অমুসলিমদের সাথে ব্যবহার
বেনামাযীকে ‘কাফের’ বলাতে দোষ আছে কি?
০ বার পড়া হয়েছে২ মিনিটে পড়ুন
উত্তরদাতা আলেম
মহানবী ﷺ বলেন, “মানুষ এবং কুফর ও শিরকের মাঝে (অন্তরাল) নামায ত্যাগ।” (মুসলিম ৮২নং) তিনি আরো বলেন, “আমাদের মাঝে ও ওদের মাঝে চুক্তিই হল নামায। সুতরাং যে ব্যক্তি তা পরিত্যাগ করে, সে কাফের।” (তিরমিযী ২৬২১নং, ইবনে মাজাহ ১০৭৯নং, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।) আমীরুল মু’মিনীন উমার রَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ বলেন, “যে ব্যক্তি নামায ত্যাগ করে, তার জন্য ইসলামে কোন অংশ নেই।” (বাইহাক্বী ৬৭৩৪নং, ইবনে আবী শাইবাহ ৩৭০৭৪নং) ইবনে মাসউদ রَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ বলেন, ‘যার নামায নেই, তার দ্বীন নেই।’ (সং তারগীব ৫৭৪নং) আবু দার্দা রَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ বলেন, ‘যার নামায নেই, তার ঈমান নেই।’ (ঐ ৫৭৫নং) আব্দুল্লাহ বিন শাক্কীক বলেন, ‘নবী ﷺ-এর সাহাবাবৃন্দ নামায ছাড়া অন্য কোন আমল ত্যাগ করাকে কুফরী মনে করতেন না।’ (তিরমিযী) কিন্তু আপনি তাকে ‘কাফের’ বলবেন না। অথবা সম্বোধনের সময় ‘এ কাফের!’ বলবেন না। যেহেতু যে নামায পড়ে না, সে কাফের। কিন্তু আপনি যে বেনামাযীকে ‘কাফের’ বলছেন, সে প্রকৃতপক্ষে কাফের কি না, তা আপনি জানেন না। কারণ ‘কাফের’ বলার আগে অনেক কিছু দেখবার ও ভাববার আছে। সুতরাং আপনি তাকে সরাসরি ‘তুমি কাফের’ না বলে বলবেন, ‘যে নামায পড়ে না, সে কাফের।’ অতঃপর তাকে নসীহত করবেন। তার সামনে দলীল পেশ করবেন। তার সন্দেহ নিরসন করবেন। আর সে সব না পারলে আপনি ‘কাফের’ বলার কে? (ইবা)