নামায
জনৈক ব্যক্তি দু’মাস যাবত বেহুঁশ অবস্থায় ছিল। কোন কিছুই অনুধাবন করতে পারেনি। ফলে না নামায আদায় করেছে না রামাযানের রোযা পালন করেছে। এখন তার করণীয় কি ?
০ বার পড়া হয়েছে১ মিনিটে পড়ুন
উত্তরদাতা আলেম
সংজ্ঞাহীন হওয়ার কারণে তার উপর কোন কিছুই আবশ্যিক নয়। আল্লাহ যদি তার জ্ঞান ফিরিয়ে দেন, তবে সে রামাযানের রোযা ক্বাযা আদায় করবে। কিন্তু আল্লাহ যদি তার মৃত্যুর ফায়সালা করেন, তবে তার উপর কোন কিছু আবশ্যিক নয়। তবে জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর যদি সার্বক্ষণিক ওযর বিশিষ্ট হয়, যেমন অতি বয়স্ক প্রভৃতি, তবে ফরয হচ্ছেঃ তার অভিভাবক তার পক্ষ থেকে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন মিসকীনকে খাদ্য প্রদান করবে। তবে নামায ক্বাযা আদায় করার ব্যাপারে ওলামাদের মধ্যে দু’রকম মত পাওয়া যায়। ১) অধিকাংশ বিদ্বান বলেন, তাকে ক্বাযা আদায় করতে হবে না। কেননা ইবনু ওমর (রাঃ) একদিন একরাত্রি বেহুঁশ ছিলেন। কিন্তু তিনি ছুটে যাওয়া নামায ক্বাযা আদায় করেননি। (মালেক, হা/ ২৩) ২) তাকে ক্বাযা আদায় করতে হবে। এ মত পোষণ করেছেন পরবর্তী যুগের হাম্বলী মাযহাবের আলেমগণ। ইনছাফ গ্রন্থের লিখক বলেন, এটা মাযহাবের বিচ্ছিন্ন মতামত সমূহের অন্তর্গত। এ মতটি আম্মার বিন ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি তিন দিন বেহুঁশ ছিলেন। তারপর ছুটে যাওয়া নামায ক্বাযা আদায় করেছেন। (মালেক, হা/ ২৩) নামাযের শর্ত পূর্ণ করতে গিয়ে সময় পার হয়ে গেলে