কসম ও নযর
নযর মানলে কি মহান আল্লাহ আশা পূরণ করেন?
০ বার পড়া হয়েছে২ মিনিটে পড়ুন
উত্তরদাতা আলেম
আসলে আল্লাহর সাথে শর্তভিত্তিক চুক্তির নযর মকরুহ অথবা হারাম। যেমন, ‘আল্লাহ! যদি আমার ছেলে পাশ করে, তাহলে তোমার রাহে হাজার টাকা দেব। আমার রোগী সেরে উঠলে এত টাকা দান করব’ ইত্যাদি। এতে কোন লাভ হয় না। যা হয়, তা আল্লাহর ইচ্ছা ও তকদীরে হয়। নযর না মানলেও তাই হয়। মহানবী ﷺ বলেছেন, “নযর কোন মঙ্গল আনয়ন করে না। তার মাধ্যমে কেবল বখীলের মাল বের ক’রে নেওয়া হয়।” (বুখারী ৬৬০৮-৬৬০৯, মুসলিম ১৬৩৯-১৬৪০নং) তবে ইবাদতের নযর মানলে তা পূরা করা জরুরী। রসূল ﷺ বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্য করার নযর মানে, সে যেন (তা পূরা ক’রে) তার আনুগত্য করে এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্যতা করার নযর মানে, সে যেন (তা পূরণ না করে এবং) তাঁর অবাধ্যতা না করে।” (বুখারী, সহীহুল জামে’ ৬৪৪১) ইবনে আব্বাস রা. বলেন, ‘এক মহিলা সমুদ্র-সফরে বের হলে সে নযর মানল যে, যদি আল্লাহ তাবারাকা অতাতালা তাকে সমুদ্র থেকে পরিভ্রাণ দান করেন, তাহলে সে একমাস রোযা রাখবে। অতঃপর সে সমুদ্র থেকে পরিভ্রাণ পেয়ে ফিরে এল। কিন্তু রোযা না রেখেই সে মারা গেল। তার এক কন্যা নবী ﷺ এর নিকট এসে সে ঘটনার উল্লেখ করলে তিনি বললেন, “মনে কর, তার যদি কোন ঋণ বাকী থাকত, তাহলে তা তুমি পরিশোধ করতে কি না?” বলল, ‘হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “তাহলে আল্লাহর ঋণ অধিকরূপে পরিশোধ-যোগ্য। সুতরাং তুমি তোমার মায়ের তরফ থেকে রোযা কাযা করে দাও।” (আবু দাউদ ৩৩০৮নং, আহমাদ ২/২ ১৬ প্রমুখ)