ইমামতি প্রসঙ্গে মাসায়েল
ছয়-সাত বছরের ছেলে কখন ইমামতির যোগ্যতা রাখে?
০ বার পড়া হয়েছে১ মিনিটে পড়ুন
উত্তরদাতা আলেম
যদি ছয়-সাত বছরের কোন বালক অন্যান্য লোক অপেক্ষা কুরআন তিলাওয়াতে অভিজ্ঞ হয় তখন সেই ইমামতির অধিকারী। عَنْ عُمَرَ بْنِ سَلَمَةَ (رَضِي) قَالَ قَالَ أَبِي جِئْتُكُمْ مِنْ عِنْدِ النَّبِيِّ ﷺ حَقًّا فَقَالَ إِذَا حَضَرْتَ الصَّلَاةَ فَلْيُؤَذِّنْ أَحَدُكُمْ وَلْيُؤْمِمكُمْ أَكْثَرُكُمْ قُرْآنًا قَالَ فَانْظُرُوا فَلَمْ يَكُنْ أَحَدٌ أَكْثَرَ مِنِّي قُرْآنًا فَقَدَمُونِي وَأَنَا ابْنُ سِتٍّ أَوْ سَبْعٍ سِنِينَ . আমর ইবনে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার আব্বা (সালামা) বলেছেন যে, আমি (সালামা) নবী করীম ﷺ-এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। ফেরার সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে বললেন, যখন সালাতের সময় হবে তখন এক ব্যক্তি আযান দিবে এবং যে কুরআন তিলাওয়াতে বেশী অভিজ্ঞ সে ইমামতি করবে। লোকেরা দেখল সে মজলিসে আমার চেয়ে কোরআন তিলাওয়াতে পারদর্শী কোন ব্যক্তি নেই, তখন তারা আমাকেই ইমাম বানালেন। তখন আমার বয়স ছিল ছয়-সাত বছর। [মেশকাত শরীফ : ১/৯৩, হাদীস নং-১০৫৮, সহীহ সুনান আবু দাউদ, প্রথম খণ্ড, হাদীস নং-৭৬১]