আকীদাহ-বিশ্বাস
‘ইয়া রাসূলুল্লাহ’, ‘ইয়া আলী’, বা ‘ইয়া জীলানী’ বলা বৈধ কি?
০ বার পড়া হয়েছে২ মিনিটে পড়ুন
উত্তরদাতা আলেম
উদ্দেশ্য যদি আপদে-বিপদে আহ্বান বা সাহায্য প্রার্থনা করা হয়, তাহলে তা শির্কে আকবার। এমন শির্ক মুসলিমকে ইসলাম থেকে খারিজ ক’রে দেয়। মহান আল্লাহ বলেন, {أَمَّنْ يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ السُّوءَ وَيَجْعَلُكُمْ خُلَفَاءَ الْأَرْضِ أَإِلَهٌ مَّعَ اللَّهِ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ} (٦٢) سورة النمل অর্থাৎ, অথবা তিনি, যিনি আর্তের আহবানে সাড়া দেন, যখন সে তাঁকে ডাকে এবং বিপদ-আপদ দূরীভূত করেন এবং তোমাদেরকে পৃথিবীর প্রতিনিধি করেন। আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? তোমরা অতি সামান্যই উপদেশ গ্রহণ ক’রে থাক। (নামল : ৬২) {وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنْ يَدْعُو مِنْ دُونِ اللَّهِ مَنْ لَّا يَسْتَجِيبُ لَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَهُمْ عَنْ دُعَائِهِمْ غَافِلُونَ} (٥) سورة الأحقاف অর্থাৎ, সে ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক বিভ্রান্ত কে, যে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে, যা কিয়ামত দিবস পর্যন্তও তার ডাকে সাড়া দেবে না? আর তারা তাদের ডাক সম্বন্ধে অবহিতও নয়। (আহক্বাফ : ৫) প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, কোন সৃষ্টির কাছে সাহায্য প্রার্থনার আহ্বান তিন শর্তে বৈধ :- ১। যার নিকট সাহায্য চাওয়া হবে, তাকে পার্থিব জীবনে জীবিত থাকতে হবে। ২। তাকে উপস্থিত বা আহ্বান শুনতে পাচ্ছে এমন অবস্থায় থাকতে হবে। ৩। যে সাহায্য চাওয়া হচ্ছে, সে সাহায্য করার মতো তার ক্ষমতা থাকতে হবে। (দলীল ‘তাওহীদ-কৌমুদী’তে দ্রঃ)