এস্তেখারার (কল্যাণ কামনার) সালাত সম্পর্কিত মাসায়েল
মনকে স্থির করার জন্য কী করা উচিত?
০ বার পড়া হয়েছে২ মিনিটে পড়ুন
উত্তরদাতা আলেম
যদি একবারে মনকে স্থির করার ব্যাপারে একাগ্রতা সৃষ্টি না হয় তাহলে এ কাজটি বারবার করবে। عَنْ جَابِرٍ (رَضِيَ) قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يُعَلِّمُنَا الِاسْتِخَارَةَ فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا كَمَا يُعَلِّمُنَا السُّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ يَقُولُ إِذَا هَمَّ أَحَدُكُمْ بِالْأَمْرِ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ مِنْ غَيْرِ الْقَرِيبَةِ ثُمَّ لِيَقُلْ . (اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْتَخِيْرُكَ بِعِلْمِكَ وَاَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَاَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيْمِ فَاِنَّكَ تَقْدِرُ وَلَا اَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلَا اَعْلَمُ وَاَنْتَ عَلَّامُ الْغُيُوْبِ . اَللّٰهُمَّ اِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ اَنَّ هٰذَا الْاَمْرَ خَيْرٌ لِّيْ فِيْ دِيْنِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ اَمْرِيْ اَوْ قَالَ فِي عَاجِلِ أَمْرِي وَأَجِلِهِ فَاقْدِرْ لِي وَيَسِّرْ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الْأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي أَوْ قَالَ فِي عَاجِلِ أَمْرِي وَأَجِلِهِ فَاصْرِفْهُ عَنِّي وَاصْرِفْنِي عَنْهُ وَاقْدِرْ لِي الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ رَضِّنِي وَيُسَمَّى حَاجَتَهُ. জাবের (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদেরকে সকল কাজের জন্য এস্তেখারার দোয়া এভাবেই শিখাতেন যেভাবে কুরআন মজীদের কোন সূরা শিখাতেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলতেন, যখন কোন ব্যক্তি কোন কাজের ইচ্ছা করে তখন দুই রাকাত নফল আদায় করবে পরে এই দোয়া করবে। “হে আল্লাহ! আমি তোমার ইলমের মাধ্যমে তোমার নিকট কল্যাণ কামনা করছি। তোমার কুদরতের মাধ্যমে তোমার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং তোমার মহান অনুগ্রহের প্রার্থনা করছি, কেননা, তুমি শক্তিধর, আমি শক্তিহীন। তুমি জ্ঞানবান, আমি জ্ঞানহীন এবং তুমি অদৃশ্য বিষয় প্রসঙ্গে পূর্ণ জ্ঞানী। হে আল্লাহ! এই কাজটি (এখানে উদ্দিষ্ট কাজ বা বিষয়টি শব্দযোগে অথবা মনে মনে উল্লেখ করবে) তোমার জ্ঞান অনুযায়ী যদি আমার দীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে দুনিয়া ও আখিরাতে জন্য কল্যাণকর হয় তবে উহা আমার জন্য নির্ধারিত কর এবং উহাকে আমার জন্য সহজলভ্য করে দাও, তারপর উহাতে আমার জন্য বরকত দাও। পক্ষান্তরে এ কাজটি তোমার জ্ঞান অনুযায়ী যদি আমার দীন, আমার জীবিকা, আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে দুনিয়া ও আখিরাতে জন্য ক্ষতিকর হয় তবে তুমি উহা আমার নিকট থেকে দূরে সরিয়ে দাও এবং আমাকে উহা থেকে দূরে সরিয়ে রাখ এবং যেখানেই কল্যাণ থাকুক, আমার জন্য সে কল্যাণ নির্ধারিত করে দাও। অতঃপর তাতেই আমাকে সন্তুষ্ট রাখ।” [সহীহ আল বুখারী : ১/৪৭৫, হাদীস নং-১০৮৮] مَسَائِلُ صَلَاةِ الضُّحَىٰ