ইমামতি প্রসঙ্গে মাসায়েল
সালাতরত অবস্থায় সামনে-পেছনে আসা যাওয়া কী জায়েয?
০ বার পড়া হয়েছে২ মিনিটে পড়ুন
উত্তরদাতা আলেম
সালাতরত অবস্থায় দু এক কদম সামনে পেছনে হওয়া জায়েয। عَنْ جَابِرٍ (رَضِيَّ) قَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لِيُصَلِّيَ فَجِئْتُ حَتَّى قُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ فَأَخَذَ بِيَدِي فَأَدَارَنِي حَتَّى أَقَامَنِي عَنْ يَمِينَهُ ثُمَّ جَاءَ جَبَّارُ بْنُ صَخْرِ فَقَامَ عَنْ يَسَارِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَأَخَذَ بِيَدَيْنَا جَمِيعًا فَدَفَعَنَا حَتَّى أَقَامَنَا خَلْفَهُ. জাবের (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ একদা সালাতের জন্য দাঁড়ালেন এমন সময় আমি এসে তাঁর বাম দিকে দাঁড়ালাম। নবী করীম ﷺ আমার হাত ধরে ঘুরিয়ে ডান দিকে দাঁড় করালেন। অতঃপর জব্বার ইবনে ছখর এসে যখন বাম পার্শ্বে দাঁড়ালেন তখন নবী করীম ﷺ আমাদের উভয়কে হাত ধরে পেছনে ঠেলে দিলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। [মিশকাত শরীফ : ৩/৮২, হাদীস নং-১০৩৯ (তাহকীক আলবানী) নং-১১০৭] ধ্রু-১৬৬. মানুষ যে ইমামকে পছন্দ করেন না, সে ইমামের ইমামতি কী বৈধ? মানুষ যে ইমামকে পছন্দ করেন না তারপরও সে ইমামতি করলে তার ইমামতি মাকরুহ হবে। عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ (رَضِيَ) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ ثَلَاثَةٌ لَا تَرْفَعُ لَهُمْ صَلَاتُهُمْ فَوْقَ رُءُوسِهِمْ شِبْرًا رَجُلٌ أُمُّ قَوْمٍ وَهُمْ لَهُ كَارِهُونَ وَامْرَأَةٌ بَاتَتْ وَزَوْجُهَا عَلَيْهَا سَاخِطٌ وَالْعَبْدُ الْأَبَقُ - আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, তিন ব্যক্তির সালাত তাদের মাথার ওপর এক বিঘতও উঠানো হয় না (অর্থাৎ আল্লাহর নিকট কবুল হয় না)। ১. যে ব্যক্তি লোকের ইমামতি করে অথচ লোকজন তাকে অপছন্দ করেন। ২. সেই নারী যে রাত্রি যাপন করে অথচ তার স্বামী তার ওপর অসন্তুষ্ট। ৩. পলায়িত দাস। [মেশকাত শরীফ : ৩/৯৫, হাদীস নং-১০৬০, সহীহ সুনানি ইবনে মাজা : প্রথম খণ্ড, হাদীস নং-৭৯২] مَسَائِلُ الْمَأْمُومُ