কসম ও নযর
কাফফারা কীভাবে আদায় করা যাবে?
০ বার পড়া হয়েছে১ মিনিটে পড়ুন
আব্দুল হামীদ ফাইযী
উত্তরদাতা আলেম
দশজন মিসকীনের মধ্যম ধরনের খাবার তৈরি ক’রে দুপুরে অথবা রাতে তাদেরকে ডেকে খাইয়ে দিন। অথবা তাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিন। অথবা মাথাপিছু সওয়া এক কিলো ক’রে (সর্বমোট সাড়ে বারো কিলো) চাল তাদের মাঝে বণ্টন ক’রে দিন। দশজন মিসকীন না পাওয়া গেলে পাঁচজন হলে দু’বেলা খাওয়ান অথবা আড়াই কিলো ক’রে চাল দিয়ে দিন। কাপড় দিলে মহিলাকে মধ্যম দামের শাড়ি দিন, পুরুষকে মধ্যম দামের লুঙ্গি-গেঞ্জি দিন। খাদ্য ও বস্ত্রদানে অক্ষম হলে তবেই তিনদিন রোযা রাখুন। খাদ্য দেওয়ার ক্ষমতা ও উপায় থাকতে রোযা রাখলে কাফফারা আদায় হবে না।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
আরও পড়ুন
সম্পর্কিত ইসলামিক প্রশ্নোত্তর
একই বিষয়ের আরও প্রশ্ন দেখুন এবং নির্ভরযোগ্য scholarly guidance-এর সঙ্গে শেখা চালিয়ে যান।
আমি কসম ক’রে তা ভেঙ্গে ফেলেছি। এখন তার কাফফারায় তিনটি রোযা রাখলে আমার জন্য যথেষ্ট হবে কি?
কসম ও নযর
সউদিয়া আসার আগে আমি মানত করেছি, দেশে ফিরে গিয়ে অমুক মাজারে একটি খাসি দেব। এখন জানতে পেরেছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে মানত মানা শির্ক। এখন আমি কী করতে পারি?
কসম ও নযর
আল্লাহর সঙ্গে চুক্তি ক’রে নযর মানা কী?
কসম ও নযর
বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার করা কসম ভঙ্গ করলে একবার কাফফারা দিলে হবে কি?
কসম ও নযর
কসম ভঙ্গের কাফফারায় খাদ্য বা বস্ত্রের বিনিময়ে টাকা দিলে আদায় হবে কি না?
কসম ও নযর