণিত আছে। ইসহাক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে কুরআনের ধারকগণ! বিতর আদায় কর। এই বলে তিনি রাতের নামায বুঝিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি (ইসহাক) এর অর্থ করেছেন, হে কুরআনের ধারকগণ! রাতে দাঁড়ানো (নামায আদায় করা) জরুরী।
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৫৮
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُوتِرُ بِثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً فَلَمَّا كَبِرَ وَضَعُفَ أَوْتَرَ بِسَبْعٍ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أُمِّ سَلَمَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْوِتْرُ بِثَلاَثَ عَشْرَةَ وَإِحْدَى عَشْرَةَ وَتِسْعٍ وَسَبْعٍ وَخَمْسٍ وَثَلاَثٍ وَوَاحِدَةٍ . قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ مَعْنَى مَا رُوِيَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوتِرُ بِثَلاَثَ عَشْرَةَ قَالَ إِنَّمَا مَعْنَاهُ أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً مَعَ الْوِتْرِ فَنُسِبَتْ صَلاَةُ اللَّيْلِ إِلَى الْوِتْرِ . وَرَوَى فِي ذَلِكَ حَدِيثًا عَنْ عَائِشَةَ وَاحْتَجَّ بِمَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " أَوْتِرُوا يَا أَهْلَ الْقُرْآنِ " . قَالَ إِنَّمَا عَنَى بِهِ قِيَامَ اللَّيْلِ يَقُولُ إِنَّمَا قِيَامُ اللَّيْلِ عَلَى أَصْحَابِ الْقُرْآنِ .
বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) তের রাকাত বিতর আদায় করতেন। যখন তিনি বার্ধক্যে পৌঁছলেন এবং দুর্বল হয়ে পড়লেন তখন সাত রাকাত বিতর আদায় করেছেন।
-সনদ সহীহ্।এ অনুচ্ছেদে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ উম্মু সালামার হাদীসটি হাসান। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বিতরের নামায তের, এগার, নয়, সাত, পাঁচ, তিন, এক রাক’আত বর্ণিত আছে। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে তের রাক’আত বিতর আদায়ের যে বর্ণনা রয়েছে তার তাৎপর্য হল, রাতের বেলা তিনি (তাহাজ্জুদসহ) তের রাক’আত বিতর আদায় করতেন। এজন্যই রাতের নামাযকে বিতর বলা হয়েছে (বিতরের নামায বলা হয়নি)। এ প্রসংগে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) -এর একটি হাদীস বর্ণিত আছে। ইসহাক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে কুরআনের ধারকগণ! বিতর আদায় কর। এই বলে তিনি রাতের নামায বুঝিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি (ইসহাক) এর অর্থ করেছেন, হে কুরআনের ধারকগণ! রাতে দাঁড়ানো (নামায আদায় করা) জরুরী।
৩/৬. অধ্যায়ঃ
বিতর নামাজ পাঁচ রাকাত
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৫৯
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ الْكَوْسَجُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَتْ صَلاَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً يُوتِرُ مِنْ ذَلِكَ بِخَمْسٍ لاَ يَجْلِسُ فِي شَيْءٍ مِنْهُنَّ إِلاَّ فِي آخِرِهِنَّ فَإِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رَأَى بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمُ الْوِتْرَ بِخَمْسٍ وَقَالُوا لاَ يَجْلِسُ فِي شَيْءٍ مِنْهُنَّ إِلاَّ فِي آخِرِهِنَّ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَسَأَلْتُ أَبَا مُصْعَبٍ الْمَدِينِيَّ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُوتِرُ بِالتِّسْعِ وَالسَّبْعِ قُلْتُ كَيْفَ يُوتِرُ بِالتِّسْعِ وَالسَّبْعِ قَالَ يُصَلِّي مَثْنَى مَثْنَى وَيُسَلِّمُ وَيُوتِرُ بِوَاحِدَةٍ .
বর্ণনাকারী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর রাতের নামাজের সংখ্যা ছিল তের রাকাত। এর মধ্যে পাঁচ রাকাত তিনি বিতর আদায় করতেন। এ পাঁচ রাকাত আদায় করা শেষ করেই তিনি বসতেন। মুয়াজ্জিন আজান দিলে তিনি উঠে হালকা দুই রাকাত নামাজ আদায় করতেন।
সহীহ্। সহীহ্ আবূ দাঊদ- (১২০৯, ১২১০), সালাতুত তারাবীহ, মুসলিম।এ অনুচ্ছেদে আবূ আইউব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ‘আয়িশাহ্’র হাদীসটি হাসান সহীহ্। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও অন্যরা বিতর নামায পাঁচ রাক’আত হওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, এর কোন রাক’আতেই বসবে না, সর্বশেষ রাক’আতে বসবে।আবূ ‘ঈসা বলেনঃ “নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নয় বা সাত রাক’আত বিত্র পড়তেন” এই হাদীস সম্পর্কে আমি মুসআব আল-মাদীনীকে জিজ্ঞেস করলাম। আমি বললাম, তিনি কিভাবে নয় বা সাত রাক’আত বিত্র পড়তেন? তিনি বললেন, দুই দুই রাক’আত করে পড়ার পর সালাম ফিরাতেন এবং শেষে এক রাক’আত বিত্র পড়তেন।
৩/৭. অধ্যায়ঃ
বিতরের নামায তিন রাকাত
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৬০
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُوتِرُ بِثَلاَثٍ يَقْرَأُ فِيهِنَّ بِتِسْعِ سُوَرٍ مِنَ الْمُفَصَّلِ يَقْرَأُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ بِثَلاَثِ سُوَرٍ آخِرُهُنَّْ (قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ) . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ وَعَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَأَبِي أَيُّوبَ . وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبْزَى عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ وَيُرْوَى أَيْضًا عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . هَكَذَا رَوَى بَعْضُهُمْ فَلَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ عَنْ أُبَىٍّ وَذَكَرَ بَعْضُهُمْ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى عَنْ أُبَىٍّ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ ذَهَبَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ إِلَى هَذَا وَرَأَوْا أَنْ يُوتِرَ الرَّجُلُ بِثَلاَثٍ . قَالَ سُفْيَانُ إِنْ شِئْتَ أَوْتَرْتَ بِخَمْسٍ وَإِنْ شِئْتَ أَوْتَرْتَ بِثَلاَثٍ وَإِنْ شِئْتَ أَوْتَرْتَ بِرَكْعَةٍ . قَالَ سُفْيَانُ وَالَّذِي أَسْتَحِبُّ أَنْ أُوتِرَ بِثَلاَثِ رَكَعَاتٍ . وَهُوَ قَوْلُ ابْنِ الْمُبَارَكِ وَأَهْلِ الْكُوفَةِ . حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَعْقُوبَ الطَّالْقَانِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ كَانُوا يُوتِرُونَ بِخَمْسٍ وَبِثَلاَثٍ وَبِرَكْعَةٍ وَيَرَوْنَ كُلَّ ذَلِكَ حَسَنًا .
বর্ণনাকারী আলী (রাঃ)
নবী (ﷺ) তিন রাকাত বিতরের নামাজ আদায় করতেন। তিনি এতে মুফাস্সাল সূরাসমূহের নয়টি সূরা পাঠ করতেন, প্রতি রাকাতে তিনটি করে সূরা পাঠ করতেন, এর মধ্যে সর্বশেষ সূরা ছিল “কুল হুয়াল্লাহু আহাদ”।
অত্যন্ত দুর্বল, মিশকাত (১২৮১)এ অনুচ্ছেদে ইমরান ইবনু হুসাইন, আইশা, ইবনু আব্বাস, আবূ আইউব, আবদুর রহমান ইবনু আবযা উবাই ইবনু কা’ব প্রমুখ সাহাবী হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও অন্যরা তিন রাক’আত বিতর আদায়ের পক্ষে মত দিয়েছেন। সুফিয়ান সাওরী বলেছেন, তুমি চাইলে বিতরের নামায পাঁচ, তিন বা এক রাক’আতও আদায় করতে পার। তিনি আরো বলেছেন, আমি তিন রাক’আত বিতর পড়া পছন্দ করি। ইবনুল মুবারাক ও কুফাবাসীগণের অভিমতও ইহাই। মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন বলেছেন, তাঁরা (নিজেরা) পাঁচ রাক’আতও আদায় করতেন, তিন রাক’আতও আদায় করতেন এবং এক রাক’আতও আদায় করতেন। তাঁরা এর প্রতিটিকেই উত্তম মনে করেছেন।
৩/৮. অধ্যায়ঃ
বিতর নামায এক রাকাত
জামে তিরমিযী
হাদিস নং ৪৬১
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ فَقُلْتُ أُطِيلُ فِي رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ وَكَانَ يُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ وَالأَذَانُ فِي أُذُنِهِ . يَعَنِي يُخَفِّفُ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَجَابِرٍ وَالْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ وَأَبِي أَيُّوبَ وَابْنِ عَبَّاسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ رَأَوْا أَنْ يَفْصِلَ الرَّجُلُ بَيْنَ الرَّكْعَتَيْنِ وَالثَّالِثَةِ يُوتِرُ بِرَكْعَةٍ . وَبِهِ يَقُولُ مَالِكٌ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ .
বর্ণনাকারী আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
আমি ইবনু উমর (রাঃ) কে প্রশ্ন করলাম, আমি কি ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) দীর্ঘ করতে পারি? তিনি বললেন, নবী (ﷺ) রাতে নামাজ দুই দুই রাকাত করে আদায় করতেন এবং এক রাকাত বিতর আদায় করতেন। অতঃপর দুই রাকাত (সুন্নত) আদায় করতেন এমনভাবে যে, তখনও তাঁর কানে আজানের শব্দ আসত, অর্থাৎ তিনি সংক্ষিপ্ত করতেন।
সহীহ্। ইবনু মাজাহ- (১১৪৪, ১৩১৮), বুখারী ও মুসলিম।এ অনুচ্ছেদে ‘আয়িশাহ্, জাবির, ফযল ইবনু আব্বাস, আবূ আইয়ূব ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ইবনু ‘উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ্। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু সাহাবী ও তাবীঈ এ হাদীস অনুযায়ী ‘আমল করেছেন। তারা বলেন, দুই রাক’আত আদায় করে সালাম ফিরাবে, পরে এক রাক’আত বিতর আদায় করবে। ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ কথা বলেছেন।