পরিচ্ছেদঃ
বিদ’আত
ঊপদেশঊপদেশ : ১৬৩
হাদিস নং ১৬৩
عَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَنْ أَحْدَثَ فِى أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ.
বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছুর উদ্ভব ঘটাল, যা তার মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৬৪
হাদিস নং ১৬৪
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ.
বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি এমন আমল করল যাতে আমার কোন নির্দেশনা নেই, তা পরিত্যাজ্য’ (মুসলিম হা/১৭১৮)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৬৫
হাদিস নং ১৬৫
عَنْ جَابِرٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيْثِ كِتَابُ اللهِ وَخَيْرَ الْهَدْىِ هَدْىُ مُحَمَّدٍ وَشَرَّ الأُمُوْرِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ. وَفِيْ نَسَائِي (وَكُلُّ ضَلاَلَةٍ فِى النَّارِ).
বর্ণনাকারী জাবের (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হামদ ও ছালাতের পর বলেন, ‘নিশ্চয়ই শ্রেষ্ঠ বাণী হ’ল আল্লাহর কিতাব এবং শ্রেষ্ঠ হেদায়াত হ’ল মুহাম্মাদের হেদায়াত। আর নিকৃষ্টতম কাজ হ’ল দ্বীনের মধ্যে নতুন সৃষ্টি এবং প্রত্যেক নতুন সৃষ্টিই হ’ল ভ্রষ্টতা’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১৪১)। আর নাসাঈতে রয়েছে, ‘প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণতি জাহান্নাম’ (নাসাঈ হা/১৫৭৮)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৬৬
হাদিস নং ১৬৬
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ أَبْغَضُ النَّاسِ إِلَى اللهِ ثَلاَثَةٌ مُلْحِدٌ فِى الْحَرَمِ، وَمُبْتَغٍ فِى الإِسْلاَمِ سُنَّةَ الْجَاهِلِيَّةِ، وَمُطَّلِبُ دَمِ امْرِئٍ بِغَيْرِ حَقٍّ لِيُهَرِيْقَ دَمَهُ.
বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন ‘তিন ব্যক্তি আল্লাহর নিকটে সবচেয়ে বেশী ঘৃণিত।- (১) যে ব্যক্তি হারামে নিষিদ্ধ কাজ করে (২) যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে জাহেলী যুগের রীতি চালুর আকাংখা করে (৩) যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো রক্ত কামনা করে স্রেফ রক্তপাতের উদ্দেশ্যে’ (বুখারী, মিশকাত হা/১৪২)। ইসলামী রীতি-নীতি ছাড়া সবকিছুই জাহেলী রসম-রেওয়াজ।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৬৭
হাদিস নং ১৬৭
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ كُلُّ أُمَّتِى يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ، إِلاَّ مَنْ أَبَى قِيْلَ وَمَنْ أبَى؟ قَالَ مَنْ أَطَاعَنِىْ دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَمَنْ عَصَانِىْ فَقَدْ أَبَى.
বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন ‘আমার সকল উম্মত জান্নাতে প্রবেশ করবে কেবল ঐ ব্যক্তি ব্যতীত যে অসম্মত। জিজ্ঞেস করা হ’ল, কে অসম্মত? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি আমার অবাধ্যতা করবে, সে (জান্নাতে যেতে) অসম্মত’ (বুখারী, মিশকাত হা/১৪৩)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৬৮
হাদিস নং ১৬৮
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ يَقُوْلُ جَاءَتْ مَلاَئِكَةٌ إِلَى النَّبِىِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم وَهْوَ نَائِمٌ فَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّهُ نَائِمٌ. وَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّ الْعَيْنَ نَائِمَةٌ وَالْقَلْبَ يَقْظَانُ. فَقَالُوْا إِنَّ لِصَاحِبِكُمْ هَذَا مَثَلاً فَاضْرِبُوْا لَهُ مَثَلاً. فَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّهُ نَائِمٌ. وَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّ الْعَيْنَ نَائِمَةٌ وَالْقَلْبَ يَقْظَانُ. فَقَالُوْا مَثَلُهُ كَمَثَلِ رَجُلٍ بَنَى دَارًا، وَجَعَلَ فِيْهَا مَأْدُبَةً وَبَعَثَ دَاعِيًا، فَمَنْ أَجَابَ الدَّاعِىَ دَخَلَ الدَّارَ وَأَكَلَ مِنَ الْمَأْدُبَةِ، وَمَنْ لَمْ يُجِبِ الدَّاعِىَ لَمْ يَدْخُلِ الدَّارَ وَلَمْ يَأْكُلْ مِنَ الْمَأْدُبَةِ. فَقَالُوْا أَوِّلُوْهَا لَهُ يَفْقَهْهَا فَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّهُ نَائِمٌ. وَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّ الْعَيْنَ نَائِمَةٌ وَالْقَلْبَ يَقْظَانُ. فَقَالُوْا فَالدَّارُ الْجَنَّةُ، وَالدَّاعِى مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَمَنْ أَطَاعَ مُحَمَّدًا صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَقَدْ أَطَاعَ اللهَ، وَمَنْ عَصَى مُحَمَّدًا صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَقَدْ عَصَى اللهَ، وَمُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَرْقٌ بَيْنَ النَّاسِ.
বর্ণনাকারী জাবের (রাঃ)
তিনি বলেন ‘একদিন একদল ফেরেশতা নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকটে আসলেন। এমতাবস্থায় তিনি ঘুমাচ্ছিলেন। ফেরেশতাগণ পরস্পরে বললেন যে, তোমাদের এই সাথীর জন্য একটি উদাহরণ রয়েছে। তাঁকে উদাহরণটি বল। তখন তাদের কেউ কেউ বললেন, তিনি যে নিদ্রিত। জবাবে অন্যরা বললেন, তাঁর চক্ষু নিদ্রিত কিন্তু তাঁর অন্তর জাগ্রত। তখন তাদের কেউ কেউ বললেন, তাঁর উদাহরণটি হল, যেমন এক ব্যক্তি একটি গৃহ নির্মাণ করেন। অতঃপর সেখানে একটি ভোজের আয়োজন করেন। অতঃপর (লোকদের আহ্বান করার জন্য) তিনি একজন আহ্বায়ক পাঠালেন। এখন যে ব্যক্তি তার আহ্বানে সাড়া দিল, সে উক্ত গৃহে প্রবেশ করতে পারল এবং খাদ্য গ্রহণ করল। আর যে ব্যক্তি তার আহ্বানে সাড়া দিল না, সে উক্ত গৃহে প্রবেশ করতে পারল না এবং খেতেও পারল না। অতঃপর তারা পরস্পরকে বললেন, তাঁকে এই উদাহরণের তাৎপর্য বলে দাও, যাতে তিনি বুঝতে পারেন। এবারেও কেউ কেউ বললেন, তিনি তো নিদ্রিত। অন্যরা বললেন, তাঁর চক্ষু নিদ্রিত, কিন্তু তাঁর অন্তর জাগ্রত। তারা বললেন, গৃহটি হল ‘জান্নাত’। আহ্বায়ক হলেন ‘মুহাম্মাদ’ (এবং গৃহ নির্মাণ ও খাদ্য প্রস্তুতকারী হলেন ‘আল্লাহ’)। অতএব যে ব্যক্তি মুহাম্মাদের আনুগত্য করল, সে আল্লাহর আনুগত্য করল। আর যে ব্যক্তি মুহাম্মাদের অবাধ্য হল, সে আল্লাহর অবাধ্য হল। মুহাম্মাদ হলেন মানুষের মধ্যে (ঈমান ও কুফরের) পার্থক্যকারী’ (বুখারী, মিশকাত হা/১৪৪)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৬৯
হাদিস নং ১৬৯
عَنْ أنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ يَقُولُ جَاءَ ثَلاَثَةُ رَهْطٍ إِلَى بُيُوْتِ أَزْوَاجِ النَّبِىِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يَسْأَلُونَ عَنْ عِبَادَةِ النَّبِىِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَلَمَّا أُخْبِرُوا كَأَنَّهُمْ تَقَالُّوهَا فَقَالُوا وَأَيْنَ نَحْنُ مِنَ النَّبِىِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَدْ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ وَمَا تَأَخَّرَ. قَالَ أَحَدُهُمْ أَمَّا أَنَا فَإِنِّى أُصَلِّى اللَّيْلَ أَبَدًا. وَقَالَ آخَرُ أَنَا أَصُومُ الدَّهْرَ وَلاَ أُفْطِرُ. وَقَالَ آخَرُ أَنَا أَعْتَزِلُ النِّسَاءَ فَلاَ أَتَزَوَّجُ أَبَدًا. فَجَاءَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَقَالَ أَنْتُمُ الَّذِيْنَ قُلْتُمْ كَذَا وَكَذَا أَمَا وَاللهِ إِنِّى لأَخْشَاكُمْ لِلَّهِ وَأَتْقَاكُمْ لَهُ، لَكِنِّى أَصُومُ وَأُفْطِرُ، وَأُصَلِّى وَأَرْقُدُ وَأَتَزَوَّجُ النِّسَاءَ، فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتِى فَلَيْسَ مِنِّى.
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
একদিন তিনজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রীগণের নিকটে এল তাঁর ইবাদত-বন্দেগী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য। অতঃপর যখন রাসূলের ইবাদত সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করা হল। তখন তারা যেন তাকে কম মনে করল এবং বলল, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আমরা কত দূরে! তাঁর আগে-পিছের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়েছে। অতঃপর তাদের একজন বলল, আমি এখন থেকে সর্বদা সারা রাত ছালাতে রত থাকব। অন্যজন বলল, আমি প্রতিদিন ছিয়ামে কাটাব, কখনো ইফতার করব না। অন্যজন বলল, আমি নারীসঙ্গ থেকে দূরে থাকব, কখনো বিয়ে করব না। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের মধ্যে উপস্থিত হলেন এবং বললেন, তোমরাই কি সেই লোকেরা, যারা এমনামন কথা বলছিলে? শুনে রাখ, আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক আল্লাহভীরু ও সর্বাধিক পরহেযগার। কিন্তু আমি ছিয়াম রাখি আবার ছেড়েও দেই। ছালাত পড়ি, নিদ্রাও যাই। আমি বিবাহ করেছি। অতএব যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত হতে মুখ ফিরিয়ে নিবে, সে ব্যক্তি আমার শরী‘আতের অন্তর্ভুক্ত নয়’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৪৫)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭০
হাদিস নং ১৭০
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُوْرِ مَنْ تَبِعَهُ لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُوْرِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلاَلَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا.
বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কাউকে সৎ পথের দিকে আহ্বান করে, তার জন্য সেই পরিমাণ ছওয়াব রয়েছে, যা তার অনুসারীদের জন্য রয়েছে। অথচ এতে তাদের নিজস্ব ছওয়াবে কোনরূপ কমতি হবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি কাউকে পথভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান করে, তার জন্যও ঠিক সেই পরিমাণ গোনাহ রয়েছে, যা তার অনুসারীদের জন্য রয়েছে। অথচ তাদের নিজস্ব গোনাহে কোনরূপ কমতি হবে না’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১৫৮)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭১
হাদিস নং ১৭১
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم بَدَأَ الإِسْلاَمُ غَرِيبًا وَسَيَعُوْدُ كَمَا بَدَأَ غَرِيْبًا فَطُوْبَى لِلْغُرَبَاءِ. وَفِيْ التِّرْمِذِىِّ (إِنَّ الدِّيْنَ بَدَأَ غَرِيْبًا فَطُوْبَى لِلْغُرَبَاءِ الَّذِيْنَ يُصْلِحُوْنَ مَا أَفْسَدَ النَّاسُ مِنْ بَعْدِيْ مِنْ سُنَّتِيْ).
বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেন যে, ‘ইসলাম মুষ্টিমেয় লোকদের মাধ্যমে সূচনা করেছে। সত্বর তা মুষ্টিমেয় লোকদের মধ্যেই ফিরে আসবে, যেমন সূচনাতে ছিল। অতএব সুসংবাদ হল ঐ মুষ্টিমেয় লোকদের জন্য’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১৫৯)। আর তিরমিযী গ্রন্থে রয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সংখ্যালঘু অবস্থায় দ্বীন ছড়িয়ে পড়েছে। আর সংখ্যালঘুরাই সফল। আর তারা ওরাই, যারা আমার পরে আমার সুন্নাতের সংশোধন করে মানুষ যেগুলির বিপর্যয় ঘটিয়েছে’ (তিরমিযী হা/২৬৩০)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭২
হাদিস নং ১৭২
عَنِ الْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم ذَاتَ يَوْمٍ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْنَا فَوَعَظَنَا مَوْعِظَةً بَلِيْغَةً ذَرَفَتْ مِنْهَا الْعُيُوْنُ وَوَجِلَتْ مِنْهَا الْقُلُوبُ فَقَالَ قَائِلٌ يَا رَسُوْلَ اللهِ كَأَنَّ هَذِهِ مَوْعِظَةُ مُوَدِّعٍ فَمَاذَا تَعْهَدُ إِلَيْنَا فَقَالَ أُوْصِيْكُمْ بِتَقْوَى اللهِ وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ وَإِنْ كَانَ عَبْدًا حَبَشِيًّا فَإِنَّهُ مَنْ يَعِشْ مِنْكُمْ بَعْدِى فَسَيَرَى اخْتِلاَفًا كَثِيرًا فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِى وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الْمَهْدِيِّينَ الرَّاشِدِينَ تَمَسَّكُوا بِهَا وَعَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الأُمُورِ فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ.
বর্ণনাকারী ইরবায বিন সারিয়াহ (রাঃ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন আমাদের নিয়ে ছালাত আদায় করলেন। অতঃপর আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসলেন। অতঃপর আমাদেরকে এমন মর্মস্পর্শী ভাষায় ওয়ায করলেন যে, চক্ষু সমূহ অশ্রুসজল হয়ে গেল এবং হৃদয় সমূহ ভীত-বিহ্বল হয়ে গেল। এমন সময় একজন লোক বলে উঠল, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! মনে হচ্ছে এটা বিদায়ী উপদেশ। অতএব আপনি আমাদেরকে আরও বেশী উপদেশ দিন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ ভীতির উপদেশ দিচ্ছি এবং তোমাদের আমীরের আদেশ শুনতে ও মান্য করতে উপদেশ দিচ্ছি যদিও তিনি একজন হাবশী গোলাম হন। কেননা আমার পরে তোমাদের মধ্যে যারা বেঁচে থাকবে, তারা সত্বর বহু মতভেদ দেখতে পাবে। তখন তোমরা আমার সুন্নাতকে এবং সুপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদ্বীনের সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরবে। তাকে কঠিনভাবে ধরবে এবং মাড়ির দাঁত সমূহ দিয়ে কামড়ে ধরে থাকবে। সাবধান! দ্বীনের মধ্যে নতুন সৃষ্টি হতে দূরে থাকবে। কেননা (দ্বীনের ব্যাপারে) যেকোন নতুন সৃষ্টি হল বিদ‘আত এবং প্রত্যেক বিদ‘আত হল পথভ্রষ্টতা’ (আহমাদ, আবুদাঊদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/১৬৫)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭৩
হাদিস নং ১৭৩
عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم حِينَ أَتَاهُ عُمَرُ فَقَالَ إِنَّا نَسْمَعُ أَحَادِيثَ مِنْ يَهُودَ تُعْجِبُنَا أَفْتَرَى أَنْ نَكْتُبَ بَعْضَهَا؟ فَقَال أَمُتَهَوِّكُوْنَ أَنْتُمْ كَمَا تَهَوَّكَتِ الْيَهُوْدُ وَالنَّصَارَى؟ لَقَدْ جِئْتُكُمْ بِهَا بَيْضَاءَ نَقِيَّةً وَلَوْ كَانَ مُوْسَى حَيًّا مَا وَسِعَهُ إِلاَّ إِتِّبَاعِيْ.
বর্ণনাকারী জাবের (রাঃ)
জাবের (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, একদিন যখন ওমর (রাঃ) তাঁর কাছে এসে বললেন, আমরা ইহুদীদের নিকটে তাদের অনেক পুরানো ধর্মীয় কাহিনীগুলি, যা আমাদের নিকটে চমৎকার বোধ হয়, তার কিছু কিছু লিখে রাখার জন্য আপনি আমাদের অনুমতি দিবেন কি? তখন জবাবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘তোমরা কি দিকভ্রান্ত হয়েছ, যেমন ইহুদী-নাছারারা দিকভ্রান্ত হয়েছে? অথচ আমি তোমাদের কাছে এসেছি উজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন দ্বীন নিয়ে। যদি আজকে মূসাও বেঁচে থাকতেন, তাহলে তাঁর পক্ষেও আমার অনুসরণ ব্যতীত গত্যন্তর থাকত না’ (আহমাদ, বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, মিশকাত হা/১৭৭)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭৪
হাদিস নং ১৭৪
عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ مُرْسَلًا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم تَرَكْتُ فِيْكُمْ أَمْرَيْنِ لَنْ تَضِلُّوْا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا كِتَابَ اللهِ وَسُنَّةَ رَسُوْلِهِ.
বর্ণনাকারী ইমাম মালেক বিন আনাস (রাঃ)
ইমাম মালেক বিন আনাস (রাঃ) মুরসাল সূত্রে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেন যে, ‘আমি তোমাদের মাঝে দু’টি বস্তু ছেড়ে গেলাম। তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না, যতদিন তোমরা সে দু’টিকে কঠিনভাবে ধরে থাকবে। সে দু’টি বস্তু হল : আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সুন্নাত’ (মুওয়াত্ত্বা, মিশকাত হা/১৮৬)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭৫
হাদিস নং ১৭৫
عَنْ حَسَّانَ قَالَ مَا ابْتَدَعَ قَوْمٌ بِدْعَةً فِيْ دِيْنِهِمْ إِلاَّ نَزَعَ اللهُ مِنْ سُنَّتِهِمْ مِثْلَهَا ثُمَّ لاَ يُعِيْدُهَا إِلَيْهِمْ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ.
বর্ণনাকারী হাসসান বিন আত্বিয়াহ মুহারেবী (রাঃ)
‘যখনই কোন সম্প্রদায় তাদের দ্বীনের মধ্যে কোন বিদ‘আত সৃষ্টি করে, তখনই আল্লাহ তাদের মধ্য হতে সেই পরিমাণ সুন্নাত উঠিয়ে নেন। অতঃপর ক্বিয়ামত অবধি তা আর তাদের মধ্যে ফিরে আসে না’ (দারেমী, মিশকাত হা/১৮৮)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭৬
হাদিস নং ১৭৬
عَنْ جَابِرٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ فَقَالَ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم وَالَّذِيْ نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَوْ بَدَا لَكُمْ مُوْسَى فَاتَّبَعْتُمُوْهُ وَتَرَكْتُمُوْنِي لَضَلَلْتُمْ عَنْ سَوَاءِ السَّبِيْلِ وَلَوْ كَانَ حَيًّا وَأَدْرَكَ نُبُوَّتِيْ لاَتَّبَعَنِيْ.
বর্ণনাকারী জাবের (রাঃ)
ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন নিহিত, তার কসম করে বলছি, যদি আজ মূসা তোমাদের নিকটে আবির্ভূত হতেন। আর তোমরা তার অনুসরণ করতে এবং আমাকে পরিত্যাগ করতে, তাহলে অবশ্যই তোমরা সরল পথ হতে বিচ্যুত হতে। যদি মূসা বেঁচে থাকতেন ও আমার নবুঅতকাল পেতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি আমার অনুসরণ করতেন’ (দারেমী, মিশকাত হা/১৯৪)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭৭
হাদিস নং ১৭৭
عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: مَا كَتَبْنَا عَنْ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِلَّا الْقُرْآنَ وَمَا فِيْ هَذِهِ الصَّحِيفَةِ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم: الْمَدِينَةُ حَرَامٌ مَا بَيْنَ عَيْرٍ إِلَى ثَوْرٍ فمنْ أحدَثَ فِيهَا حَدَثًا أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ ذمَّةُ المسلميْنَ واحدةٌ يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ وَمَنْ وَالَى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِيْنَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلاَ عَدْلٌ.
বর্ণনাকারী আলী (রাঃ)
কুরআন এবং এই কাগজে যা আছে তা ব্যতীত আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিকট হতে আর কিছু লিখে নেইনি। তিনি বলেন, এতে আছে- রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মদীনা হারাম (সম্মানার্হ) আইর হতে সওর পর্যন্ত। যে তাতে কোন বিদ‘আত সৃষ্টি করবে অথবা বিদ‘আত সৃষ্টিকারীকে আশ্রয় দিবে, তার উপর আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ এবং মানুষ সকলেরই অভিসম্পাত। তার ফরয বা নফল কিছুই কবুল করা হবে না। সকল মুসলমানের প্রতিশ্রুতি এক, তাদের ক্ষুদ্র ব্যক্তিও তার চেষ্টা করতে পারে। অতএব যে ব্যক্তি কোন মুসলামানে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে তার উপর আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ এবং সকল মানুষের লা‘নত; তার ফরয বা নফল কোনটাই গ্রহণ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি নিজের মালিকদের অনুমতি ব্যতীত অন্য সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করবে, তার উপর আল্লাহ্ ও ফেরেশতাগণ এবং সকল মানুষের লা‘নত; তার ফরয বা নফল কোনটাই গ্রহণ করা হবে না’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৭২৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২৬০৮)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭৮
হাদিস নং ১৭৮
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِنِّي قَدْ تَرَكْتُ فِيكُمْ مَا إِنِ اعْتَصَمْتُمْ بِهِ فَلَنْ تَضِلُّوا أَبَدًا: كِتَابُ اللهِ، وَسُنَّةُ نَبِيِّهِ الْحَدِيْث.
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মাঝে যা ছেড়ে যাচ্ছি, তা শক্তভাবে গ্রহণ করলে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। আর তা হচ্ছে- আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর নবীর সুন্নাত’ (আত-তারগীব হা/৬২)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৭৯
হাদিস নং ১৭৯
عَنِ ابْنِ مَسْعُوْدٍ رضي الله عنه قَالَ الِاقْتِصَادُ فِي السُّنَّةِ أَحْسَنُ مِنَ الِاجْتِهَادِ فِي الْبِدْعَةِ.
বর্ণনাকারী ইবনু মাসঊদ (রাঃ)
‘শরী‘আতে নতুন কাজ সম্পর্কে চিন্তা করার চেয়ে মধ্যম পন্থায় সুন্নাতের উপর আমল করা অতীব উত্তম’ (আত-তারগীব হা/৬৩)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৮০
হাদিস নং ১৮০
عَنْ عُمَرَ رضى الله عنه أَنَّهُ جَاءَ إِلَى الْحَجَرِ الأَسْوَدِ فَقَبَّلَهُ، فَقَالَ إِنِّىْ أَعْلَمُ أَنَّكَ حَجَرٌ لاَ تَضُرُّ وَلاَ تَنْفَعُ، وَلَوْلاَ أَنِّى رَأَيْتُ النَّبِىَّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يُقَبِّلُكَ مَا قَبَّلْتُكَ.
বর্ণনাকারী উমর (রাঃ)
তিনি হাজারে আসওয়াদের কাছে এসে তা চুম্বন করে বললেন, আমি অবশ্যই জানি যে, তুমি একখানা পাথর মাত্র, তুমি কারো কল্যাণ বা অকল্যাণ করতে পারো না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তোমায় চুম্বন করতে না দেখলে আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না’ (বুখারী হা/১৫৯৭)।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৮১
হাদিস নং ১৮১
عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ كُنَّا مَعَ ابْنِ عُمَرَ فِيْ سَفَرٍ، فَمَرَّ بِمَكَانٍ فَحَادَ عَنْهُ، فَسُئِلَ لِمَ فَعَلْتَ؟ فَقَالَ رَأَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَعَلَ هَذَا فَفَعَلْتُ.
বর্ণনাকারী তাবেঈ মুজাহিদ (রহঃ)
আমরা একদা এক সফরে ইবনু ওমরের সাথে ছিলাম। তিনি এক স্থান দিয়ে পার হওয়ার সময় একটু জায়গা রাস্তা থেকে সরে পার হলেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হল- আপনি কেন এরূপ করলেন? তিনি বললেন, আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এই স্থানে এরূপ করতে দেখেছি, তাই আমি করলাম’ (আহমাদ হা/৪৮৭০; তারগীব হা/৭০)। একেই অনুসরণ বলে।
ঊপদেশঊপদেশ : ১৮২
হাদিস নং ১৮২
عَنْ أَبِيْ بَرْزَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِنَّمَا أَخْشَى عَلَيْكُمْ شَهَوَاتِ الْغَيِّ فِيْ بُطُوْنِكُمْ وَفُرُوْجِكُمْ وَمُضِلَّاتِ الْهَوَى.
বর্ণনাকারী আবু বারযাহ আসলামী (রাঃ)
নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমি তোমাদের ব্যাপারে তোমাদের অবৈধ উপার্জনের প্রবৃত্তি এবং অশ্লীল কাজে লিপ্ত হওয়ার প্রবৃত্তি সম্পর্কে ভয় করি এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করে সুন্নাতের ব্যাপারে ভ্রান্ত পথে চলার আশংকা করি’ (মুসনাদু বাযযার হা/৩৮৪৪; আত-তারগীব হা/৭৭)।