ইমামতি প্রসঙ্গে মাসায়েল
কোন ইমামের ইমামতি নাজায়েয?
০ বার পড়া হয়েছে১ মিনিটে পড়ুন
উত্তরদাতা আলেম
নির্দিষ্ট ইমামের অনুমতি ব্যতীত মেহমান ইমামের ইমামতি নাজায়েয। عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ (رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَوْمَ الْقَوْمِ أَقْرَؤُهُمْ لِكِتَابِ اللَّهِ فَإِنْ كَانُوا فِي الْقِرَاءَةِ سَوَاءً فَأَعْلَمُهُمْ بِالسُّنَّةِ فَإِنْ كَانُوا فِي السُّنَّةِ سَوَاءً فَأَقْدَمُهُمْ هِجْرَةً فَإِنْ كَانُوا فِي الْهِجْرَةِ سَوَاءً فَأَقْدَمُهُمْ سِنًا وَلَا يَوْمَنَ الرَّجُلُ الرَّجُلَ فِي سُلْطَانِهِ وَلَا يَقْعُدُ فِي بَيْتِهِ عَلَى تَكْرِمَتِهِ إِلَّا بِإِذْنِهِ. আবু মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন নবী করীমﷺ ইরশাদ করেছেন, সেই ব্যক্তি মুসল্লীদের ইমামতি করবেন যিনি আল্লাহর কিতাব (কুরআনে) তিলাওয়াতে সবচেয়ে বেশী অভিজ্ঞ। কুরআন তিলাওয়াতে যদি সকলেই সমান হয় তাহলে যিনি তাঁদের মধ্যে সুন্নাহ (হাদীস) সম্পর্কে সর্বাপেক্ষা অভিজ্ঞ। তাতেও যদি সকলে এক সমান হয় তাহলে যিনি আগে হিজরত করেছেন। তাতেও যদি সকলে সমান হয় তাহলে যিনি বয়সে সবচেয়ে বড়। কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির অধিকারে ইমামতি করবে না এবং অনুমতি ব্যতীত কারো ঘরে তার বিশেষ আসনে বসবে না। [মুসলিম শরীফ : ২/৪৬৪, হাদীস নং-১৪০৪]