ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا ٱلضَّآلُّونَ ٱلْمُكَذِّبُونَ ٥١
তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা,
আল-ওয়াকিয়া ৫১ - আল-ওয়াকিয়া ৭৬
আয়াত-৯৬, মক্কি
ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا ٱلضَّآلُّونَ ٱلْمُكَذِّبُونَ ٥١
তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা,
لَـَٔاكِلُونَ مِن شَجَرٍۢ مِّن زَقُّومٍۢ ٥٢
তোমরা অবশ্যই যাক্কূম গাছ থেকে খাবে,
فَمَالِـُٔونَ مِنْهَا ٱلْبُطُونَ ٥٣
অতঃপর তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে।
فَشَـٰرِبُونَ عَلَيْهِ مِنَ ٱلْحَمِيمِ ٥٤
তদুপরি পান করবে প্রচন্ড উত্তপ্ত পানি।
فَشَـٰرِبُونَ شُرْبَ ٱلْهِيمِ ٥٥
অতঃপর তোমরা তা পান করবে তৃষ্ণাতুর উটের ন্যায়।
هَـٰذَا نُزُلُهُمْ يَوْمَ ٱلدِّينِ ٥٦
প্রতিফল দিবসে এই হবে তাদের মেহমানদারী,
نَحْنُ خَلَقْنَـٰكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ ٥٧
আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি: তাহলে কেন তোমরা তা বিশ্বাস করছ না?
أَفَرَءَيْتُم مَّا تُمْنُونَ ٥٨
তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমরা যে বীর্যপাত করছ সে সম্পর্কে?
ءَأَنتُمْ تَخْلُقُونَهُۥٓ أَمْ نَحْنُ ٱلْخَـٰلِقُونَ ٥٩
তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না আমিই তার স্রষ্টা?
نَحْنُ قَدَّرْنَا بَيْنَكُمُ ٱلْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ ٦٠
আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারণ করেছি এবং আমাকে অক্ষম করা যাবে না,
عَلَىٰٓ أَن نُّبَدِّلَ أَمْثَـٰلَكُمْ وَنُنشِئَكُمْ فِى مَا لَا تَعْلَمُونَ ٦١
তোমাদের স্থানে তোমাদের বিকল্প আনয়ন করতে এবং তোমাদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জান না।
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ ٱلنَّشْأَةَ ٱلْأُولَىٰ فَلَوْلَا تَذَكَّرُونَ ٦٢
আর তোমরা তো প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে জেনেছ, তবে কেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ করছ না?
أَفَرَءَيْتُم مَّا تَحْرُثُونَ ٦٣
তোমরা আমাকে বল, তোমরা যমীনে যা বপন কর সে ব্যাপারে,
ءَأَنتُمْ تَزْرَعُونَهُۥٓ أَمْ نَحْنُ ٱلزَّٰرِعُونَ ٦٤
তোমরা তা অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি?
لَوْ نَشَآءُ لَجَعَلْنَـٰهُ حُطَـٰمًۭا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ ٦٥
আমি চাইলে তা খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন তোমরা পরিতাপ করতে থাকবে-
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ ٦٦
(এই বলে,) ‘নিশ্চয় আমরা দায়গ্রস্ত হয়ে গেলাম’।
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ٦٧
‘বরং আমরা মাহরূম হয়েছি’।
أَفَرَءَيْتُمُ ٱلْمَآءَ ٱلَّذِى تَشْرَبُونَ ٦٨
তোমরা যে পানি পান কর সে ব্যাপারে আমাকে বল।
ءَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ ٱلْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ ٱلْمُنزِلُونَ ٦٩
বৃষ্টিভরা মেঘ থেকে তোমরা কি তা বর্ষণ কর, না আমি বৃষ্টি বর্ষণকারী?
لَوْ نَشَآءُ جَعَلْنَـٰهُ أُجَاجًۭا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ ٧٠
ইচ্ছা করলে আমি তা লবণাক্ত করে দিতে পারি: তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞ হও না?
أَفَرَءَيْتُمُ ٱلنَّارَ ٱلَّتِى تُورُونَ ٧١
তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে ব্যাপারে আমাকে বল,
ءَأَنتُمْ أَنشَأْتُمْ شَجَرَتَهَآ أَمْ نَحْنُ ٱلْمُنشِـُٔونَ ٧٢
তোমরাই কি এর (লাকড়ির গাছ) উৎপাদন কর, না আমি করি?
نَحْنُ جَعَلْنَـٰهَا تَذْكِرَةًۭ وَمَتَـٰعًۭا لِّلْمُقْوِينَ ٧٣
একে আমি করেছি এক স্মারক ও মরুবাসীর প্রয়োজনীয় বস্তু।
فَسَبِّحْ بِٱسْمِ رَبِّكَ ٱلْعَظِيمِ ٧٤
অতএব তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর।
۞ فَلَآ أُقْسِمُ بِمَوَٰقِعِ ٱلنُّجُومِ ٧٥
সুতরাং আমি কসম করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,
وَإِنَّهُۥ لَقَسَمٌۭ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ ٧٦
আর নিশ্চয় এটি এক মহাকসম, যদি তোমরা জানতে,
32
18