আল কোরআন পৃষ্ঠা ৩৭৫

মোট আয়াত: ২৩মোট সূরা: ১

আশ-শুআ'রা ১৮৪ - আশ-শুআ'রা ২০৬

২৬

সূরা আশ-শুআ'রা

আয়াত-২২৭, মক্কি

২৬:১৮৪

وَٱتَّقُوا۟ ٱلَّذِى خَلَقَكُمْ وَٱلْجِبِلَّةَ ٱلْأَوَّلِينَ ١٨٤

Ahsanul Bayaan

‘যিনি তোমাদেরকে ও পূর্ববর্তী প্রজন্মসমূহকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর তাকওয়া অবলম্বন কর’।

২৬:১৮৫

قَالُوٓا۟ إِنَّمَآ أَنتَ مِنَ ٱلْمُسَحَّرِينَ ١٨٥

Ahsanul Bayaan

তারা বলল, ‘তুমি তো কেবল যাদুগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত’।

২৬:১৮৬

وَمَآ أَنتَ إِلَّا بَشَرٌۭ مِّثْلُنَا وَإِن نَّظُنُّكَ لَمِنَ ٱلْكَـٰذِبِينَ ١٨٦

Ahsanul Bayaan

‘তুমি কেবল আমাদের মত একজন মানুষ। আর আমরা তোমাকে অবশ্যই মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করি’।

২৬:১৮৭

فَأَسْقِطْ عَلَيْنَا كِسَفًۭا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّـٰدِقِينَ ١٨٧

Ahsanul Bayaan

‘অতএব, তুমি যদি সত্যবাদী হও, তবে আসমান থেকে এক টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও’।

২৬:১৮৮

قَالَ رَبِّىٓ أَعْلَمُ بِمَا تَعْمَلُونَ ١٨٨

Ahsanul Bayaan

সে বলল, ‘তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আমার রব অধিক জ্ঞাত’।

২৬:১৮৯

فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَهُمْ عَذَابُ يَوْمِ ٱلظُّلَّةِ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ ١٨٩

Ahsanul Bayaan

অতঃপর তারা তাকে অস্বীকার করল। ফলে তাদেরকে এক মেঘাচ্ছন্ন দিবসের আযাব পাকড়াও করল। অবশ্যই তা ছিল এক মহা দিবসের আযাব।

২৬:১৯০

إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَةًۭ ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ١٩٠

Ahsanul Bayaan

নিশ্চয় এতে অনেক নিদর্শন রয়েছে। আর তাদের অধিকাংশই মুমিন ছিল না।

২৬:১৯১

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ ١٩١

Ahsanul Bayaan

আর নিশ্চয় তোমার রব তিনি তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

২৬:১৯২

وَإِنَّهُۥ لَتَنزِيلُ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ١٩٢

Ahsanul Bayaan

আর নিশ্চয় এ কুরআন সৃষ্টিকুলের রবেরই নাযিলকৃত।

২৬:১৯৩

نَزَلَ بِهِ ٱلرُّوحُ ٱلْأَمِينُ ١٩٣

Ahsanul Bayaan

বিশ্বস্ত আত্মা* এটা নিয়ে অবতরণ করেছে। * এখানে 'বিশ্বস্ত আত্মা'দ্বারা জিবরীল (আ:) কে বুঝানো হয়েছে।

২৬:১৯৪

عَلَىٰ قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ ٱلْمُنذِرِينَ ١٩٤

Ahsanul Bayaan

তোমার হৃদয়ে, যাতে তুমি সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।

২৬:১৯৫

بِلِسَانٍ عَرَبِىٍّۢ مُّبِينٍۢ ١٩٥

Ahsanul Bayaan

সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

২৬:১৯৬

وَإِنَّهُۥ لَفِى زُبُرِ ٱلْأَوَّلِينَ ١٩٦

Ahsanul Bayaan

আর অবশ্যই তা রয়েছে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে।

২৬:১৯৭

أَوَلَمْ يَكُن لَّهُمْ ءَايَةً أَن يَعْلَمَهُۥ عُلَمَـٰٓؤُا۟ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ١٩٧

Ahsanul Bayaan

এটা কি তাদের জন্য একটি নিদর্শন নয় যে, বনী ইসরাঈলের পন্ডিতগণ তা জানে?

২৬:১৯৮

وَلَوْ نَزَّلْنَـٰهُ عَلَىٰ بَعْضِ ٱلْأَعْجَمِينَ ١٩٨

Ahsanul Bayaan

আর আমি যদি এটাকে কোন অনারবের প্রতি নাযিল করতাম।

২৬:১৯৯

فَقَرَأَهُۥ عَلَيْهِم مَّا كَانُوا۟ بِهِۦ مُؤْمِنِينَ ١٩٩

Ahsanul Bayaan

অতঃপর সে তা তাদের নিকট পাঠ করত। তবুও তারা এতে মুমিন হত না।

২৬:২০০

كَذَٰلِكَ سَلَكْنَـٰهُ فِى قُلُوبِ ٱلْمُجْرِمِينَ ٢٠٠

Ahsanul Bayaan

এভাবেই আমি বিষয়টি অপরাধীদের অন্তরে সঞ্চার করেছি।

২৬:২০১

لَا يُؤْمِنُونَ بِهِۦ حَتَّىٰ يَرَوُا۟ ٱلْعَذَابَ ٱلْأَلِيمَ ٢٠١

Ahsanul Bayaan

যতক্ষণ না তারা যন্ত্রণাদায়ক আযাব প্রত্যক্ষ করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা এতে ঈমান আনবে না।

২৬:২০২

فَيَأْتِيَهُم بَغْتَةًۭ وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ ٢٠٢

Ahsanul Bayaan

সুতরাং তা আকস্মিকভাবে তাদের নিকট এসে পড়বে, অথচ তারা উপলদ্ধি করতে পারবে না।

২৬:২০৩

فَيَقُولُوا۟ هَلْ نَحْنُ مُنظَرُونَ ٢٠٣

Ahsanul Bayaan

তখন তারা বলবে, ‘আমাদেরকে কি অবকাশ দেয়া হবে?’

২৬:২০৪

أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ ٢٠٤

Ahsanul Bayaan

তাহলে কি তারা আমার আযাব ত্বরান্বিত করতে চায়?

২৬:২০৫

أَفَرَءَيْتَ إِن مَّتَّعْنَـٰهُمْ سِنِينَ ٢٠٥

Ahsanul Bayaan

তুমি কি লক্ষ্য করেছ, আমি যদি তাদেরকে দীর্ঘকাল ভোগ-বিলাসের সুযোগ দিতাম।

২৬:২০৬

ثُمَّ جَآءَهُم مَّا كَانُوا۟ يُوعَدُونَ ٢٠٦

Ahsanul Bayaan

অতঃপর তাদেরকে যে বিষয়ে ওয়াদা করা হয়েছে, তা তাদের নিকট এসে পড়ত,

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18