১. আল্লাহ্র কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া; ২. আযান দেওয়া; [১] ৩. যিক্র ও কুরআন পাঠ করা; এবং [২] ৪. সালাতের মধ্যে ও কুরআন পাঠের সময় শয়তান ওয়াসওয়াসা দিলে বামদিকে তিনবার থুতু ছিটানো। তাছাড়া আরও যা শয়তানকে তাড়িয়ে দেয় তা হচ্ছে, সকাল বিকালের যিক্রসমূহ, ঘুমের যিক্র, জাগ্রত হওয়ার যিক্র, ঘরে প্রবেশের ও ঘর থেকে বের হওয়ার যিক্রসমূহ, মসজিদে প্রবেশের ও মসজিদ থেকে বের হওয়ার যিক্রসমূহ, ইত্যাদি শরী‘আতসম্মত যিক্রসমূহ। যেমন, ঘুমের সময় আয়াতুল কুরসী, সূরা আল-বাকারার সর্বশেষ দু’টি আয়াত। তাছাড়া যে ব্যক্তি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর” একশতবার পড়বে, সেটা তার জন্য সে দিনটির জন্য পুরোপুরিই হেফাযতের কাজে দিবে। তদ্রুপ আযান দিলেও শয়তান পলায়ন করে। নবী (ﷺ) বলেন, “তোমরা তোমাদের ঘরসমূহ কবরে পরিণত করো না। নিশ্চয় শয়তান ঐ ঘর থেকে পলায়ন করে যেখানে সূরা বাকারাহ্ পাঠ করা হয়।” [মুসলিমঃ ৭৮০]
জিন থেকে রক্ষার অত্যন্ত কার্যকরী মাসনুন আমল
৩৫২. জিন থেকে রক্ষার অত্যন্ত কার্যকরী মাসনুন আমল